পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: লেহ-তে শনিবারও জারি কারফিউ। এই নিয়ে চতুর্থ দিনে পড়ল কারফিউ। রাস্তাঘাটে তেমন লোকজন নেই বললেই চলে। অতি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ যাচ্ছেনা বললেই চলে। তবে নতুন করে উত্তেজনার কোনও খবর এদিন আর পাওয়া যায়নি। লাদাখের র্যাঞ্চ তথা অ্যাক্টিভিস্ট সোনাম ওয়াংচুকের গ্রেফতারির পর জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা। আপাতত তাঁকে যোধপুর জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নতুন করে যাতে বিশৃঙ্খলা ছড়াতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করতে বন্ধ রয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট।
বলা বাহুল্য, বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছিল লাদাখ। বুধবার প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল লেহ-র স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা লেহ অ্যাপেক্স বডি (এলএবি)-র যুব শাখা। বিক্ষোভ ধীরে ধীরে সহিংস হয়ে ওঠে। নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত সেখানে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত প্রায় ৭০ জন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কারফিউ জারি করা হয়েছে। যা শনিবার চতুর্থ দিনে পদার্পণ করে। সূত্রের খবর, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাঁরা সবদিক ভেবেচিন্তেই এই কারফিউ তোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। ততক্ষণ এ ভাবেই নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হবে লেহকে। উল্লেখ্য, গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে লাদাখকে ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন করছেন স্থানীয়রা। অরাজনৈতিক এই আন্দোলনে শুরু থেকেই প্রথম সারিতে ছিলেন ম্যাগসাইসাই-সহ নানা আন্তর্জাতিক সম্মান প্রাপ্ত সোনম।
তবে এদিন সোনমের গ্রেফতারিতে পাকিস্তান যোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করে পুলিশ আধিকারিকরা। শুক্রবার জাতীয় নিরাপত্তা আইন -এ গ্রেফতার করা হয়েছে সোনম ওয়াংচুককে। এই গ্রেফতারি প্রসঙ্গেই ডিজিপি বলেছেন, ”আমরা এক পাকিস্তানি গোয়েন্দা আধিকারিককে গ্রেফতার করেছি, যার সঙ্গে ওয়াংচুকের যোগাযোগ ছিল। তিনি পাকিস্তানের ডন পত্রিকার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশেও গেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই তদন্ত চলছে।”





























