২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোজা না রেখে খাবার খাওয়ায় নাইজেরিয়ায় গ্রেপ্তার ৯

 

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কানো রাজ্যে পবিত্র রমজানের প্রথম দিন প্রকাশ্যে খাবার গ্রহণের অভিযোগে নারীসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ইসলামিক পুলিশ। স্থানীয়ভাবে ‘হিসবাহ’ নামে পরিচিত ধর্মীয় আইন প্রয়োগকারী বাহিনী এই অভিযান চালায়।
কর্তৃপক্ষের দাবি, আটক ব্যক্তিদের রমজানের বিধিনিষেধ সম্পর্কে সচেতন করা হবে। হিসবাহর ডেপুটি কমান্ডার জেনারেল মুজাহিদ আমিনুদ্দিন জানান, আটক ৯ জনের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। তারা রোজার গুরুত্ব, নামাজ ও ধর্মীয় নিয়মাবলি সম্পর্কে শিক্ষা পাবেন।
প্রতি বছর রমজান মাসে হিসবাহ বাহিনী ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও বাজারে নজরদারি চালায়, মুসলমানরা রোজার বিধান মানছেন কি না তা দেখার জন্য। তবে যেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অমুসলিম বাস করেন, সেখানে কিছু প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে।
উল্লেখ্য, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের ১২টি রাজ্যে ধর্মনিরপেক্ষ আইনের পাশাপাশি শরিয়া আইন কার্যকর করা হয়, এবং কানো রাজ্যে সেই ব্যবস্থাই অনুসরণ করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

‘দুয়ারে রেশন’ মামলায় রায় সংরক্ষণ, বিস্তারিত শুনানি শেষে সিদ্ধান্ত স্থগিত সুপ্রিমকোর্টের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রোজা না রেখে খাবার খাওয়ায় নাইজেরিয়ায় গ্রেপ্তার ৯

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার

 

নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কানো রাজ্যে পবিত্র রমজানের প্রথম দিন প্রকাশ্যে খাবার গ্রহণের অভিযোগে নারীসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ইসলামিক পুলিশ। স্থানীয়ভাবে ‘হিসবাহ’ নামে পরিচিত ধর্মীয় আইন প্রয়োগকারী বাহিনী এই অভিযান চালায়।
কর্তৃপক্ষের দাবি, আটক ব্যক্তিদের রমজানের বিধিনিষেধ সম্পর্কে সচেতন করা হবে। হিসবাহর ডেপুটি কমান্ডার জেনারেল মুজাহিদ আমিনুদ্দিন জানান, আটক ৯ জনের মধ্যে সাতজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। তারা রোজার গুরুত্ব, নামাজ ও ধর্মীয় নিয়মাবলি সম্পর্কে শিক্ষা পাবেন।
প্রতি বছর রমজান মাসে হিসবাহ বাহিনী ক্যাফে, রেস্তোরাঁ ও বাজারে নজরদারি চালায়, মুসলমানরা রোজার বিধান মানছেন কি না তা দেখার জন্য। তবে যেখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অমুসলিম বাস করেন, সেখানে কিছু প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে।
উল্লেখ্য, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের ১২টি রাজ্যে ধর্মনিরপেক্ষ আইনের পাশাপাশি শরিয়া আইন কার্যকর করা হয়, এবং কানো রাজ্যে সেই ব্যবস্থাই অনুসরণ করা হচ্ছে।