রুবায়েত মোস্তফা, কোচবিহার: এনআরসি নোটিশ এবার নির্বাচিত জন প্রতিনিধিকে। অসমের নলবাড়ি ফরেনার্স ট্রাইবুনাল থেকে একটি সমন এসেছে কোচবিহারের মাথাভাঙা-১ ব্লকের হাজরাহাট ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে। ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট সকাল ১১টায় নলবাড়ির ট্রাইবুনালে প্রধানকে সশরীরে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে, মিনতি ওরফে মিনালি রায় সংক্রান্ত এক মামলায় রেজিস্টার্ড নথিপত্র-সহ সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য।
এক্ষেত্রে প্রধানের নিজের নাগরিকত্বের প্রমাণের জন্য তার কাছে নোটিশ আসেনি। এলাকার ভোটার মিনতির নামের বানানের ভুল থাকার কারনে পঞ্চায়েতের তরফে দেওয়া প্রয়োজনীয় শংসাপত্রের ভেরিফিকেশনের লক্ষ্যেই এই নোটিশ এসেছে বলে জানা গিয়েছে।
জানা যায়, দক্ষিণ ভাঙামোড়ের বাসিন্দা মিনতির প্রায় ৪০ বছর আগে বিয়ে হয় অসমের নলবাড়ির অধীর রায়ের সঙ্গে। কিন্তু এনআরসি-র সময় নামের বানান বিভ্রাট নিয়ে বিতর্ক ওঠে। মিনতি রায়ের ছেলের দাবি সব নথি জমা দিলেও, বারবার হয়রানি করা হচ্ছে। আতঙ্কে ভুগছেন তারা।
তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় বলেন, ‘অসম সরকার এটা করতে পারে না, এটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। একজন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে এই নোটিশ পাঠিয়ে সমস্ত সীমা লংঘন করেছে তারা। এটা একটা গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। বাংলাকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় আমরা হতবাক।’
পঞ্চায়েত প্রধান বিনামা বর্মণ জানিয়েছেন, এখনও অফিসিয়াল নোটিশ পাননি, পেলে বিডিওর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। অন্যদিকে, এই ঘটনায় মাথাভাঙ্গার দক্ষিণ ভাঙামোড় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।





























