২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: এসআইআর মামলায় ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর তরফে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া হয়েছে। তাঁর আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কলকাতা হাইকোর্ট–এর প্রধান বিচারপতিকে না জানিয়ে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। সিব্বলের বক্তব্য, কোন নথি গ্রহণ করা হবে আর কোনটি হবে না—তা নিয়েও নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিচ্ছে। এমনকি মহকুমা শাসকদের দেওয়া বসবাসের শংসাপত্র গ্রহণ না করার কথাও বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট–এর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মন্তব্য করে, প্রতিদিন এইভাবে আদালতে এলে কাজকর্মে অসুবিধা হয়। বিচারপতিরা জানান, আগেই স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বিচারকরা জানেন তাঁদের কী করা উচিত। আদালতে সিব্বল আরও বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি প্রশ্ন তোলেন, “কমিশন প্রশিক্ষণ না দিলে কে দেবে?” প্রধান বিচারপতিও মন্তব্য করেন, আদালতের নির্দেশ যথেষ্ট স্পষ্ট—বিচারকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে তাঁরা অবগত।

আরও পড়ুন: ‘বিচার বিভাগ আজ রক্তাক্ত’: পাঠ্যবই বিতর্কে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট
প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

“আমি দুর্নীতি করিনি, আমি কেবল সততা অর্জন করেছি”: আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন কেজরিওয়াল

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: এসআইআর মামলায় ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়–এর তরফে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়া হয়েছে। তাঁর আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কলকাতা হাইকোর্ট–এর প্রধান বিচারপতিকে না জানিয়ে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। সিব্বলের বক্তব্য, কোন নথি গ্রহণ করা হবে আর কোনটি হবে না—তা নিয়েও নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিচ্ছে। এমনকি মহকুমা শাসকদের দেওয়া বসবাসের শংসাপত্র গ্রহণ না করার কথাও বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট–এর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মন্তব্য করে, প্রতিদিন এইভাবে আদালতে এলে কাজকর্মে অসুবিধা হয়। বিচারপতিরা জানান, আগেই স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং বিচারকরা জানেন তাঁদের কী করা উচিত। আদালতে সিব্বল আরও বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি প্রশ্ন তোলেন, “কমিশন প্রশিক্ষণ না দিলে কে দেবে?” প্রধান বিচারপতিও মন্তব্য করেন, আদালতের নির্দেশ যথেষ্ট স্পষ্ট—বিচারকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে তাঁরা অবগত।

আরও পড়ুন: ‘বিচার বিভাগ আজ রক্তাক্ত’: পাঠ্যবই বিতর্কে কেন্দ্রকে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

আরও পড়ুন: “বিচারব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করা সহ্য করব না”: পাঠ্যবইয়ে ‘বিচারবিভাগীয় দুর্নীতি’ নিয়ে ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট