১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষিত বেকারে ছেয়ে যাচ্ছে ভারত, বছরের শুরুতেই বেকারত্বের হার বেড়ে ৫ শতাংশে

 

বছরে ২ কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। চলতি বছরের প্রথম মাসেই দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশে। সোমবার কেন্দ্রের প্রকাশিত রিপোর্টেই এই তথ্য সামনে এসেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে যেখানে বেকারত্বের হার ছিল ৪.৮ শতাংশ, জানুয়ারিতে তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি মন্ত্রকের অধীনস্থ জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (NSO)-এর সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, গত এক মাসে গ্রাম ও শহর—দুই ক্ষেত্রেই বেকারত্বের হার বেড়েছে। একই সঙ্গে শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার (LFPR) ও শ্রমিক-জনসংখ্যা অনুপাত (WPR) কমেছে।
সরকারি রিপোর্টে বলা হয়েছে, গ্রামীণ অঞ্চলে বেকারত্ব বৃদ্ধির পেছনে আবহাওয়ার প্রভাব, ফসল কাটার পরবর্তী মৌসুমি মন্দা এবং কৃষিক্ষেত্রে আগ্রহ কমে যাওয়ার মতো কারণ কাজ করেছে। এছাড়া শীতকালে নির্মাণ, কৃষি, পরিবহণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার গতি কিছুটা কমে যাওয়াও বেকারত্ব বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সরকারের ব্যাখ্যা সত্ত্বেও তথ্য বলছে, দেশে বেকারত্বের সামগ্রিক ছবিতে বড় কোনও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। ডিসেম্বর মাসে প্রথমবার বেকারত্বের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলেও তা আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বিপুল সাড়া, ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে আবেদনকারীর সংখ্যা ছাড়াল ১৩ লক্ষ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শিক্ষিত বেকারে ছেয়ে যাচ্ছে ভারত, বছরের শুরুতেই বেকারত্বের হার বেড়ে ৫ শতাংশে

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার

 

বছরে ২ কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা নরেন্দ্র মোদি সরকারের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। চলতি বছরের প্রথম মাসেই দেশে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশে। সোমবার কেন্দ্রের প্রকাশিত রিপোর্টেই এই তথ্য সামনে এসেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে যেখানে বেকারত্বের হার ছিল ৪.৮ শতাংশ, জানুয়ারিতে তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি মন্ত্রকের অধীনস্থ জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (NSO)-এর সমীক্ষায় জানানো হয়েছে, গত এক মাসে গ্রাম ও শহর—দুই ক্ষেত্রেই বেকারত্বের হার বেড়েছে। একই সঙ্গে শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার (LFPR) ও শ্রমিক-জনসংখ্যা অনুপাত (WPR) কমেছে।
সরকারি রিপোর্টে বলা হয়েছে, গ্রামীণ অঞ্চলে বেকারত্ব বৃদ্ধির পেছনে আবহাওয়ার প্রভাব, ফসল কাটার পরবর্তী মৌসুমি মন্দা এবং কৃষিক্ষেত্রে আগ্রহ কমে যাওয়ার মতো কারণ কাজ করেছে। এছাড়া শীতকালে নির্মাণ, কৃষি, পরিবহণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসার গতি কিছুটা কমে যাওয়াও বেকারত্ব বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে সরকারের ব্যাখ্যা সত্ত্বেও তথ্য বলছে, দেশে বেকারত্বের সামগ্রিক ছবিতে বড় কোনও ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। ডিসেম্বর মাসে প্রথমবার বেকারত্বের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলেও তা আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, যা কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।