১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কর্নাটকে মহিলাকে জোর করে মদ খাইয়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার স্বামীর ৬ বন্ধু

বেঙ্গালুরু, ১৩ ফেব্রুয়ারি: কর্ণাটকে মহিলাকে জোরপূর্বক মদ খাইয়ে ধর্ষণ। স্বামীর মদ্যপ বন্ধুদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। ঘটনায় অভিযুক্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর গঙ্গাবতী এলাকার। অভিযোগ, গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্যাতিতার স্বামীর বেশ কয়েকজন বন্ধু মদ্যপ অবস্থায় গৃহবধূকে নৃশংসভাবে নির্যাতন ও ধর্ষণ করে। জানা গিয়েছে, রমেশ (নাম পরিবর্তিত) এবং তাঁর স্ত্রী বেঙ্গালুরুতে থাকতেন। তারা দুজনেই একটি বেসরকারী সংস্থায় কাজ করতেন। সম্প্রতি তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। গত সপ্তাহে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। সেই রাগে বেঙ্গালুরু ছেড়ে কোপ্পালে চলে যান রমেশ। পরেরদিন তার স্ত্রীও সেখানে চলে যান। স্বামী-স্ত্রীর ভুল বোঝাবুঝি মেটাতে রমেশ তার বন্ধুদের ডাকেন।

 

আরও পড়ুন: চারপাশে আগুন-দরজা বন্ধ হওয়ার ফলে কেউ নামতে পারেননি: কর্নাটক বাস দুর্ঘটনায় এক প্রত্যক্ষদর্শী

পুলিশ সূত্রে খবর, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্ধুদের নিয়ে গঙ্গাবতী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি পার্কে যান রমেশ। সেখানে তার স্ত্রীও ছিলেন। রাত্রি ৯টা পর্যন্ত ভুল বোঝাবুঝি মেটানোর চেষ্টা করেন তারা। কোপ্পালের এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, “আলোচনার সময় রমেশের স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিজনক কথা বলেন তার বন্ধু লিঙ্গরাজ। বন্ধুর আপত্তিজনক কথার প্রতিবাদ করেন রমেশ। এরপরই মদ্যপ বন্ধুরা তার উপর চড়াও হয়। রমেশকে ব্যাপক মারধর করে। এরপরই লিঙ্গরাজ রমেশের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। নির্যাতিতা মহিলাকে জোরপূর্বক মদ খেতেও বাধ্য করা হয়েছিল।”

আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে ন্যায়বিচার দিতে সবকিছু করব: গণধর্ষণ-কাণ্ডে মুখ খুললেন বোস

 

আরও পড়ুন: সরকারি জায়গায় আরএসএসের কর্মসূচির অনুমতি দেবেন না, কর্নাটক সরকারকে আর্জি কংগ্রেস নেতার

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রমেশ এবং তার স্ত্রী যাতে পুলিশে অভিযোগ না করেন। তারজন্য তাদের হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত লিঙ্গরাজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মৌলানা হুসেন, শিবকুমার স্বামী, প্রশান্ত, মহেশ ও মাদেশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নির্যাতিতার মেডিকেল পরিক্ষা করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

বিশাল জয় বিএনপির, বিরোধী দলের আসনে জামাআতে ইসলামী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কর্নাটকে মহিলাকে জোর করে মদ খাইয়ে ধর্ষণ, গ্রেফতার স্বামীর ৬ বন্ধু

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, মঙ্গলবার

বেঙ্গালুরু, ১৩ ফেব্রুয়ারি: কর্ণাটকে মহিলাকে জোরপূর্বক মদ খাইয়ে ধর্ষণ। স্বামীর মদ্যপ বন্ধুদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। ঘটনায় অভিযুক্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর গঙ্গাবতী এলাকার। অভিযোগ, গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্যাতিতার স্বামীর বেশ কয়েকজন বন্ধু মদ্যপ অবস্থায় গৃহবধূকে নৃশংসভাবে নির্যাতন ও ধর্ষণ করে। জানা গিয়েছে, রমেশ (নাম পরিবর্তিত) এবং তাঁর স্ত্রী বেঙ্গালুরুতে থাকতেন। তারা দুজনেই একটি বেসরকারী সংস্থায় কাজ করতেন। সম্প্রতি তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। গত সপ্তাহে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। সেই রাগে বেঙ্গালুরু ছেড়ে কোপ্পালে চলে যান রমেশ। পরেরদিন তার স্ত্রীও সেখানে চলে যান। স্বামী-স্ত্রীর ভুল বোঝাবুঝি মেটাতে রমেশ তার বন্ধুদের ডাকেন।

 

আরও পড়ুন: চারপাশে আগুন-দরজা বন্ধ হওয়ার ফলে কেউ নামতে পারেননি: কর্নাটক বাস দুর্ঘটনায় এক প্রত্যক্ষদর্শী

পুলিশ সূত্রে খবর, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বন্ধুদের নিয়ে গঙ্গাবতী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি পার্কে যান রমেশ। সেখানে তার স্ত্রীও ছিলেন। রাত্রি ৯টা পর্যন্ত ভুল বোঝাবুঝি মেটানোর চেষ্টা করেন তারা। কোপ্পালের এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, “আলোচনার সময় রমেশের স্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিজনক কথা বলেন তার বন্ধু লিঙ্গরাজ। বন্ধুর আপত্তিজনক কথার প্রতিবাদ করেন রমেশ। এরপরই মদ্যপ বন্ধুরা তার উপর চড়াও হয়। রমেশকে ব্যাপক মারধর করে। এরপরই লিঙ্গরাজ রমেশের স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। নির্যাতিতা মহিলাকে জোরপূর্বক মদ খেতেও বাধ্য করা হয়েছিল।”

আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে ন্যায়বিচার দিতে সবকিছু করব: গণধর্ষণ-কাণ্ডে মুখ খুললেন বোস

 

আরও পড়ুন: সরকারি জায়গায় আরএসএসের কর্মসূচির অনুমতি দেবেন না, কর্নাটক সরকারকে আর্জি কংগ্রেস নেতার

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রমেশ এবং তার স্ত্রী যাতে পুলিশে অভিযোগ না করেন। তারজন্য তাদের হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত লিঙ্গরাজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মৌলানা হুসেন, শিবকুমার স্বামী, প্রশান্ত, মহেশ ও মাদেশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নির্যাতিতার মেডিকেল পরিক্ষা করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।