পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পারমাণবিক ইস্যুতে সমঝোতা না হলে তেহরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান এবং দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল বিবেচনায় রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
The New York Times–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তাঁর উপদেষ্টাদের জানিয়েছেন—প্রথমে সীমিত বা লক্ষ্যভিত্তিক হামলার পরেও যদি ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগে রাজি না হয়, তাহলে আরও বড় আকারের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ইরানের নেতৃত্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই এ ধরনের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য। আগামী দিনগুলোতে জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে নতুন দফা বৈঠকের সূচি নির্ধারিত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হলেও ব্যর্থ হলে সংঘাতের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সম্ভাব্য কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে Axios–এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানা না হলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে কঠোর পদক্ষেপের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোলা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

































