০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কমিশনের নির্দেশে অবিলম্বে আপলোড, ৩০ লক্ষ আনম্যাপড, শুনানির আগেই নথি সংগ্রহে বিএলওরা

 

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর শুক্রবার থেকেই শুনানির নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষণা অনুযায়ী ২৩ ডিসেম্বর থেকে জেলায় জেলায় শুনানি শুরুর কথা থাকলেও কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, বড়দিনের পরেই কার্যত এই পর্ব শুরু হতে পারে। তার আগেই শুনানির জন্য ডাক পাওয়া ভোটারদের ভোগান্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
খসড়া তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ ‘আনম্যাপড’ ভোটার রয়েছেন—যাঁদের নিজের বা আত্মীয়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই। সাধারণ নিয়মে তাঁদের শুনানিতে হাজির হয়ে নথি পেশ করতে হয়। তবে এখন যদি বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর মাধ্যমে কমিশন নির্ধারিত ১৩টি গ্রহণযোগ্য নথির যেকোনও একটি জমা দেওয়া যায় এবং তা অ্যাপে আপলোড করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে যেতে হবে না।
এই লক্ষ্যে বুথ ধরে ধরে আনম্যাপড ভোটারদের তালিকা বিএলওদের পাঠানো হয়েছে। নথি যাচাই করবেন ইআরওরা। নথি গ্রহণযোগ্য হলে শুনানি থেকে ছাড় মিলবে। কমিশনের মতে, আগাম নথি জমা পড়লে ভোটারদের হয়রানি কমবে। ইতিমধ্যেই বিএলওরা ফোন বা ক্যাম্প করে নথি সংগ্রহ শুরু করেছেন। পাশাপাশি শুনানি পর্বে নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের ‘মাইক্রো অবজার্ভার’ হিসেবে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা ইআরও-এইআরওদের কাজ তদারক করে ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা নিশ্চিত করবেন।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ভুয়ো ভোটারে ছেয়েছে মোদির বারাণসী! ৯২০০ জনের তালিকা প্রকাশ করে এবার SIR নিয়ে তোপ বিজেপি মন্ত্রীরই

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কমিশনের নির্দেশে অবিলম্বে আপলোড, ৩০ লক্ষ আনম্যাপড, শুনানির আগেই নথি সংগ্রহে বিএলওরা

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫, শনিবার

 

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর শুক্রবার থেকেই শুনানির নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘোষণা অনুযায়ী ২৩ ডিসেম্বর থেকে জেলায় জেলায় শুনানি শুরুর কথা থাকলেও কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, বড়দিনের পরেই কার্যত এই পর্ব শুরু হতে পারে। তার আগেই শুনানির জন্য ডাক পাওয়া ভোটারদের ভোগান্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
খসড়া তালিকা অনুযায়ী রাজ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ ‘আনম্যাপড’ ভোটার রয়েছেন—যাঁদের নিজের বা আত্মীয়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই। সাধারণ নিয়মে তাঁদের শুনানিতে হাজির হয়ে নথি পেশ করতে হয়। তবে এখন যদি বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর মাধ্যমে কমিশন নির্ধারিত ১৩টি গ্রহণযোগ্য নথির যেকোনও একটি জমা দেওয়া যায় এবং তা অ্যাপে আপলোড করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে যেতে হবে না।
এই লক্ষ্যে বুথ ধরে ধরে আনম্যাপড ভোটারদের তালিকা বিএলওদের পাঠানো হয়েছে। নথি যাচাই করবেন ইআরওরা। নথি গ্রহণযোগ্য হলে শুনানি থেকে ছাড় মিলবে। কমিশনের মতে, আগাম নথি জমা পড়লে ভোটারদের হয়রানি কমবে। ইতিমধ্যেই বিএলওরা ফোন বা ক্যাম্প করে নথি সংগ্রহ শুরু করেছেন। পাশাপাশি শুনানি পর্বে নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকদের ‘মাইক্রো অবজার্ভার’ হিসেবে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা ইআরও-এইআরওদের কাজ তদারক করে ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা নিশ্চিত করবেন।