১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পুজোতে সরকারি অনুদান দিতে হবে ৬টি শর্ত মেনে, জানালো প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ

পারিজাত মোল্লাঃ অবশেষে আসন্ন দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান বিষয়ে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার দুর্গাপুজোর কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিল আদালত। রাজ্যের ঘোষণা মতো প্রায় ৪৩ হাজার পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দিতে পারবে রাজ্য সরকার, এতে ২৪০ কোটি টাকা খরচ হবে। তবে তা ছয় শর্তে রাজ্য সরকারের পুজো অনুদানে সায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আসন্ন দুর্গাপুজো অনুদান নিয়ে আদালতে পাঁচটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে।

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা যেখানে। অমিল সেখানে পুজোয় এভাবে কোটি কোটি টাকার অনুদান দেওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত?  তা নিয়ে  প্রশ্ন তোলেন মামলাকারীরা। মঙ্গলবার এইসব মামলার রাজ্যকে অনুদান দেওয়ায় অনুমোদন দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুন: আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে জনস্বার্থ মামলা, ভোটের লড়াই আদালতে গড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রধান বিচারপতির

মামলাকারীদের অন্যতম আইনজীবী শমীক বাগচি জানিয়েছেন,   আদালতের দেওয়া এই শর্ত গুলি হল, অনুদান  দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের আগের সমস্ত নির্দেশ এবং গাইডলাইন মেনে চলতে হবে রাজ্য সরকারকে।

আরও পড়ুন: জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়ে হস্তক্ষেপ করল না ডিভিশন বেঞ্চ

অনুদান শুধুমাত্র সেই ক্লাব অথবা পুজো কমিটিগুলোকে দেওয়া হবে, যারা গত বছর সরকারের বেঁধে দেওয়া খাতে অনুদান খরচ করেছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয়ের শংসাপত্র জমা দিয়েছিল। অনুদানের টাকা যাতে সাধারণ মানুষের স্বার্থে খরচ হয়, তা দেখার দায়িত্ব পুলিশের। রাজ্য পুলিশের ডিজি এটা নিশ্চিত করবেন, যাতে এই টাকা নির্ধারিত খাতেই খরচ হয়।

আরও পড়ুন: ২০২৩ মাধ্যমিকে মেধা তালিকায় কারচুপি?

১৫ নভেম্বরের মধ্যে পুজো কমিটিগুলি তাদের ব্যয়ের শংসাপত্র বিল এবং ভাউচার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করবেন। রাজ্য সরকার সেই সমস্ত ব্যয়ের শংসাপত্র পরীক্ষা করে যথাযথভাবে এবং নির্ধারিত খাতে খরচ হয়েছে কিনা সেটা দেখে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করবে।

সর্বধিক পাঠিত

রাত পোহালেই ভোট, শান্তিপূর্ণ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা বাংলাদেশে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুজোতে সরকারি অনুদান দিতে হবে ৬টি শর্ত মেনে, জানালো প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার

পারিজাত মোল্লাঃ অবশেষে আসন্ন দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান বিষয়ে শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিল, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার দুর্গাপুজোর কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিল আদালত। রাজ্যের ঘোষণা মতো প্রায় ৪৩ হাজার পুজো কমিটিকে ৬০ হাজার টাকা করে অনুদান দিতে পারবে রাজ্য সরকার, এতে ২৪০ কোটি টাকা খরচ হবে। তবে তা ছয় শর্তে রাজ্য সরকারের পুজো অনুদানে সায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আসন্ন দুর্গাপুজো অনুদান নিয়ে আদালতে পাঁচটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে।

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা যেখানে। অমিল সেখানে পুজোয় এভাবে কোটি কোটি টাকার অনুদান দেওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত?  তা নিয়ে  প্রশ্ন তোলেন মামলাকারীরা। মঙ্গলবার এইসব মামলার রাজ্যকে অনুদান দেওয়ায় অনুমোদন দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

আরও পড়ুন: আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে জনস্বার্থ মামলা, ভোটের লড়াই আদালতে গড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রধান বিচারপতির

মামলাকারীদের অন্যতম আইনজীবী শমীক বাগচি জানিয়েছেন,   আদালতের দেওয়া এই শর্ত গুলি হল, অনুদান  দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের আগের সমস্ত নির্দেশ এবং গাইডলাইন মেনে চলতে হবে রাজ্য সরকারকে।

আরও পড়ুন: জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়ে হস্তক্ষেপ করল না ডিভিশন বেঞ্চ

অনুদান শুধুমাত্র সেই ক্লাব অথবা পুজো কমিটিগুলোকে দেওয়া হবে, যারা গত বছর সরকারের বেঁধে দেওয়া খাতে অনুদান খরচ করেছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয়ের শংসাপত্র জমা দিয়েছিল। অনুদানের টাকা যাতে সাধারণ মানুষের স্বার্থে খরচ হয়, তা দেখার দায়িত্ব পুলিশের। রাজ্য পুলিশের ডিজি এটা নিশ্চিত করবেন, যাতে এই টাকা নির্ধারিত খাতেই খরচ হয়।

আরও পড়ুন: ২০২৩ মাধ্যমিকে মেধা তালিকায় কারচুপি?

১৫ নভেম্বরের মধ্যে পুজো কমিটিগুলি তাদের ব্যয়ের শংসাপত্র বিল এবং ভাউচার নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করবেন। রাজ্য সরকার সেই সমস্ত ব্যয়ের শংসাপত্র পরীক্ষা করে যথাযথভাবে এবং নির্ধারিত খাতে খরচ হয়েছে কিনা সেটা দেখে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করবে।