০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইন্তেকাল করলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ইন্তেকাল করলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম। রহস্য রোমাঞ্চ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান লেখক ও অনুবাদক ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। শনিবার বেলা ১টা নাগাদ শেখ আবদুল হাকিম তাঁর বড় মেয়ের বাড়িতে ইন্তেকাল (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শোকস্তব্ধ সাহিত্য জগৎ।

তিনি রেখে গেলেন ছেলে শেখ পুলক হাসান, দুই মেয়ে সাদিয়া হাকিম, শেখ আপালা হাকিম। ছয় বছর আগে ইন্তেকাল করেছেন সাহিত্যিক শেখ আবদুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শেখ আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন।  শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সেখান থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে ফিরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শনিবার দুপুরের দিক থেকে হঠাৎ করেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসা শুরু করার আগেই ইন্তেকাল করেন তিনি। আজ বাদ মাগরিব নন্দীপাড়া মসজিদে সাহিত্যিক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম জানাজা সম্পন্ন হবে। এরপর নন্দীপাড়া কবরস্থানেই তাঁকে দাফন করা হবে।

১৯৪৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দেশভাগের পর পরিবার সমেত তারা ঢাকায় চলে আসেন। শেখ আবদুল হাকিম গত শতকের ষাটের দশকের মাঝামাঝি থেকে দেশের অন্যতম প্রকাশনা সংস্থা সেবা প্রকাশনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পেশাদার লেখক হিসেবে কাজ করছিলেন। এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয় রহস্য রোমাঞ্চ উপন্যাস সিরিজ ‘কুয়াশা’ ও ‘মাসুদ রানার’ অনেক বইয়ের নেপথ্য লেখক ছিলেন তিনি।এ ছাড়া নিজ নামেও তিনি এই ধারার বহু জনপ্রিয় রোমাঞ্চ উপন্যাসের অনুবাদ এবং মৌলিক উপন্যাস রচনা করে পাঠকসমাজে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন।

সর্বধিক পাঠিত

যোগী রাজ্যে ফের ধর্ষণের শিকার তেরো বছরের বালিকা, তদন্তে পুলিশ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইন্তেকাল করলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম

আপডেট : ২৮ অগাস্ট ২০২১, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ইন্তেকাল করলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম। রহস্য রোমাঞ্চ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান লেখক ও অনুবাদক ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। শনিবার বেলা ১টা নাগাদ শেখ আবদুল হাকিম তাঁর বড় মেয়ের বাড়িতে ইন্তেকাল (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শোকস্তব্ধ সাহিত্য জগৎ।

তিনি রেখে গেলেন ছেলে শেখ পুলক হাসান, দুই মেয়ে সাদিয়া হাকিম, শেখ আপালা হাকিম। ছয় বছর আগে ইন্তেকাল করেছেন সাহিত্যিক শেখ আবদুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শেখ আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন।  শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। সেখান থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু বাড়িতে ফিরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শনিবার দুপুরের দিক থেকে হঠাৎ করেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসা শুরু করার আগেই ইন্তেকাল করেন তিনি। আজ বাদ মাগরিব নন্দীপাড়া মসজিদে সাহিত্যিক ও অনুবাদক শেখ আবদুল হাকিম জানাজা সম্পন্ন হবে। এরপর নন্দীপাড়া কবরস্থানেই তাঁকে দাফন করা হবে।

১৯৪৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দেশভাগের পর পরিবার সমেত তারা ঢাকায় চলে আসেন। শেখ আবদুল হাকিম গত শতকের ষাটের দশকের মাঝামাঝি থেকে দেশের অন্যতম প্রকাশনা সংস্থা সেবা প্রকাশনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পেশাদার লেখক হিসেবে কাজ করছিলেন। এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয় রহস্য রোমাঞ্চ উপন্যাস সিরিজ ‘কুয়াশা’ ও ‘মাসুদ রানার’ অনেক বইয়ের নেপথ্য লেখক ছিলেন তিনি।এ ছাড়া নিজ নামেও তিনি এই ধারার বহু জনপ্রিয় রোমাঞ্চ উপন্যাসের অনুবাদ এবং মৌলিক উপন্যাস রচনা করে পাঠকসমাজে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন।