১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অনুদানের ৮২ শতাংশই বিজেপির ঘরে, বিতর্কে ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ইলেক্টোরাল বন্ড ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা বাতিল করেছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আদালতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছিল, এই ব্যবস্থা ছিল ‘কুইড প্রো কুয়ো’, অর্থাৎ সুবিধার বিনিময়ে অনুদান। কিন্তু বন্ড বন্ধ হলেও রাজনৈতিক দলগুলির অর্থপ্রাপ্তির ছবিতে যে বড় কোনও পরিবর্তন আসেনি, তা স্পষ্ট হচ্ছে ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেই।

নির্বাচন কমিশনে জমা পড়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে নথিভুক্ত ৯টি ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট মিলিয়ে মোট অনুদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। আগের অর্থবর্ষে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ২১৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অনুদান বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ।

আরও পড়ুন: বিধানসভা ভোটের মুখে ময়নায় বিজেপিতে বড় ভাঙন: তৃণমূলে যোগ দিলেন চন্দন মণ্ডল

এই বিপুল অঙ্কের সিংহভাগই গিয়েছে বিজেপির তহবিলে। মোট অনুদানের প্রায় ৩ হাজার ১১২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ৮২ শতাংশ পেয়েছে বিজেপি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস, যাদের প্রাপ্তি ২৯৮ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। তৃতীয় স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস, তাদের ঝুলিতে এসেছে ১০২ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি অনুদান দিয়েছে প্রুডেন্ট ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ইলেক্টোরাল বন্ড বন্ধ হলেও আদৌ কি রাজনৈতিক অর্থায়নের বাস্তব চিত্রে কোনও পরিবর্তন হয়েছে?

আরও পড়ুন: ভারতের মাটি ‘ঋষি-মুনিদের তপোভূমি’, ইউপি সনাতন ঐতিহ্যের ধারক: হিন্দুত্বে শান যোগীর

আরও পড়ুন: একতরফাভাবে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে: নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

সন্দেহ বাংলাদেশি: অবৈধ বসবাসের অভিযোগে ১১ জন মহিলাকে আটক মহারাষ্ট্র পুলিশের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অনুদানের ৮২ শতাংশই বিজেপির ঘরে, বিতর্কে ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ইলেক্টোরাল বন্ড ব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তা বাতিল করেছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। আদালতের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছিল, এই ব্যবস্থা ছিল ‘কুইড প্রো কুয়ো’, অর্থাৎ সুবিধার বিনিময়ে অনুদান। কিন্তু বন্ড বন্ধ হলেও রাজনৈতিক দলগুলির অর্থপ্রাপ্তির ছবিতে যে বড় কোনও পরিবর্তন আসেনি, তা স্পষ্ট হচ্ছে ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানেই।

নির্বাচন কমিশনে জমা পড়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে নথিভুক্ত ৯টি ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট মিলিয়ে মোট অনুদানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। আগের অর্থবর্ষে এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ২১৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে অনুদান বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ।

আরও পড়ুন: বিধানসভা ভোটের মুখে ময়নায় বিজেপিতে বড় ভাঙন: তৃণমূলে যোগ দিলেন চন্দন মণ্ডল

এই বিপুল অঙ্কের সিংহভাগই গিয়েছে বিজেপির তহবিলে। মোট অনুদানের প্রায় ৩ হাজার ১১২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ৮২ শতাংশ পেয়েছে বিজেপি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস, যাদের প্রাপ্তি ২৯৮ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। তৃতীয় স্থানে তৃণমূল কংগ্রেস, তাদের ঝুলিতে এসেছে ১০২ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি অনুদান দিয়েছে প্রুডেন্ট ইলেক্টোরাল ট্রাস্ট। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ইলেক্টোরাল বন্ড বন্ধ হলেও আদৌ কি রাজনৈতিক অর্থায়নের বাস্তব চিত্রে কোনও পরিবর্তন হয়েছে?

আরও পড়ুন: ভারতের মাটি ‘ঋষি-মুনিদের তপোভূমি’, ইউপি সনাতন ঐতিহ্যের ধারক: হিন্দুত্বে শান যোগীর

আরও পড়ুন: একতরফাভাবে ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে: নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ মমতার