পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: কেরলের নার্স ইয়েমেনে ফাঁসির আসামী নিমিসা প্রিয়াকে (Nimisha Priya) বাঁচাবার জন্য কয়েকজন উদ্যোগী হয়ে সেভ নিমিসা অ্যাকশন কাউন্সিল গঠন করে প্রথম থেকেই চেষ্টা চালাচ্ছিল। তাদেরই চেষ্টায় ইয়েমেনে (Yemen) উকিল নিয়োগ করা হয় এবং তার ফিজ অনুমতি নিয়ে ইয়েমেনে পাঠানো হয়। নিমিসার (Nimisha Priya) মাকেও ইয়েমেনে নিয়ে যাওয়ার পিছনে এই কাউন্সিলের ভূমিকা রয়েছে।
কিন্তু হঠাৎ করে এই গোষ্ঠী এই মামলা থেকে নিজেদের সরে রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর পিছনে কারণ রয়েছে সম্প্রতি এই গোষ্ঠীর একজনের নাম দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঁদার আবেদন জানানো হয়। ৮ কোটি টাকা তোলার জন্য আবেদন জানানো হয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নাম্বার দিয়ে। কিন্তু ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানায় এই আবেদন ভুয়ো। দ্বিতীয় আর একটি কারণ রয়েছে কেরলের খ্রিস্টান গোষ্ঠী প্রচার করছে তারাই নিমিসাকে (Nimisha Priya) প্রাণে বাঁচানোর জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
কেরলের মুসলিম ধর্মীয় নেতা এ পি আবুবকর মুসলিয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন এই কাউন্সিলের আবেদনের পর সেটা চাপা ফেলে দিতে চাইছে এই খ্রিস্টান গোষ্ঠী। মুসলিয়ারের চেষ্টায় ফাঁসির দিন পিছিয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ধর্ম অপেক্ষা মানবিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ব্লাড মানি দিয়ে প্রাণভিক্ষার নিয়ম শরীয়াহ সমর্থিত সেজন্য নিমিসার জন্য তিনি চেষ্টা করেছেন। উল্লেখ্য নিমিসার প্রাণ বাঁচানোর উদ্যোগে কৃতিত্ব নেওয়া নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়েছ। আর সেই সঙ্গে টাকা তোলার নিয়েও জটিলতা আর্থিক অপরাধের পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে।
ওদিকে নিহত ইয়েমেনের নাগরিক তালাল আবদো মাহদির পরিবার ব্লাড মানি নিতে এখনও অস্বীকার করে যাচ্ছে। যদিও মুসলিয়ারের চেষ্টায় ইয়েমেনের গ্র্যান্ড ইমাম ও উপজাতি সর্দাররা তাদের বোঝবার চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ভারতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন পর্যন্ত করা হয়েছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রকও আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে নিমিসাকে বাঁচাবার জন্য। যেহেতু ইয়েমেনের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই সেজন্য প্রতিবেশী দেশগুলির মাধ্যমে চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি। কিন্তু জটিলতা বাড়ছে মদদকারীদের মধ্যে সমন্বয় না থাকায়। যদিও অ্যাকশন কাউন্সিল প্রধান জানিয়েছেন ইমাম মুসলিয়ারের সঙ্গে তারা আবার কথা বলবে।




























