১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সউদি যুবরাজ সালমান হাঁটছেন কোন পথে ?

 

পুবের কলম
রিয়াদ ৯ ফেব্রূয়ারি :

কয়েক দশক ধরে সউদি আরবকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকাপন্থি বলয়ের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে রিয়াদের অবস্থানও ছিল কঠোর।ইসলামপন্থীদের দিকে তিনি যাননি। একই সঙ্গে ধারণা ছিল, যেকোন সময় ইসরাইলের সঙ্গেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে সউদি ।
সউদি আসলে কোন পথেই হাঁটেনি। যুবরাজ সালমান তার দেশকে না নিয়ে গেলেন ইসলামপন্থিদের দলে না এগুলেন পশ্চিমাদের দিকে। আসলে তিনি কোন পথে হাঁটছেন তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সউদির কয়েকটি কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে টানাপোড়েন, কাতার ও তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করা এবং সউদি গণমাধ্যমে ইহুদিবিদ্বেষী ভাষা বাড়ার ঘটনায় অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন-যুবরাজ সালমান ইসলামপন্থি একটি আঞ্চলিক জোটের দিকে ঝুঁকছেন কিনা। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্ভাবনাও কি উবে যাচ্ছে?
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন উদ্বেগ অনেকটাই অতিরঞ্জিত। তারা বলছেন, রিয়াদ কোন আদর্শিক ইসলামপন্থি জোটে যোগ দিচ্ছে না, বরং কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার অংশ হিসেবেই নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত ও বার্তা দিচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সউদি যুবরাজ সালমান হাঁটছেন কোন পথে ?

আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার

 

পুবের কলম
রিয়াদ ৯ ফেব্রূয়ারি :

কয়েক দশক ধরে সউদি আরবকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকাপন্থি বলয়ের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরুদ্ধে রিয়াদের অবস্থানও ছিল কঠোর।ইসলামপন্থীদের দিকে তিনি যাননি। একই সঙ্গে ধারণা ছিল, যেকোন সময় ইসরাইলের সঙ্গেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে সউদি ।
সউদি আসলে কোন পথেই হাঁটেনি। যুবরাজ সালমান তার দেশকে না নিয়ে গেলেন ইসলামপন্থিদের দলে না এগুলেন পশ্চিমাদের দিকে। আসলে তিনি কোন পথে হাঁটছেন তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সউদির কয়েকটি কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে টানাপোড়েন, কাতার ও তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করা এবং সউদি গণমাধ্যমে ইহুদিবিদ্বেষী ভাষা বাড়ার ঘটনায় অনেক পর্যবেক্ষক মনে করছেন-যুবরাজ সালমান ইসলামপন্থি একটি আঞ্চলিক জোটের দিকে ঝুঁকছেন কিনা। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্ভাবনাও কি উবে যাচ্ছে?
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন উদ্বেগ অনেকটাই অতিরঞ্জিত। তারা বলছেন, রিয়াদ কোন আদর্শিক ইসলামপন্থি জোটে যোগ দিচ্ছে না, বরং কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার অংশ হিসেবেই নতুন সম্পর্কের ইঙ্গিত ও বার্তা দিচ্ছে।