কোষাগারের ঘাটতি কমাতে উ্যদোগ
পুবের কলম প্রতিবেদক: শহর কলকাতায় অবৈধ নির্মাণ রুখতে কড়া হচ্ছে পুরনিগম। সবাই যাতে নিয়ম মেনে বাড়ি নির্মাণ করে তার জন্য চলছে সচেতনতা। এরই মাঝে বেআইনি নির্মাণের খোঁজ মিললে তা ভেঙে ফেলার জন্য মালিকদের কাছেই খরচ আদায় করার হুঁশিয়ারি দিল পুর-কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, অবৈধ নির্মাণ ভাঙার খরচ চেয়ে পাঠানো হবে ডিমান্ড ড্রাফট। সেই টাকা পরিশোধ না করলে তা যুক্ত হবে সম্পত্তি করের সঙ্গে।
কলকাতার বুকে বেশ কিছু বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের বিল্ডিং বিভাগের নেতৃত্বে ডেমোলিশন স্কোয়াড বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করেছে। প্রায় ৫ কোটি টাকা দেনা বলেও খবর। তাই রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিতে নয়া সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। শুধু বেআইনি নির্মাণই নয়, নয়া তালিকায় আছে বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার খরচও। দুই ক্ষেত্রেই মালিকদের কাছে টাকা আদায় করবে পুর-কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে, ১৯৮০ সালের কলকাতা কর্পোরেশন আইন অনুসারে বিপজ্জনক বাড়ি বা তার কোনও নির্দিষ্ট অংশ ভাঙা কিংবা বেআইনি নির্মাণের অংশ ভাঙার যে খরচ এতদিন কর্পোরেশন নিজে বহন করে এসেছে, সেটা আর হবে না। এবার ভাঙার সম্পূর্ণ খরচ বহন করতে হবে সংশ্লিষ্ট বেআইনি ও বিপজ্জনক বাড়ির মালিককে। ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে সেই টাকা পুরনিগমের কোষাগারে জমা করার জন্য। অন্যথায় ওই বাড়ির মালিকের সম্পত্তি করের সঙ্গে এই খরচ কর হিসেবে যুক্ত হয়ে যাবে। নজরদারি চালাবে বিল্ডিং ও কর মূল্যায়ন বিভাগ।
পুর কমিশনার ধবল জৈন নির্দেশিকায় জানিয়েছেন, বিল্ডিংয়ের মালিকের কাছে নোটিশ পাঠাতে হবে। টাকা পরিশোধের জন্য ১৫ দিন সময় থাকবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে টাকা জমা না করতে পারলে অ্যাসেসমেন্ট বিভাগের লেটার অব ইন্টিমেশন বা এলওআই-তে সেটি প্রতিফলিত হবে। অর্থাৎ, কর হিসাবে তা দিতে হবে।



























