১৪ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাম ছয় হাজার টাকা কেজি! দুর্মূল্য মিয়াজাকি আম ফলিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন ঝন্টু সরকার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: মালদা জেলার গাজোলের আদর্শপল্লির বাসিন্দা ও পঞ্চায়েত দফতরের কর্মী ঝন্টু সরকার বাড়ির ছাদে দুর্মূল্য মিয়াজাকি আম ফলিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। নিজের ছাদবাগানে নানা ফল ও ফুলের গাছের সঙ্গে গত বছর তিনি রোপণ করেছিলেন এক হাজার টাকা দামের মিয়াজাকি আমের চারা। আর চলতি বছরেই সেই গাছে ফল এসেছে।

গাছের টকটকে লাল রঙের মিয়াজাকি আম এখন ছাদবাগানের শোভা বাড়িয়েছে বহুগুণে। যদিও প্রথম বছরে প্রচুর মুকুল আসলেও তীব্র গরমে বেশ কিছু গুটি ঝরে যায়। তবু ঝন্টুবাবু প্রায় কুড়িটি আম সফলভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। প্রতিটি আমের আকৃতি ও রঙ বেশ ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জুনিয়র মিস ইন্ডিয়ায় বাঙালি কিশোরীর মাথায় মুকুট, চ্যাম্পিয়ন মালদহের প্রিন্সিপ্রিয়া

ঝন্টু সরকারের কথায়, এই আমের গাছের যত্নে একটু বেশি মনোযোগ দিতে হয়েছে। টিভিতে এই আমের খবর দেখে আগ্রহ জন্মায়। এরপর নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করেন তিনি। জানা গেছে, গাজোল এলাকায় আরও কয়েকজন বাসিন্দা মিয়াজাকি আমের চারা লাগিয়েছেন, তবে তাঁদের গাছে দু-একটির বেশি ফল ধরেনি। বাজারে এই আমের দাম প্রতি কেজি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঝন্টুবাবু। গত বছর শিলিগুড়ির আম মেলায় এই আম প্রতিটি দুই হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও পরে সেই দাম নেমে আসে এক হাজারে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশের পর বাংলা, দেওয়ালিতে কার্বাইড গান ব্যবহার, মালদহে চোখ হারাতে বসেছে নয়জন শিশু-কিশোর

ঝন্টু সরকার জানিয়েছেন, আগামী বছর আরও কয়েকটি মিয়াজাকি আমের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এই সাফল্যের অভিজ্ঞতা দেখে অনেকেই উৎসাহিত হচ্ছেন ছাদে এই দুর্লভ আম চাষে। সরকার ও কৃষি বিভাগ থেকেও চাষিদের এই আমের চারা সরবরাহ করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে এর উৎপাদন বাড়ে।

আরও পড়ুন: ঈদের নামায চলাকালীন বৃদ্ধের গলায় চাকুর কোপ: হরিশ্চন্দ্রপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত যুবক

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

আই-প্যাক ইস্যু: হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত চাইল ইডি, ‘আমরা প্রস্তুত’ বললেন কল্যাণ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দাম ছয় হাজার টাকা কেজি! দুর্মূল্য মিয়াজাকি আম ফলিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন ঝন্টু সরকার

আপডেট : ২৮ মে ২০২৫, বুধবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: মালদা জেলার গাজোলের আদর্শপল্লির বাসিন্দা ও পঞ্চায়েত দফতরের কর্মী ঝন্টু সরকার বাড়ির ছাদে দুর্মূল্য মিয়াজাকি আম ফলিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। নিজের ছাদবাগানে নানা ফল ও ফুলের গাছের সঙ্গে গত বছর তিনি রোপণ করেছিলেন এক হাজার টাকা দামের মিয়াজাকি আমের চারা। আর চলতি বছরেই সেই গাছে ফল এসেছে।

গাছের টকটকে লাল রঙের মিয়াজাকি আম এখন ছাদবাগানের শোভা বাড়িয়েছে বহুগুণে। যদিও প্রথম বছরে প্রচুর মুকুল আসলেও তীব্র গরমে বেশ কিছু গুটি ঝরে যায়। তবু ঝন্টুবাবু প্রায় কুড়িটি আম সফলভাবে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। প্রতিটি আমের আকৃতি ও রঙ বেশ ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জুনিয়র মিস ইন্ডিয়ায় বাঙালি কিশোরীর মাথায় মুকুট, চ্যাম্পিয়ন মালদহের প্রিন্সিপ্রিয়া

ঝন্টু সরকারের কথায়, এই আমের গাছের যত্নে একটু বেশি মনোযোগ দিতে হয়েছে। টিভিতে এই আমের খবর দেখে আগ্রহ জন্মায়। এরপর নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করেন তিনি। জানা গেছে, গাজোল এলাকায় আরও কয়েকজন বাসিন্দা মিয়াজাকি আমের চারা লাগিয়েছেন, তবে তাঁদের গাছে দু-একটির বেশি ফল ধরেনি। বাজারে এই আমের দাম প্রতি কেজি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হতে পারে বলে জানিয়েছেন ঝন্টুবাবু। গত বছর শিলিগুড়ির আম মেলায় এই আম প্রতিটি দুই হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও পরে সেই দাম নেমে আসে এক হাজারে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশের পর বাংলা, দেওয়ালিতে কার্বাইড গান ব্যবহার, মালদহে চোখ হারাতে বসেছে নয়জন শিশু-কিশোর

ঝন্টু সরকার জানিয়েছেন, আগামী বছর আরও কয়েকটি মিয়াজাকি আমের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এই সাফল্যের অভিজ্ঞতা দেখে অনেকেই উৎসাহিত হচ্ছেন ছাদে এই দুর্লভ আম চাষে। সরকার ও কৃষি বিভাগ থেকেও চাষিদের এই আমের চারা সরবরাহ করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে এর উৎপাদন বাড়ে।

আরও পড়ুন: ঈদের নামায চলাকালীন বৃদ্ধের গলায় চাকুর কোপ: হরিশ্চন্দ্রপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত যুবক