০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ হলে বাড়বে ঝুঁকি, সতর্ক ইউটিউব

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে ১০ ডিসেম্বর থেকে। আর সেই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে ইউটিউব। সংস্থাটির দাবি, এই আইন কার্যকর হলে তাদের বহু নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে যাবে এবং শিশুদের ঝুঁকি বরং আরও বাড়বে।

ইউটিউব বলছে, অভিভাবকেরা আর অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ, কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ বা চ্যানেল ব্লক করার সুবিধা পাবেন না। শিশুরা ভিডিও দেখলেও তা হবে অ্যাকাউন্ট ছাড়া, ফলে বহু সুরক্ষা ফিচার অচল হয়ে পড়বে।

এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী আনিকা ওয়েলস মন্তব্য করেন, ইউটিউব নিজেই যদি তার প্ল্যাটফর্মকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানায়, তাহলে সমস্যার সমাধানও তাদেরই করা উচিত। তার মতে, পরিবর্তন কঠিন হলেও প্রয়োজনীয়— জেনারেশন আলফাকে অ্যালগরিদমের ‘ডোপামিন ড্রিপ’ থেকে বের করে আনতে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইউটিউব জানিয়েছে, তারা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য করবে। তবে তাদের মতে, এক দশক ধরে তৈরি নিরাপত্তা পরিকাঠামো ও প্যারেন্টাল কন্ট্রোল দুর্বল হয়ে পড়বে। গুগল–ইউটিউব কর্তাদের দাবি, এই আইন অনলাইনে শিশু সুরক্ষার লক্ষ্য পূরণ করবে না; বরং ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আইন মানতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৯৫ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানার বিধান থাকছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, এক্স, টুইচ, থ্রেডস, রেডিট ও কিকের মতো প্ল্যাটফর্মও একই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

৫০০ সদস্যের পার্লামেন্টে বড় জয়ের দাবি: থাইল্যান্ডের নির্বাচনে এগিয়ে রক্ষণশীল ভুমজাইথাই পার্টি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ হলে বাড়বে ঝুঁকি, সতর্ক ইউটিউব

আপডেট : ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, শুক্রবার

অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে ১০ ডিসেম্বর থেকে। আর সেই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়েছে ইউটিউব। সংস্থাটির দাবি, এই আইন কার্যকর হলে তাদের বহু নিরাপত্তা ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে যাবে এবং শিশুদের ঝুঁকি বরং আরও বাড়বে।

ইউটিউব বলছে, অভিভাবকেরা আর অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ, কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ বা চ্যানেল ব্লক করার সুবিধা পাবেন না। শিশুরা ভিডিও দেখলেও তা হবে অ্যাকাউন্ট ছাড়া, ফলে বহু সুরক্ষা ফিচার অচল হয়ে পড়বে।

এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী আনিকা ওয়েলস মন্তব্য করেন, ইউটিউব নিজেই যদি তার প্ল্যাটফর্মকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানায়, তাহলে সমস্যার সমাধানও তাদেরই করা উচিত। তার মতে, পরিবর্তন কঠিন হলেও প্রয়োজনীয়— জেনারেশন আলফাকে অ্যালগরিদমের ‘ডোপামিন ড্রিপ’ থেকে বের করে আনতে এই আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইউটিউব জানিয়েছে, তারা আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য করবে। তবে তাদের মতে, এক দশক ধরে তৈরি নিরাপত্তা পরিকাঠামো ও প্যারেন্টাল কন্ট্রোল দুর্বল হয়ে পড়বে। গুগল–ইউটিউব কর্তাদের দাবি, এই আইন অনলাইনে শিশু সুরক্ষার লক্ষ্য পূরণ করবে না; বরং ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আইন মানতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৯৫ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানার বিধান থাকছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, এক্স, টুইচ, থ্রেডস, রেডিট ও কিকের মতো প্ল্যাটফর্মও একই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে।