পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বিজেপির আপত্তি উড়িয়ে বিধানসভায় ‘হেট স্পিচ অ্যান্ড হেট ক্রাইম প্রিভেনশন বিল ২০২৫’ পাশ করল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। শুক্রবার কর্নাটকের সিদ্দারামাইয়া সরকার পাশ করেছে ঘৃণাভাষণ ও ঘৃণাপরাধ (প্রতিরোধ) বিল। যার মাধ্যমে রাজ্যে অশান্তি ছড়াতে কেউ ঘৃণাভাষণ দিলে হতে পারে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। এই বিলের প্রতিবাদে সরব হয়েছে কর্নাটকের বিজেপি ও জেডিএস। এই পদক্ষেপ গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টা বলে অভিযোগ তুলেছে তারা।
জানা গিয়েছে, কর্নাটকে সদ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া হেট স্পিচ অ্যান্ড হেট ক্রাইম প্রিভেনশন বিল ২০২৫ আইনে পরিণত হলে বিদ্বেষ ভাষণকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে বিচারের জন্য পাঠানো হবে। দেশে প্রথম এই ধরনের আইন তৈরি হল। যে আইন সংসদে গোটা দেশের জন্য পাশ হওয়া উচিত ছিল, তা কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার করে দেখালো বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
গত ৪ ডিসেম্বর এই বিলটি কংগ্রেসের মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জি পরমেশ্বর বিলটি বিধানসভায় পেশ করেন ১০ ডিসেম্বর। পাশ হয়েছে বৃহস্পতিবার। বিল পেশ করার পর তুমুল প্রতিবাদ এবং হইচই শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। পদ্মের প্রতিবাদকে উপেক্ষা করেই বিল পাশ হয় কর্নাটক বিধানসভায়। বিলে বলা হয়েছে, কোনও সংগঠন বিদ্বেষ ভাষণ অথবা বিদ্বেষমূলক হিংসা ছড়ানোর জন্য দায়ী হলে, সেই সংগঠনের ভারপ্রাপ্তরা সকলে এর জন্য দায়ী হবেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এবার বিলটিকে রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হবে। তিনি সই করলে তা আইনে পরিণত হবে।




























