০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোজাদার পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা- সংসদ সভাপতি

প্রতীকী ছবি

সেখ কুতুবউদ্দিন : রমযান মাসে উচ্চ মাধ্যমিক। অনেকেই রোজা রেখে পড়াশোনা করবেন। পরীক্ষা দিতে যাবেন। এতে রোজাদার পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অসুবিধাজনক। বিষয়টি নিয়ে আগেভাগেই রাজ্য সরকার ও সংসদের ভাবনা চিন্তা প্রয়োজন ছিল বলেই অনেকেই মন্তব্য করছে। তবে এই বছর করোনা পরিস্থিতি। সেই কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে গিয়েছে। তাই রমযান মাসেই পরীক্ষা করতে হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়েছে।

রমযান মাসেই হবে উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ রোজা রাখা অবস্থায় পরীক্ষা দিলে, তাদের জন্য আলাদাভাবে নজর দেওয়ার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে এপ্রিল মাসে শুরু করা হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিকের আগে ও পিছে বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক চলাকালীনও পরীক্ষা রয়েছে। তাই সব দিক নজর রাখতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের ফল প্রকাশ, পাশের হার ৯৩.৭২%

 

আরও পড়ুন: ৩১ অক্টোবর উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সেমিস্টারের ফল

মুসলিম সম্প্রদায়ের পরীক্ষার্থীদের জন্যও সংসদ যথেষ্ট আন্তরিক। রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধা অসুবিধার কথা বিবেচনা করে বিশেষ রুমের ব্যবস্থা থাকছে। কোনও পরীক্ষার্থী ক্লান্ত অথবা অসুস্থ হয়ে পড়লে বিশেষ রুমে কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। সেন্টার ইনচার্জদেরও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি জেলায় সংসদের তরফে আলোচনা ও বৈঠক শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: আবেদন শুরু, ৩১ ডিসেম্বর থেকে নেট

 

সেই বৈঠকেও পরীক্ষকদের সুবিধা অসুবিধার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, রমযানে পরীক্ষার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু এমন সময় পরীক্ষা, যেখানে আগে মাধ্যমিক ও পরে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরের বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষক– অভিভাবকদের সবরকম সহযোগিতার প্রয়োজন। সেই সঙ্গে সংসদের তরফেও সবরকম প্রচেষ্টা চালানো হবে বলেও তিনি জানান।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

উত্তরপ্রদেশের স্কুল অনুষ্ঠানে বোরখা পরে উদ্যম নাচ, বিতর্কে তদন্তের নির্দেশ পুলিশের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রোজাদার পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা- সংসদ সভাপতি

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২২, শুক্রবার

সেখ কুতুবউদ্দিন : রমযান মাসে উচ্চ মাধ্যমিক। অনেকেই রোজা রেখে পড়াশোনা করবেন। পরীক্ষা দিতে যাবেন। এতে রোজাদার পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অসুবিধাজনক। বিষয়টি নিয়ে আগেভাগেই রাজ্য সরকার ও সংসদের ভাবনা চিন্তা প্রয়োজন ছিল বলেই অনেকেই মন্তব্য করছে। তবে এই বছর করোনা পরিস্থিতি। সেই কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে গিয়েছে। তাই রমযান মাসেই পরীক্ষা করতে হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়েছে।

রমযান মাসেই হবে উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ রোজা রাখা অবস্থায় পরীক্ষা দিলে, তাদের জন্য আলাদাভাবে নজর দেওয়ার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে এপ্রিল মাসে শুরু করা হচ্ছে। উচ্চ মাধ্যমিকের আগে ও পিছে বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক চলাকালীনও পরীক্ষা রয়েছে। তাই সব দিক নজর রাখতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের ফল প্রকাশ, পাশের হার ৯৩.৭২%

 

আরও পড়ুন: ৩১ অক্টোবর উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সেমিস্টারের ফল

মুসলিম সম্প্রদায়ের পরীক্ষার্থীদের জন্যও সংসদ যথেষ্ট আন্তরিক। রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধা অসুবিধার কথা বিবেচনা করে বিশেষ রুমের ব্যবস্থা থাকছে। কোনও পরীক্ষার্থী ক্লান্ত অথবা অসুস্থ হয়ে পড়লে বিশেষ রুমে কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। সেন্টার ইনচার্জদেরও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিটি জেলায় সংসদের তরফে আলোচনা ও বৈঠক শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: আবেদন শুরু, ৩১ ডিসেম্বর থেকে নেট

 

সেই বৈঠকেও পরীক্ষকদের সুবিধা অসুবিধার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, রমযানে পরীক্ষার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু এমন সময় পরীক্ষা, যেখানে আগে মাধ্যমিক ও পরে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরের বিভিন্ন পরীক্ষা রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষক– অভিভাবকদের সবরকম সহযোগিতার প্রয়োজন। সেই সঙ্গে সংসদের তরফেও সবরকম প্রচেষ্টা চালানো হবে বলেও তিনি জানান।