২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পূর্ব বর্ধমানের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা

পুবের কলম ওয়েবডেস্কশুক্রবার সাতসকালে পূর্ব বর্ধমানের নলা ফেরিঘাটের কাছে ১৯ নম্বর জাতীয়  সড়কে ঘটে গেল মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনা। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি  ১২ চাকার লরিকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মেরে উল্টে যায় একটি যাত্রীবোঝাই বাস। বাসটি দুর্গাপুরের দিকে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অন্তত ১১ জনের, আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

গুরুতর আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিতে মোট ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁরা বিহারের মতিয়ার থানা এলাকার চিরাইয়া সারসওয়া ঘাটের বাসিন্দা। গঙ্গাসাগরে স্নান সেরে তারকেশ্বর হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন  তাঁরা। ফেরার পথেই ঘটে গেল এই বিপর্যয়। যাত্রীদের মধ্যে পাঁচ জন  শিশুও ছিল।

আরও পড়ুন: নেপালে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ত্রিশূলী নদীতে পড়ে অন্তত ১৮ নিহত

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাসটি হঠাৎ রাস্তার ধারে দাঁড়ানো লরিতে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের পর বাসটি উল্টে গেলে ঘটনাস্থলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে এসেছিলেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পৌঁছে আহতদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান। তবে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ বাস দূর্ঘটনায় ভূস্বর্গে প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ১১ জন, আহত ২৬

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ  নিজাম অভিযোগ করেছেন, “নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের বাইরে এভাবে রাস্তার ধারে লরি দাঁড় করানোই এই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ”।  অন্যদিকে আরেক বাসিন্দা অশোক হাজরার দাবি, “বাসচালক সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, তাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই ঘটনা ঘটল’’।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা পাকিস্তানে, মৃত কমপক্ষে ১৯ , আহত ১১

পুলিশ সূত্রে খবর, বাসটির গতি, চালকের ত্রুটি বা যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল কি না সেই সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

সর্বধিক পাঠিত

ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির বিস্ফোরক অভিযোগ: ‘আমায় বারবার অপমান করা হয়েছে’

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পূর্ব বর্ধমানের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা

আপডেট : ১৫ অগাস্ট ২০২৫, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কশুক্রবার সাতসকালে পূর্ব বর্ধমানের নলা ফেরিঘাটের কাছে ১৯ নম্বর জাতীয়  সড়কে ঘটে গেল মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনা। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি  ১২ চাকার লরিকে পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মেরে উল্টে যায় একটি যাত্রীবোঝাই বাস। বাসটি দুর্গাপুরের দিকে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অন্তত ১১ জনের, আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

গুরুতর আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটিতে মোট ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁরা বিহারের মতিয়ার থানা এলাকার চিরাইয়া সারসওয়া ঘাটের বাসিন্দা। গঙ্গাসাগরে স্নান সেরে তারকেশ্বর হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন  তাঁরা। ফেরার পথেই ঘটে গেল এই বিপর্যয়। যাত্রীদের মধ্যে পাঁচ জন  শিশুও ছিল।

আরও পড়ুন: নেপালে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: ত্রিশূলী নদীতে পড়ে অন্তত ১৮ নিহত

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাসটি হঠাৎ রাস্তার ধারে দাঁড়ানো লরিতে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের পর বাসটি উল্টে গেলে ঘটনাস্থলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে এসেছিলেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা পৌঁছে আহতদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান। তবে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ বাস দূর্ঘটনায় ভূস্বর্গে প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ১১ জন, আহত ২৬

স্থানীয় বাসিন্দা শেখ  নিজাম অভিযোগ করেছেন, “নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের বাইরে এভাবে রাস্তার ধারে লরি দাঁড় করানোই এই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ”।  অন্যদিকে আরেক বাসিন্দা অশোক হাজরার দাবি, “বাসচালক সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, তাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই ঘটনা ঘটল’’।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা পাকিস্তানে, মৃত কমপক্ষে ১৯ , আহত ১১

পুলিশ সূত্রে খবর, বাসটির গতি, চালকের ত্রুটি বা যান্ত্রিক গোলযোগ ছিল কি না সেই সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।