২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এসআইআর কাজের সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ, ‘এত কম সময়ে শেষ হবে তো?’ প্রধান বিচারপতি

 

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা যাবে কি না—তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলকাতা হাই কোর্ট–এর প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।
সুপ্রিম কোর্ট–এর নির্দেশ অনুযায়ী এসআইআর সংক্রান্ত তথ্যগত অসঙ্গতি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ওপর ন্যস্ত হয়েছে। কারা এই কাজ করবেন, তা নির্ধারণের দায়িত্বও প্রধান বিচারপতির ওপর দেওয়া হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে বিপুল পরিমাণ নথি যাচাই শেষ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল, ডিজিপি, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এবং অ্যাডভোকেট জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্তারা। সেখানে জানানো হয়, প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাই করতে হতে পারে। আপাতত প্রায় ২৫০ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে কাজে লাগানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
সূত্রের খবর, নির্বাচন কর্তৃপক্ষ প্রস্তাব দিয়েছে—প্রতি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগ করা যেতে পারে। কমিশন বিধানসভা ও জেলাভিত্তিক তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা বিচারকদের হাতে তুলে দেবে এবং দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এদিকে এসআইআর–এর কাজ দ্রুত শেষ করতে ৯ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের বিচারকদের ছুটি কার্যত বাতিল করেছে হাই কোর্ট। অসুস্থতা ছাড়া ছুটি নেওয়া যাবে না, বদলি হওয়া বিচারকদের দ্রুত নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে এবং এই সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর কাজের সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ, ‘এত কম সময়ে শেষ হবে তো?’ প্রধান বিচারপতি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এসআইআর কাজের সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ, ‘এত কম সময়ে শেষ হবে তো?’ প্রধান বিচারপতি

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার

 

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা যাবে কি না—তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলকাতা হাই কোর্ট–এর প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।
সুপ্রিম কোর্ট–এর নির্দেশ অনুযায়ী এসআইআর সংক্রান্ত তথ্যগত অসঙ্গতি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ওপর ন্যস্ত হয়েছে। কারা এই কাজ করবেন, তা নির্ধারণের দায়িত্বও প্রধান বিচারপতির ওপর দেওয়া হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে বিপুল পরিমাণ নথি যাচাই শেষ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল, ডিজিপি, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এবং অ্যাডভোকেট জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্তারা। সেখানে জানানো হয়, প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাই করতে হতে পারে। আপাতত প্রায় ২৫০ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে কাজে লাগানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
সূত্রের খবর, নির্বাচন কর্তৃপক্ষ প্রস্তাব দিয়েছে—প্রতি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক নিয়োগ করা যেতে পারে। কমিশন বিধানসভা ও জেলাভিত্তিক তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা বিচারকদের হাতে তুলে দেবে এবং দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এদিকে এসআইআর–এর কাজ দ্রুত শেষ করতে ৯ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের বিচারকদের ছুটি কার্যত বাতিল করেছে হাই কোর্ট। অসুস্থতা ছাড়া ছুটি নেওয়া যাবে না, বদলি হওয়া বিচারকদের দ্রুত নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে এবং এই সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিও স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।