পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে আরএসএসকে নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করব, এমনটাই মন্তব্য করলেন কর্নাটকের পঞ্চায়েত ও তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে।
আরএসএস নেতা দত্তাত্রেয় হোসবলের মন্তব্য—সংবিধান থেকে 'ধর্মনিরপেক্ষ' ও 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দ দুটি বাদ দেওয়া উচিত—এর প্রতিক্রিয়ায় খাড়গে বলেন, "হোসবলে কোন চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করেন? তিনি এমন একটি সংগঠনের (RSS) অংশ, যা বরাবরই ধর্মনিরপেক্ষতা, সাম্য ও সমাজতন্ত্রকে অপছন্দ করে এসেছে।"আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, "সংবিধান এবং সামাজিক সমতার ধারণার প্রতি আরএসএস এর বিরাগ নতুন কিছু নয়। বরং, তারা আজ তাদের পুরনো মতাদর্শকেই প্রকাশ্যে বলছে। আমরা বরাবরই আরএসএস-এর মতাদর্শের বিরোধিতা করেছি এবং অতীতে দু’বার তাদের নিষিদ্ধও করেছি।
পরে তারাই এসে আমাদের কাছে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ করেছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াই ছিল ভুল। এবার ক্ষমতায় এলে আবার নিষিদ্ধ করার কথা ভাবব।"আরও পড়ুন:
'ধর্মনিরপেক্ষ' ও 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দ নিয়ে আরএসএস-এর আপত্তিরও কড়া সমালোচনা করেন খাড়গে। তিনি বলেন, "এই শব্দগুলোতে সমস্যা কোথায়? কেন তারা এগুলোতে এলার্জি অনুভব করে?
ওদের মতাদর্শ কেবলমাত্র এক ধর্ম ও এক সম্প্রদায়কে গুরুত্ব দেয়। কিন্তু আমরা সংবিধানের পক্ষে আছি এবং তা রক্ষা করব।" খাড়গে বলেন, 'আরএসএস বাবাসাহেব আম্বেদকরকে বোঝে না। সংবিধান একটি জীবন্ত দলিল।'আরও পড়ুন:
তিনি আরও অভিযোগ করেন, "আরএসএস স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নেয়নি, বরং এখন নিজেদের ইতিহাস গড়ে তুলছে। এই কারণেই তারা হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকে নানা ভুল তথ্য ছড়ায়।
আগে ওদের উচিত আম্বেদকরকে সঠিকভাবে পড়া। আরএসএস বরাবরই তাঁর বিরোধী ছিল।"আরও পড়ুন:
শেষে খাড়গে বলেন, "আমি হাউজে এই বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ প্রশ্ন তুলেছি। কিন্তু বিজেপির কেউ পদত্যাগ করেনি। বরং, তাঁরা অবান্তর মন্তব্য করে আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতে চান। ওদের আগে শিক্ষিত হওয়া দরকার।"