১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘উদ্বোধনের দিন নয়া সংসদ ভবনে গরু নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল’: শঙ্করাচার্য

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মূর্তি থাকতে পারলে, জীবন্ত গরুতে সমস্যা কোথায়? নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনে গরু নিয়ে না যাওয়ায় বেজায় চটলেন জোশীমঠের শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী। তিনি জানান, ‘উদ্বোধনের দিন নতুন সংসদ ভবনে গরু নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল’। কিন্তু সংসদে গরুর কী কাজ? তাঁর কথায়, যদি গরুর মূর্তি সংসদে ঢুকতে পারে, তা হলে আসল গরু কেন না? কিন্তু সংসদে গরুর মূর্তিটাই বা কোথায়?

শঙ্করাচার্যের ভাষ্যে নয়া সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রীর হাতে যে সেনগল ছিল,  সেই রাজদণ্ডেই একটি গরুর ছবি খোদাই করা দেখা গিয়েছে। তাই ওইদিন মূর্তির বদলে জীবন্ত গরু নিয়ে গেলে বেশি লাভদায়ক হত। সরাসরি সেই গরুর কাছ থেকে আশীর্বাদ পাওয়া যেত। এবার প্রশাসন যদি তা না পারে, তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে গোটা দেশের নানা প্রান্তের গরু নিয়ে যেতে পারি। গরু প্রসঙ্গে এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। গরুকে নিয়ে একাধিক প্রস্তাবও সামনে রাখেন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর মুখে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফর উপলক্ষ্যে একাধিক রাস্তায় নিষেধাজ্ঞা জারি লালবাজারের

 

আরও পড়ুন: আল্লাহ চাইলে শীঘ্রই পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা পাবে কাশ্মীর, আশাবাদী ফারুক আবদুল্লাহ 

মহারাষ্ট্রের প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, মহারাষ্ট্র সরকারের উচিত গরুকে সম্মান জানানোর জন্য একটি নীতি তৈরি করা। কেউ যদি গরুকে উত্ত্যক্ত না করে তার জন্য জরিমানাও ধার্য করা হোক। এছাড়া দেশজুড়ে ৪ হাজার ১২৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘রামধাম’ গড়ে তোলার দাবিও তোলেন। যেখানে ১০০টি করে গরুর সেবা-রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির, ৮,৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন মণিপুরে

 

পাশাপাশি কেউ যদি ১০০টি গরুর দায়িত্ব নিয়ে সেবার কাজ করেন, তাহলে তাঁর জন্য মাসিক ২ লক্ষ টাকা ভাতার দাবি জানিয়েছেন শঙ্করাচার্য। গরুকে কীভাবে সম্মান জানানো হবে, সেই নিয়ে এখনও কোনও সরকারি প্রোটোকল না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শঙ্করাচার্য। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে সুর চড়াতেও ভোলেননি তিনি। বলেন, যে সরকার গরু হত্যা বন্ধ করতে পারে না, তারা আমাদের ভাই নয়। যারা গোরক্ষার্থে কাজ করবে তাঁদেরই আমরা সমর্থন করব।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

আমেরিকা হামলা চালালে ইরানকে সহায়তা করতে প্রস্তুত আফগানিস্তান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘উদ্বোধনের দিন নয়া সংসদ ভবনে গরু নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল’: শঙ্করাচার্য

আপডেট : ৪ অগাস্ট ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: মূর্তি থাকতে পারলে, জীবন্ত গরুতে সমস্যা কোথায়? নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনে গরু নিয়ে না যাওয়ায় বেজায় চটলেন জোশীমঠের শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ সরস্বতী। তিনি জানান, ‘উদ্বোধনের দিন নতুন সংসদ ভবনে গরু নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল’। কিন্তু সংসদে গরুর কী কাজ? তাঁর কথায়, যদি গরুর মূর্তি সংসদে ঢুকতে পারে, তা হলে আসল গরু কেন না? কিন্তু সংসদে গরুর মূর্তিটাই বা কোথায়?

শঙ্করাচার্যের ভাষ্যে নয়া সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রীর হাতে যে সেনগল ছিল,  সেই রাজদণ্ডেই একটি গরুর ছবি খোদাই করা দেখা গিয়েছে। তাই ওইদিন মূর্তির বদলে জীবন্ত গরু নিয়ে গেলে বেশি লাভদায়ক হত। সরাসরি সেই গরুর কাছ থেকে আশীর্বাদ পাওয়া যেত। এবার প্রশাসন যদি তা না পারে, তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে গোটা দেশের নানা প্রান্তের গরু নিয়ে যেতে পারি। গরু প্রসঙ্গে এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। গরুকে নিয়ে একাধিক প্রস্তাবও সামনে রাখেন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুজোর মুখে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতা সফর উপলক্ষ্যে একাধিক রাস্তায় নিষেধাজ্ঞা জারি লালবাজারের

 

আরও পড়ুন: আল্লাহ চাইলে শীঘ্রই পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা পাবে কাশ্মীর, আশাবাদী ফারুক আবদুল্লাহ 

মহারাষ্ট্রের প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, মহারাষ্ট্র সরকারের উচিত গরুকে সম্মান জানানোর জন্য একটি নীতি তৈরি করা। কেউ যদি গরুকে উত্ত্যক্ত না করে তার জন্য জরিমানাও ধার্য করা হোক। এছাড়া দেশজুড়ে ৪ হাজার ১২৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘রামধাম’ গড়ে তোলার দাবিও তোলেন। যেখানে ১০০টি করে গরুর সেবা-রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির, ৮,৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন মণিপুরে

 

পাশাপাশি কেউ যদি ১০০টি গরুর দায়িত্ব নিয়ে সেবার কাজ করেন, তাহলে তাঁর জন্য মাসিক ২ লক্ষ টাকা ভাতার দাবি জানিয়েছেন শঙ্করাচার্য। গরুকে কীভাবে সম্মান জানানো হবে, সেই নিয়ে এখনও কোনও সরকারি প্রোটোকল না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শঙ্করাচার্য। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে সুর চড়াতেও ভোলেননি তিনি। বলেন, যে সরকার গরু হত্যা বন্ধ করতে পারে না, তারা আমাদের ভাই নয়। যারা গোরক্ষার্থে কাজ করবে তাঁদেরই আমরা সমর্থন করব।