০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, অসম ও সিকিম

ছবি- সংগৃহীত

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ সহ সিকিম অসম। গোটা উত্তরপূর্ব ভারত জুড়ে প্রকৃতির ধ্বংসলীলায় বিপর্যস্ত জনজীবন । লাগাতার বর্ষণের কারণে প্রতিবারের মত ফের ধস নামল পাহাড়ে। বৃহস্পতিবার নতুন করে ধস নেমেছে একাধিক জায়গায়। বিশেষ করে সিকিমের লাচুং এবং চুংথাঙে ভারী বর্ষণের জেরে প্রবল ধস নেমেছে। ইয়ুমথাং ভ্যালি থেকে লাচুং সহ একাধিক জায়গায় ধস নামার কারণে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বুধবারে রংপো বিশ মাইল এলাকায় প্রবল ধস নামে। ফলস্বরূপ বন্ধ হয়ে যায় উত্তরবঙ্গ থেকে সিকিমের যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশেষ করে প্রবল বৃষ্টি এবং ধসের জেরে অসমের হাফলং এবং শিলং এর জাতীয় সড়কে প্রবল সংকটের মুখে যান চলাচল ব্যবস্থা।

 

আরও পড়ুন: কংগ্রেস জমানায় ৭ জেলায় অনুপ্রবেশকারী ৬৪ লাখ! অসমের জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন নিয়ে দাবি শাহের

ইতিমধ্যেই অসমের একাধিক যায়গায় জাতীয় বিপর্যয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্থানীয়দের। হলুদ এবং কমলা বার্তা জারি করা হয়েছে নদী গুলোতে। একাধিক জায়গায় পাহাড় থেকে তুমুল বেগে বৃষ্টির জল রাস্তার উপর দিয়ে বইছে। প্রবল বর্ষণ ও ধসের জেরে বিপাকে পড়েছে পর্যটকরা। এছাড়াও উত্তরপূর্ব ভারতে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছে অনেকেই। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরপূর্ব ভারতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু পর্যটক নয় এই সব জায়গায় বসবাসকারী সাধারণ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সমগ্র সিকিম জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই আলার্ট।

আরও পড়ুন: গোরু চোর সন্দেহে গণপিটুনি অসমে: অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একজনের, গুরুতর আহত ৪

 

আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গকে জোড়া উপহার মুখ্যমন্ত্রীর, শিলান্যাস মহাকাল মন্দিরের

আগামী চার, পাঁচ দিন এই ভাবেই প্রবল বর্ষণ হবে। ফলে জারি হতে পারে লাল সতর্কতাও। হাওয়া অফিসের স্পষ্ট ইঙ্গিত , এই মুহুর্তে হাওয়া বদলের কোনও রকম সম্ভাবনা নেই, ফলে সেখানে থাকা পর্যটকরা বিপদে পড়তে পারেন। তবে স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই তাঁদের সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করছেন।

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর শুনানির আগে নবান্নের বড় পদক্ষেপ, ৮,৫০৫ গ্রুপ-বি আধিকারিক দেওয়ার ঘোষণা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, অসম ও সিকিম

আপডেট : ১৬ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ সহ সিকিম অসম। গোটা উত্তরপূর্ব ভারত জুড়ে প্রকৃতির ধ্বংসলীলায় বিপর্যস্ত জনজীবন । লাগাতার বর্ষণের কারণে প্রতিবারের মত ফের ধস নামল পাহাড়ে। বৃহস্পতিবার নতুন করে ধস নেমেছে একাধিক জায়গায়। বিশেষ করে সিকিমের লাচুং এবং চুংথাঙে ভারী বর্ষণের জেরে প্রবল ধস নেমেছে। ইয়ুমথাং ভ্যালি থেকে লাচুং সহ একাধিক জায়গায় ধস নামার কারণে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বুধবারে রংপো বিশ মাইল এলাকায় প্রবল ধস নামে। ফলস্বরূপ বন্ধ হয়ে যায় উত্তরবঙ্গ থেকে সিকিমের যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশেষ করে প্রবল বৃষ্টি এবং ধসের জেরে অসমের হাফলং এবং শিলং এর জাতীয় সড়কে প্রবল সংকটের মুখে যান চলাচল ব্যবস্থা।

 

আরও পড়ুন: কংগ্রেস জমানায় ৭ জেলায় অনুপ্রবেশকারী ৬৪ লাখ! অসমের জনতাত্ত্বিক পরিবর্তন নিয়ে দাবি শাহের

ইতিমধ্যেই অসমের একাধিক যায়গায় জাতীয় বিপর্যয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্থানীয়দের। হলুদ এবং কমলা বার্তা জারি করা হয়েছে নদী গুলোতে। একাধিক জায়গায় পাহাড় থেকে তুমুল বেগে বৃষ্টির জল রাস্তার উপর দিয়ে বইছে। প্রবল বর্ষণ ও ধসের জেরে বিপাকে পড়েছে পর্যটকরা। এছাড়াও উত্তরপূর্ব ভারতে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছে অনেকেই। হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরপূর্ব ভারতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুধু পর্যটক নয় এই সব জায়গায় বসবাসকারী সাধারণ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সমগ্র সিকিম জুড়ে জারি করা হয়েছে হাই আলার্ট।

আরও পড়ুন: গোরু চোর সন্দেহে গণপিটুনি অসমে: অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একজনের, গুরুতর আহত ৪

 

আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে উত্তরবঙ্গকে জোড়া উপহার মুখ্যমন্ত্রীর, শিলান্যাস মহাকাল মন্দিরের

আগামী চার, পাঁচ দিন এই ভাবেই প্রবল বর্ষণ হবে। ফলে জারি হতে পারে লাল সতর্কতাও। হাওয়া অফিসের স্পষ্ট ইঙ্গিত , এই মুহুর্তে হাওয়া বদলের কোনও রকম সম্ভাবনা নেই, ফলে সেখানে থাকা পর্যটকরা বিপদে পড়তে পারেন। তবে স্থানীয় প্রশাসন ইতিমধ্যেই তাঁদের সুরক্ষিত জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করছেন।