১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রয়াত নোবেলজয়ী আর্চবিশপ টুটু, বর্ণ বিদ্বেষের বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রয়াত হলেন শান্তিতে নোবেল জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার  আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু । মৃত্যুকালে তাঁর  বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দ. আফিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত  করেছেন। ডেসমন্ড টুটু একজন দক্ষিণ আফ্রিকান ধর্মযাজক ও অধিকার আন্দোলন কর্মী। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। দ. আফিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেন– আজকে জাতিকে আরেক অসামান্য ব্যক্তিত্বকে বিদায় জানাতে হচ্ছে। যিনি স্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকার জন্ম দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। ডেসমন্ড টুটু তার বর্ণিল কর্মজীবনের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরেও অন্যতম পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। টুটু ১৯৮৪ সালে নোবেল শান্তি  পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯৯ সালে সিডনি শান্তি পুরস্কার এবং ২০০৭ সালে গান্ধি শান্তি পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকান ধর্মযাজক ও অধিকার আন্দোলন কর্মী ছিলেন ডেসমন্ড টুটু। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকাররের বৈষম্যে নীতির অবসানের আন্দোলনে অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: গবেষণায় বরাদ্দ কমিয়েছে ট্রাম্প, এবার আমেরিকা ছাড়ছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক

আরও পড়ুন: ১০ বছর পর পাকিস্তানে পা রাখলেন নোবেলজয়ী মালালা
সর্বধিক পাঠিত

তেলেগু ইউটিউব চ্যানেল ‘খাদ্য জিহাদ’ দাবি করে মুসলিম বিক্রেতাদের টার্গেট করেছে , প্রতিবাদে অন্ধ্রপ্রদেশের মন্ত্রীরা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রয়াত নোবেলজয়ী আর্চবিশপ টুটু, বর্ণ বিদ্বেষের বিরুদ্ধে ছিলেন আপোষহীন

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০২১, রবিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রয়াত হলেন শান্তিতে নোবেল জয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার  আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু । মৃত্যুকালে তাঁর  বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। দ. আফিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত  করেছেন। ডেসমন্ড টুটু একজন দক্ষিণ আফ্রিকান ধর্মযাজক ও অধিকার আন্দোলন কর্মী। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। দ. আফিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেন– আজকে জাতিকে আরেক অসামান্য ব্যক্তিত্বকে বিদায় জানাতে হচ্ছে। যিনি স্বাধীন দক্ষিণ আফ্রিকার জন্ম দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। ডেসমন্ড টুটু তার বর্ণিল কর্মজীবনের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরেও অন্যতম পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন। টুটু ১৯৮৪ সালে নোবেল শান্তি  পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯৯ সালে সিডনি শান্তি পুরস্কার এবং ২০০৭ সালে গান্ধি শান্তি পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকান ধর্মযাজক ও অধিকার আন্দোলন কর্মী ছিলেন ডেসমন্ড টুটু। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গেও কাজ করেছেন তিনি। ১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু সরকাররের বৈষম্যে নীতির অবসানের আন্দোলনে অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: গবেষণায় বরাদ্দ কমিয়েছে ট্রাম্প, এবার আমেরিকা ছাড়ছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক

আরও পড়ুন: ১০ বছর পর পাকিস্তানে পা রাখলেন নোবেলজয়ী মালালা