১৩ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিক্ষোভের জেরে পুরো ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই পুরো ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন ক্রমেই সহিংস রূপ নেওয়ায় এই পদক্ষেপ করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার অনলাইন পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস জানায়, ইরানের সর্বত্র ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার আগে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ডিজিটাল সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়েছিল। সংকটময় সময়ে এমন পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অধিকারকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করছে বলেও মন্তব্য করেছে নেটব্লকস।
এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে বলে খবর।
অস্থির পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের শীর্ষ মহল থেকে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা মিলছে। রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান বিক্ষোভ দমনে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আন্দোলনকারীদের কঠোরভাবে দমন করার পক্ষে সওয়াল করেছেন। প্রধান বিচারপতি আবার বিক্ষোভের নেপথ্যে বিদেশি শক্তির হাত থাকার অভিযোগ তুলেছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি রিয়ালের বড় ধরনের দরপতন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার জেরে ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

আন্দোলন ‘নিয়ন্ত্রণে’, শিগগির ইন্টারনেট চালুর আশ্বাস ইরানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিক্ষোভের জেরে পুরো ইরানে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট

আপডেট : ৯ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই পুরো ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন ক্রমেই সহিংস রূপ নেওয়ায় এই পদক্ষেপ করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার অনলাইন পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস জানায়, ইরানের সর্বত্র ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার আগে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ডিজিটাল সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়েছিল। সংকটময় সময়ে এমন পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অধিকারকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করছে বলেও মন্তব্য করেছে নেটব্লকস।
এএফপি’র তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে বলে খবর।
অস্থির পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের শীর্ষ মহল থেকে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা মিলছে। রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান বিক্ষোভ দমনে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি আন্দোলনকারীদের কঠোরভাবে দমন করার পক্ষে সওয়াল করেছেন। প্রধান বিচারপতি আবার বিক্ষোভের নেপথ্যে বিদেশি শক্তির হাত থাকার অভিযোগ তুলেছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি রিয়ালের বড় ধরনের দরপতন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার জেরে ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।