১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর গত ৩ বছরের তথ্য দিতে গড়িমসি করছে কেন্দ্র

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো ২০২৩ এর বার্ষিক রিপোর্ট এর সমস্ত তথ্য পঞ্জিকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে, শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে, ৫ মাস আগে সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একথা বলা হয়েছিল।

 

শুক্রবারও সংসদে একই কথা বলা হল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। ২০২২ সালের পর ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো কোনও বার্ষিক রিপোর্টই প্রকাশ করেনি। এটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। গত ১৯ মার্চ রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের জবাবে যে কথা বলা হয়, ৫ আগস্ট লোকসভায় একই কথা বলা হয়।

আরও পড়ুন: প্রতিদ্বন্দ্বী না, ঐক্যের ভাষা হিন্দি: অমিত শাহ

 

আরও পড়ুন: ডিভিসি-র জল ছাড়াকে ঘিরে তীব্র সংঘাত: ‘ম্যান মেড বন্যা’-র অভিযোগে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তৃণমূলের

দুটি জবাবই দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় সিং। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করে। একটি, সারা দেশে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা। আর একটি, সারা দেশে আত্মহত্যা এবং অপরাধ এর তথ্য। তৃতীয়টি, সারা দেশে বন্দির সংখ্যা।

আরও পড়ুন: এসআইআর নিয়ে কোনও আলোচনা নয় পার্লামেন্টে! কেন্দ্রের নিদান

 

প্রত্যেক রাজ্য ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো থেকে তথ্য সন্নিবিষ্ট করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়। ২০২২ সালের এই তিন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের সাংসদ ইমরান মাসুদ লোকসভায় এই প্রশ্ন তুলে বলেন, কোন সময়ের মধ্যে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে তা সরকার বলুক।

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কোনও সময় দিতে পারেননি, শুধু বলেছেন, প্রায় প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। তখন সাংসদ মাসুদ জিজ্ঞেস করেন, সরকার কি এই রিপোর্ট তৈরি করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং উন্নত বিশ্লেষকের সাহায্য নিয়ে দ্রুত কাজের পদ্ধতি অনুসরণ করছে?

 

মন্ত্রী জবাবে বলেন, সফটওয়্যার এর মাধ্যমে সব তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গত মার্চে তৃণমূল সাংসদ রাজ্যসভায় একই প্রশ্ন করেছিলেন। তাঁকে মন্ত্রী উত্তরে বলেছিলেন, সংশ্লিষ্ট বছর শেষ হলে তথ্য সংগ্রহ করা শুরু হয়। ৩৬ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বিপুল সাড়া, ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে আবেদনকারীর সংখ্যা ছাড়াল ১৩ লক্ষ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর গত ৩ বছরের তথ্য দিতে গড়িমসি করছে কেন্দ্র

আপডেট : ৮ অগাস্ট ২০২৫, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো ২০২৩ এর বার্ষিক রিপোর্ট এর সমস্ত তথ্য পঞ্জিকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে, শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে, ৫ মাস আগে সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একথা বলা হয়েছিল।

 

শুক্রবারও সংসদে একই কথা বলা হল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। ২০২২ সালের পর ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো কোনও বার্ষিক রিপোর্টই প্রকাশ করেনি। এটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। গত ১৯ মার্চ রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের জবাবে যে কথা বলা হয়, ৫ আগস্ট লোকসভায় একই কথা বলা হয়।

আরও পড়ুন: প্রতিদ্বন্দ্বী না, ঐক্যের ভাষা হিন্দি: অমিত শাহ

 

আরও পড়ুন: ডিভিসি-র জল ছাড়াকে ঘিরে তীব্র সংঘাত: ‘ম্যান মেড বন্যা’-র অভিযোগে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তৃণমূলের

দুটি জবাবই দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় সিং। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করে। একটি, সারা দেশে দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা। আর একটি, সারা দেশে আত্মহত্যা এবং অপরাধ এর তথ্য। তৃতীয়টি, সারা দেশে বন্দির সংখ্যা।

আরও পড়ুন: এসআইআর নিয়ে কোনও আলোচনা নয় পার্লামেন্টে! কেন্দ্রের নিদান

 

প্রত্যেক রাজ্য ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো থেকে তথ্য সন্নিবিষ্ট করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়। ২০২২ সালের এই তিন রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের সাংসদ ইমরান মাসুদ লোকসভায় এই প্রশ্ন তুলে বলেন, কোন সময়ের মধ্যে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে তা সরকার বলুক।

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কোনও সময় দিতে পারেননি, শুধু বলেছেন, প্রায় প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। তখন সাংসদ মাসুদ জিজ্ঞেস করেন, সরকার কি এই রিপোর্ট তৈরি করতে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং উন্নত বিশ্লেষকের সাহায্য নিয়ে দ্রুত কাজের পদ্ধতি অনুসরণ করছে?

 

মন্ত্রী জবাবে বলেন, সফটওয়্যার এর মাধ্যমে সব তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গত মার্চে তৃণমূল সাংসদ রাজ্যসভায় একই প্রশ্ন করেছিলেন। তাঁকে মন্ত্রী উত্তরে বলেছিলেন, সংশ্লিষ্ট বছর শেষ হলে তথ্য সংগ্রহ করা শুরু হয়। ৩৬ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ