পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: গুজরাতের মরবিতে সেতু বিপর্যয় কেড়ে নিয়েছে কমপক্ষে ১৫০ টি প্রাণ, নিখোঁজ এখনও অনেকে। এই দুঃসময়েও সম্প্রীতির নজির মিলল মরবিতে। উত্তাল নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রায় ১০০ জনের প্রাণ বাঁচালেন বেশ কয়েক মুসলিম যুবক।
আরও পড়ুন:
এমনই এক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে এক যুবক বলছে,এই দৃশ্য দেখার পর আমি ওহ আমার বন্ধুরা মিলে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছে। লক্ষ্য একটাই মূল্যবান প্রাণ বাঁচানো। আমরা তাদের বাঁচাতে গিয়ে অনেক নদীর জল খেয়েছি।
কিন্তু থেমে থাকিনি। যতটুকু পেরেছি আমরা চেষ্টা করেছি।আরও পড়ুন:
সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সে আরও জানায়, আমরা জানতাম শুধু সাঁতার জানি। এত টুকুই বিশ্বাস নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দি। তৌফিক ভাই, নাঈম শেখ এবং হুসেন পাঠান এবং আরও অনেকে যাদের নাম জানতাম না সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ি একত্রে। অনেকেরই প্রাণরক্ষা হয়। তবে নদীর জলে তলিয়ে যায় আরও অনেক তরতাজা প্রাণ।
আরও পড়ুন:
রবিবার রাতে প্রায় ৫০০ শোর মত মানুষ নিয়ে মাচ্ছু নদীর উপর ভেঙে পড়ে সেতু। এই ঘটনায় অন্তত ১৪১ জনের মৃত্যু হয়েছ। আহত আরও অনেকে।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, সেতুটি দীর্ঘ ৭ মাস বন্ধ রাখা হয়েছিল। চলছিল মেরামতের কাজ । কিছু দিন আগেই সেতুটি নতুন করে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তার ৬ দিনের মাথায় ঘটে এই বিপত্তি।
আরও পড়ুন:
ঠিক এগারো বছর আগে ২০১১ সালে দার্জিলিং-এর বিজনবারি সেতুতে এমনই এক দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছিল ৩২ জনের। সেই ইতিহাস আজ স্মৃতির পাতায়। নতুন করে গুজরাটের ঝুলন্ত ব্রিজের দুর্ঘটনা উস্কে দিল সেই আতঙ্ক।
রবিবার ছটপুজো উপলক্ষে ছুটি ছিল গুজরাটে। তাই সেতুতে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অন্তত ৫০০ লোক নিয়ে সেতু ছিঁড়ে জলে পড়ে যায়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়া ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছিল, সেতু ভেঙে মাচ্ছু নদীতে পড়ে যান অনেকে। কেউ সাঁতার কেটে প্রাণরক্ষা করার চেষ্টা করছিলেন, তো কেউ বা আবার ঝুলন্ত ব্রিজের দড়ি ধরে ঝুলে ছিলেন।
আরও পড়ুন: