১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ইউক্রেন যুদ্ধের প্রধান উসকানিদাতা আমেরিকা’  

 পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ জো বাইডেনের দেশই ইউক্রেন যুদ্ধের ‘প্রধান উসকানিদাতা’। মস্কোয় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ঝাং হানহুই আমেরিকার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বলেছেন,  ‘ওয়াশিংটন রাশিয়াকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলতে চায়, এ লক্ষ্যেই তারা যুদ্ধের সূচনা করেছে।’

 

আরও পড়ুন: শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা বার্তায় আমেরিকাকে সতর্ক করলেন খামেনি

ঝাং হানহুই বলেন, আমেরিকা বারবার ন্যাটো প্রতিরক্ষা জোটের সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে যুক্ত করতে চাওয়ার মাধ্যমে রাশিয়াকে কোণঠাসা করে ফেলতে চায়।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে, ৫৮ শতাংশ আমেরিকানই অসন্তুষ্ট, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট

 

আরও পড়ুন: ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা, রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষ

এক সাক্ষাৎকারে ঝাং বলেন, ‘ইউক্রেনীয় সংকটের সূচনা করেছে ওয়াশিংটন। আবার এর প্রধান উসকানিদাতাও তারাই। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তারা যখন রাশিয়ার ওপর ব্যাপকহারে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে, তখন ইউক্রেনে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।

 

কারণ তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হল রাশিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞার কবলে ফেলে নিঃশেষ এবং চূর্ণ-বিচূর্ণ করা।’ ঝাং আরও বলেন, চিন-রুশ সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোত্তম সময়ে প্রবেশ করেছে। একে অপরের প্রতি দেশ দু’টির আস্থা অনেক বেড়েছে।

 

গত সপ্তাহে মার্কিন হাউসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের প্রতিবাদ করে ঝাং বলেন, ‘আমেরিকা ঠাণ্ডা যুদ্ধের মানসিকতা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ইউক্রেন ও তাইওয়ানে একই কৌশল প্রয়োগ করার চেষ্টা করছে। এভাবে তারা চিন ও রাশিয়াকে উস্কে দিতে চায়।’

 

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর এখনও পর্যন্ত হাজার হাজার অসামরিক মানুষ মারা গেছে। ইউক্রেনের বড় বড় অনেকগুলো শহর ধ্বংস হয়ে গেছে। সেইসাথে জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশেরও বেশি লোক ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথে থাকছেন দেশি–বিদেশি ১২০০ অতিথি

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

‘ইউক্রেন যুদ্ধের প্রধান উসকানিদাতা আমেরিকা’  

আপডেট : ১১ অগাস্ট ২০২২, বৃহস্পতিবার

 পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ জো বাইডেনের দেশই ইউক্রেন যুদ্ধের ‘প্রধান উসকানিদাতা’। মস্কোয় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ঝাং হানহুই আমেরিকার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে বলেছেন,  ‘ওয়াশিংটন রাশিয়াকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলতে চায়, এ লক্ষ্যেই তারা যুদ্ধের সূচনা করেছে।’

 

আরও পড়ুন: শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা বার্তায় আমেরিকাকে সতর্ক করলেন খামেনি

ঝাং হানহুই বলেন, আমেরিকা বারবার ন্যাটো প্রতিরক্ষা জোটের সম্প্রসারণ এবং ইউক্রেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে যুক্ত করতে চাওয়ার মাধ্যমে রাশিয়াকে কোণঠাসা করে ফেলতে চায়।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে, ৫৮ শতাংশ আমেরিকানই অসন্তুষ্ট, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট

 

আরও পড়ুন: ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকা, রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষ

এক সাক্ষাৎকারে ঝাং বলেন, ‘ইউক্রেনীয় সংকটের সূচনা করেছে ওয়াশিংটন। আবার এর প্রধান উসকানিদাতাও তারাই। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তারা যখন রাশিয়ার ওপর ব্যাপকহারে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে, তখন ইউক্রেনে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।

 

কারণ তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হল রাশিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞার কবলে ফেলে নিঃশেষ এবং চূর্ণ-বিচূর্ণ করা।’ ঝাং আরও বলেন, চিন-রুশ সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোত্তম সময়ে প্রবেশ করেছে। একে অপরের প্রতি দেশ দু’টির আস্থা অনেক বেড়েছে।

 

গত সপ্তাহে মার্কিন হাউসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের প্রতিবাদ করে ঝাং বলেন, ‘আমেরিকা ঠাণ্ডা যুদ্ধের মানসিকতা পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ইউক্রেন ও তাইওয়ানে একই কৌশল প্রয়োগ করার চেষ্টা করছে। এভাবে তারা চিন ও রাশিয়াকে উস্কে দিতে চায়।’

 

উল্লেখ্য, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরু করার পর এখনও পর্যন্ত হাজার হাজার অসামরিক মানুষ মারা গেছে। ইউক্রেনের বড় বড় অনেকগুলো শহর ধ্বংস হয়ে গেছে। সেইসাথে জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশেরও বেশি লোক ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।