২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এবার থেকে চাইলেই এন্টিবায়োটিকস কিনে খাওয়া যাবে না, চিকিৎসকরাও লিখতে পারবেন না যখন তখন

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: জ্বর–জ্বালা হলেই দোকান থেকে এন্টিবায়োটিকস কিনে খাওয়ার প্রবণতা আজকাল চোখে পড়ে। ডাক্তারদের মধ্যেও এই প্রবণতা বেড়েছে। সামান্য জ্বরের লক্ষণ দেখলেই রোগীকে তড়িঘড়ি এন্টিবায়োটিকস এর কোর্স শেষ করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আর তাতে বড় ক্ষতি হচ্ছে মানব শরীরে। এই প্রবণতা আটকাতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র।  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেল্থ সার্ভিসেস পক্ষ থেকে চিকিৎসক, ফার্মাসিস্টদের একটি চিঠিতে জানানো হয়েছে, এবার থেকে যখন তখন এন্টিবায়োটিকস লিখে দেওয়া বা বিক্রি করা যাবে না।

ওষুধের দোকানে প্রেসক্রিপশন ছাড়াও এই ওষুধ বিক্রি করা চলবে না। চিকিৎসকরাও যদি এন্টিবায়োটিকস লিখতে চান, তাহলে প্রেসক্রিপশনে লিখে দিতে হবে, কেন তিনি এই ওষুধ খেতে পরামর্শ দিচ্ছেন। যথেষ্ঠ কারণ না থাকলে এই ওষুধ লেখা যাবে না।

হু ও এন্টিবায়োটিকস এর ব্যবহারে সতর্ক হতে বলেছিল। কারণ খুব বেশি এন্টিবায়োটিক্স খেলে অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিসট্যান্স বা এএমআর তৈরি হয়। এর ফলে অন্যন্যা অনেক ওষুধ কাজ করে না রোগীর শরীরে।

সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর: তামিলনাড়ুতে বাদ পড়ল ৭৪ লক্ষের বেশি নাম

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এবার থেকে চাইলেই এন্টিবায়োটিকস কিনে খাওয়া যাবে না, চিকিৎসকরাও লিখতে পারবেন না যখন তখন

আপডেট : ১৯ জানুয়ারী ২০২৪, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: জ্বর–জ্বালা হলেই দোকান থেকে এন্টিবায়োটিকস কিনে খাওয়ার প্রবণতা আজকাল চোখে পড়ে। ডাক্তারদের মধ্যেও এই প্রবণতা বেড়েছে। সামান্য জ্বরের লক্ষণ দেখলেই রোগীকে তড়িঘড়ি এন্টিবায়োটিকস এর কোর্স শেষ করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আর তাতে বড় ক্ষতি হচ্ছে মানব শরীরে। এই প্রবণতা আটকাতে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র।  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেল্থ সার্ভিসেস পক্ষ থেকে চিকিৎসক, ফার্মাসিস্টদের একটি চিঠিতে জানানো হয়েছে, এবার থেকে যখন তখন এন্টিবায়োটিকস লিখে দেওয়া বা বিক্রি করা যাবে না।

ওষুধের দোকানে প্রেসক্রিপশন ছাড়াও এই ওষুধ বিক্রি করা চলবে না। চিকিৎসকরাও যদি এন্টিবায়োটিকস লিখতে চান, তাহলে প্রেসক্রিপশনে লিখে দিতে হবে, কেন তিনি এই ওষুধ খেতে পরামর্শ দিচ্ছেন। যথেষ্ঠ কারণ না থাকলে এই ওষুধ লেখা যাবে না।

হু ও এন্টিবায়োটিকস এর ব্যবহারে সতর্ক হতে বলেছিল। কারণ খুব বেশি এন্টিবায়োটিক্স খেলে অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিসট্যান্স বা এএমআর তৈরি হয়। এর ফলে অন্যন্যা অনেক ওষুধ কাজ করে না রোগীর শরীরে।