১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ১০টি নির্দেশ

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সোমবার পশ্চিমবঙ্গের SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে হয় এই শুনানি।

সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশাবলি:

আরও পড়ুন: এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

১) রাজ্যের ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি অফিসার আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে জেলা কালেক্টরেটে সংশ্লিষ্ট ERO-দের কাছে রিপোর্ট করবেন।

আরও পড়ুন: বানান বিভ্রাট ও বয়সের ফারাকে নোটিস! বাংলার SIR শুনানিতে এআই টুল নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

২) এই অফিসারদের কীভাবে কাজে লাগানো হবে, তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন: বিহার নির্বাচন বাতিল মামলা শুনলই না শীর্ষ আদালত, প্রশান্ত কিশোরের দলকে কড়া ভর্ৎসনা আদালতের

৩) ৮,৫০৫ জন অফিসারের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা যাচাই করে নির্বাচন কমিশন তাঁদের শর্টলিস্ট করবে এবং মাইক্রো অবজার্ভারদের বিকল্প হিসেবে কাজে লাগাবে। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে।

৪) এই অফিসাররা শুধুমাত্র সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ERO-রাই।

৫) নথি যাচাইয়ের জন্য বাংলার SIR-এর সময়সীমা অন্তত এক সপ্তাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কিছুটা পিছোতে পারে।

৬) মাইক্রো অবজার্ভার ও অন্যান্য অফিসাররা কেবল সহযোগিতামূলক ভূমিকায় থাকবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার থাকবে শুধুমাত্র ERO-দের।

৭) যাঁরা অশান্তি সৃষ্টি করছেন বা ফর্ম জ্বালিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে ব্যক্তিগত হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

৮) SIR নোটিস ও ভোটারদের অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ERO-রাই।

৯) ERO-রা আপত্তি গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবেন এবং নথি যাচাই করবেন।

১০) যেসব অফিসার সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন না, নির্বাচন কমিশন তাঁদের অপসারণ করতে পারবে।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

SIR নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ১০টি নির্দেশ

আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সোমবার পশ্চিমবঙ্গের SIR সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে হয় এই শুনানি।

সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশাবলি:

আরও পড়ুন: এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

১) রাজ্যের ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি অফিসার আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে জেলা কালেক্টরেটে সংশ্লিষ্ট ERO-দের কাছে রিপোর্ট করবেন।

আরও পড়ুন: বানান বিভ্রাট ও বয়সের ফারাকে নোটিস! বাংলার SIR শুনানিতে এআই টুল নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

২) এই অফিসারদের কীভাবে কাজে লাগানো হবে, তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন: বিহার নির্বাচন বাতিল মামলা শুনলই না শীর্ষ আদালত, প্রশান্ত কিশোরের দলকে কড়া ভর্ৎসনা আদালতের

৩) ৮,৫০৫ জন অফিসারের যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা যাচাই করে নির্বাচন কমিশন তাঁদের শর্টলিস্ট করবে এবং মাইক্রো অবজার্ভারদের বিকল্প হিসেবে কাজে লাগাবে। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হবে।

৪) এই অফিসাররা শুধুমাত্র সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ERO-রাই।

৫) নথি যাচাইয়ের জন্য বাংলার SIR-এর সময়সীমা অন্তত এক সপ্তাহ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কিছুটা পিছোতে পারে।

৬) মাইক্রো অবজার্ভার ও অন্যান্য অফিসাররা কেবল সহযোগিতামূলক ভূমিকায় থাকবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার থাকবে শুধুমাত্র ERO-দের।

৭) যাঁরা অশান্তি সৃষ্টি করছেন বা ফর্ম জ্বালিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। এই সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে ব্যক্তিগত হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

৮) SIR নোটিস ও ভোটারদের অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ERO-রাই।

৯) ERO-রা আপত্তি গ্রহণ করতে বাধ্য থাকবেন এবং নথি যাচাই করবেন।

১০) যেসব অফিসার সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন না, নির্বাচন কমিশন তাঁদের অপসারণ করতে পারবে।