২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোটার তালিকা ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা: চার জেলায় নিরাপত্তার দায়িত্বে চার সিনিয়র আইপিএস

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে অশান্তির আশঙ্কায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার।
ভোটার তালিকায় নাম ওঠা বা সংশোধন ঘিরে যাতে কোনো প্রকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের চারটি স্পর্শকাতর জেলায় চারজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও সিনিয়র আইপিএস (IPS) অফিসারকে বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত সীমান্তবর্তী এবং রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় জেলাগুলিতেই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। জেলাগুলি হলো- মালদা, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার ও নদীয়া। প্রতিটি জেলার নিরাপত্তার দেখভাল এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে আইপিএস অফিসারদের।

সূত্রের খবর, জারি হওয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, এডিজি (কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স) অজয় নন্দ মালদহের পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন। তাঁকে সহযোগিতা করবে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্য ও মালদহ জেলা পুলিশের এক আধিকারিক। রাজ্য পুলিশের আইজিপি (ট্র্যাফিক) গৌরব শর্মাকে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকেরা তাঁকে সহায়তা করবেন। ডিআইজি (সদর দফতর) রশিদ মুনির খানকে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বহরমপুরের সদর দফতরও তাঁর তত্ত্বাবধানে থাকবে। তাঁর সহায়তায় থাকবে র‌্যাফের দুটি সেক্টর ও স্থানীয় পুলিশ। অন্যদিকে ডিআইজি (উপকূল নিরাপত্তা) সুনীলকুমার যাদবকে কোচবিহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানেও র‌্যাফ ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তাঁকে সহায়তা করবে। এই চার আইপিএস সরাসরি পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন।

যদিও প্রকাশিত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা এখনও অসম্পূর্ণ বলেই জানা যাচ্ছে, তবু তালিকা প্রকাশের পর কিছু এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের একাংশের। সেই কারণেই আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলিতে শীর্ষ আধিকারিকদের মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তি বজায় রাখাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

যুদ্ধের আশঙ্কা: এয়ার ইন্ডিয়া ও ইন্ডিগোর সমস্ত উড়ান স্থগিত, ইজ়রায়েলে ভারতীয়দের জন্য সতর্কতা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভোটার তালিকা ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা: চার জেলায় নিরাপত্তার দায়িত্বে চার সিনিয়র আইপিএস

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশকে কেন্দ্র করে অশান্তির আশঙ্কায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার।
ভোটার তালিকায় নাম ওঠা বা সংশোধন ঘিরে যাতে কোনো প্রকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের চারটি স্পর্শকাতর জেলায় চারজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ ও সিনিয়র আইপিএস (IPS) অফিসারকে বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত সীমান্তবর্তী এবং রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সক্রিয় জেলাগুলিতেই বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। জেলাগুলি হলো- মালদা, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার ও নদীয়া। প্রতিটি জেলার নিরাপত্তার দেখভাল এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে আইপিএস অফিসারদের।

সূত্রের খবর, জারি হওয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, এডিজি (কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স) অজয় নন্দ মালদহের পরিস্থিতির উপর নজর রাখবেন। তাঁকে সহযোগিতা করবে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্য ও মালদহ জেলা পুলিশের এক আধিকারিক। রাজ্য পুলিশের আইজিপি (ট্র্যাফিক) গৌরব শর্মাকে কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকেরা তাঁকে সহায়তা করবেন। ডিআইজি (সদর দফতর) রশিদ মুনির খানকে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বহরমপুরের সদর দফতরও তাঁর তত্ত্বাবধানে থাকবে। তাঁর সহায়তায় থাকবে র‌্যাফের দুটি সেক্টর ও স্থানীয় পুলিশ। অন্যদিকে ডিআইজি (উপকূল নিরাপত্তা) সুনীলকুমার যাদবকে কোচবিহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানেও র‌্যাফ ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন তাঁকে সহায়তা করবে। এই চার আইপিএস সরাসরি পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন।

যদিও প্রকাশিত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা এখনও অসম্পূর্ণ বলেই জানা যাচ্ছে, তবু তালিকা প্রকাশের পর কিছু এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের একাংশের। সেই কারণেই আগাম প্রস্তুতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলিতে শীর্ষ আধিকারিকদের মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তি বজায় রাখাই এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।