২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত, প্রধানমন্ত্রীর  হাতে ধরে কেরলের কোচি যাত্রা শুরু

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  প্রতিরক্ষাখাতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারত।  শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর  হাতে ধরে কেরলের কোচি থেকে নিজের যাত্রা শুরু করল সম্পূর্ণ দেশীয়  প্রযুক্তিতে তৈরি আইএনএস বিক্রান্ত।  ২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া এই  রণতরীর একসঙ্গে ৩০টি যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম।  মিগ-২৯কে যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টার সহ ১৬০০ সেনা সহ করতে সক্ষম আইএনএস বিক্রান্ত।

এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ভারতীয়দের  গর্ব আইএনএস বিক্রান্ত। আজ ভারত সেই দেশগুলির তালিকায়  নিজের নাম নথিভুক্ত করেছে,  যারা নিজস্ব প্রযুক্তিতে রণতরী তৈরি করতে  সক্ষম। দেশকে নতুন করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে। আইএনএস বিক্রান্ত যেকোনও প্রতিবন্ধকতার জবাব দিতে সক্ষম। আইএনএস ভারত হল  আত্মনির্ভর ভারতেরই প্রতিফলন।

আরও পড়ুন: রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের নামের আগে ‘স্বামী’ শব্দ ব্যবহার প্রধানমন্ত্রীর, ‘বাংলাকে অপমান’ গর্জে উঠলেন মমতা

২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই বিশাল রণতরী, যা এই যুদ্ধবিমান বহন করতেও সক্ষম।

আরও পড়ুন: দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা! হাসপাতালে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান

২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া এই রণতরীর বিশেষত্ব হল এটিই সম্পূর্ণ  দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম রণতরী। এছাড়া দেশে এর আগে এত বড় কোনও রণতরী তৈরি করা হয়নি। এই রণতরীতে একসঙ্গে ৩০টি যুদ্ধবিমান বহন করা সম্ভব। মিগ-২৯কে যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টারও একসঙ্গে বহন করতে সক্ষম এই রণতরী। ১৬০০ সেনা বহন করতে সক্ষম এই রণতরী।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিকে রণতরী তৈরি করতে পারার সাফল্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন ভারত কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কোনও লক্ষ্য পূরণই অসম্ভব হয় না। বর্তমানে বিশ্বের হাতে গোনা যে কয়েকটি দেশের কাছে বিশ্বমানের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি রয়েছে, সেই তালিকায় ভারতও শামিল হল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন আইএনএস বিক্রান্ত আমাদের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় মোতায়েন হবে, তখন নৌসেনার বহু মহিলা কর্মীদেরও সেখানে পাঠানো হবে। সমুদ্রের যেমন অসীম ক্ষমতা,  তেমনই অসীম নারী ক্ষমতার জোরেই নতুন ভারতের পরিচিতি তৈরি হবে।”আইএনএস বিক্রান্ত সমস্ত ভারতীয়ের গর্ব। বড় চ্যালেঞ্জের উত্তর দিতে প্রস্তুত আইএনএস বিক্রান্ত।

নৌসেনার নতুন পতাকা সম্পর্কেও নরেন্দ্র মোদি বলেন,  এতদিন অবধি ভারতীয়  নৌসেনার পতাকায় দাসত্বের ছাপ রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আজ থেকে, ছত্রপতি  শিবাজির অনুপ্রেরণায় নৌসেনার নতুন পতাকা সমুদ্র ও আকাশে গর্বের সঙ্গে  উড়বে। আইএনএস বিক্রান্ত শুধু একটি রণতরী নয়, এটা কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা, প্রতিভার প্রমাণ।”

শুক্রবার কোচি শিপইয়ার্ডে এই রণতরীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকেরা। এদিনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নৌসেনার নতুন পতাকারও উদ্বোধন করেন।

 

 

 

 

 

 

সর্বধিক পাঠিত

বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় টহল ভ্যান দুমড়ে মুচড়ে ৫ পুলিশকর্মীর মৃত্যু; আশঙ্কাজনক ২

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত, প্রধানমন্ত্রীর  হাতে ধরে কেরলের কোচি যাত্রা শুরু

আপডেট : ২ সেপ্টেম্বর ২০২২, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  প্রতিরক্ষাখাতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারত।  শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর  হাতে ধরে কেরলের কোচি থেকে নিজের যাত্রা শুরু করল সম্পূর্ণ দেশীয়  প্রযুক্তিতে তৈরি আইএনএস বিক্রান্ত।  ২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া এই  রণতরীর একসঙ্গে ৩০টি যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম।  মিগ-২৯কে যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টার সহ ১৬০০ সেনা সহ করতে সক্ষম আইএনএস বিক্রান্ত।

এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  ভারতীয়দের  গর্ব আইএনএস বিক্রান্ত। আজ ভারত সেই দেশগুলির তালিকায়  নিজের নাম নথিভুক্ত করেছে,  যারা নিজস্ব প্রযুক্তিতে রণতরী তৈরি করতে  সক্ষম। দেশকে নতুন করে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে। আইএনএস বিক্রান্ত যেকোনও প্রতিবন্ধকতার জবাব দিতে সক্ষম। আইএনএস ভারত হল  আত্মনির্ভর ভারতেরই প্রতিফলন।

আরও পড়ুন: রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের নামের আগে ‘স্বামী’ শব্দ ব্যবহার প্রধানমন্ত্রীর, ‘বাংলাকে অপমান’ গর্জে উঠলেন মমতা

২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে তৈরি করা হয়েছে এই বিশাল রণতরী, যা এই যুদ্ধবিমান বহন করতেও সক্ষম।

আরও পড়ুন: দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা! হাসপাতালে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান

২৬২ মিটার লম্বা ও ৬২ মিটার চওড়া এই রণতরীর বিশেষত্ব হল এটিই সম্পূর্ণ  দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম রণতরী। এছাড়া দেশে এর আগে এত বড় কোনও রণতরী তৈরি করা হয়নি। এই রণতরীতে একসঙ্গে ৩০টি যুদ্ধবিমান বহন করা সম্ভব। মিগ-২৯কে যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টারও একসঙ্গে বহন করতে সক্ষম এই রণতরী। ১৬০০ সেনা বহন করতে সক্ষম এই রণতরী।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিকে রণতরী তৈরি করতে পারার সাফল্য সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যখন ভারত কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কোনও লক্ষ্য পূরণই অসম্ভব হয় না। বর্তমানে বিশ্বের হাতে গোনা যে কয়েকটি দেশের কাছে বিশ্বমানের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি রয়েছে, সেই তালিকায় ভারতও শামিল হল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন আইএনএস বিক্রান্ত আমাদের সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় মোতায়েন হবে, তখন নৌসেনার বহু মহিলা কর্মীদেরও সেখানে পাঠানো হবে। সমুদ্রের যেমন অসীম ক্ষমতা,  তেমনই অসীম নারী ক্ষমতার জোরেই নতুন ভারতের পরিচিতি তৈরি হবে।”আইএনএস বিক্রান্ত সমস্ত ভারতীয়ের গর্ব। বড় চ্যালেঞ্জের উত্তর দিতে প্রস্তুত আইএনএস বিক্রান্ত।

নৌসেনার নতুন পতাকা সম্পর্কেও নরেন্দ্র মোদি বলেন,  এতদিন অবধি ভারতীয়  নৌসেনার পতাকায় দাসত্বের ছাপ রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আজ থেকে, ছত্রপতি  শিবাজির অনুপ্রেরণায় নৌসেনার নতুন পতাকা সমুদ্র ও আকাশে গর্বের সঙ্গে  উড়বে। আইএনএস বিক্রান্ত শুধু একটি রণতরী নয়, এটা কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা, প্রতিভার প্রমাণ।”

শুক্রবার কোচি শিপইয়ার্ডে এই রণতরীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও নৌবাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকেরা। এদিনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী নৌসেনার নতুন পতাকারও উদ্বোধন করেন।