২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বার্লিনে বিদ্বেষ-বৈষম্যের শিকার মুসলিমরা

 

 

আরও পড়ুন: পদ্মের মেয়র হয়েই মুম্বাই থেকে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঋতুর, বিজেপির টার্গেট মুসলিমরা!

 

আরও পড়ুন: ‘মুসলমানরা শুধু তাদের ভোটব্যাঙ্ক’: মহাজোটকে আক্রমণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ানের

 

আরও পড়ুন: মুসলিম ও কাশ্মীরিদের টার্গেট করবেন না, আর্জি পহেলগাঁও কাণ্ডে শহিদ বিনয়ের স্ত্রীর

 

পুবের কলম  ওয়েবডেস্ক: ২ বছর আগে জার্মানির হানাউ শহরে দু’টি বারে হামলা চালিয়েছিল একজন উগ্র ডানপন্থী। সেই হামলায় নিহত হন ৯ জন। পরে হামলাকারী তার মাকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করে। ওই বার দুটিতে সাধারণত শরণার্থীরা যাতায়াত করত। হানাউয়ের ওই ঘটনার পর মুসলিমদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন, তা জানতে একটি কমিশন গঠন করেছিল বার্লিন প্রশাসন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের কমিশনের সদস্য করা হয়। সরকারি হিসাব না থাকলেও ধারণা করা হয়, বার্লিনের ৩৮ লক্ষ বাসিন্দার প্রায় ১০ শতাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷ এতে বলা হয়েছে, বার্লিনের মুসলিমরা প্রতিনিয়ত বর্ণবিদ্বেষ ও বৈষম্যের শিকার হন। চাকরিতে নিয়োগসহ বিভিন্ন সেবা পেতে সমস্যায় পড়ছেন তারা। কিন্তু সচেতনতার অভাবে মুসলিম-বিরোধী আচরণ ও অপরাধগুলোর খবর ঠিকমতো প্রচার পায় না। কিছু পরামর্শও দিয়েছে কমিশন৷ যেমন- মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যের বিষয়টি সরকারি কর্মকর্তা, বিচারক ও পুলিশ যাতে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। মিডিয়ায় মুসলিমদের আরও ভালোভাবে তুলে ধরতে হবে, যেন সাধারণ মানুষের মনে তাদের সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা না থাকে৷ মুসলিম-বিরোধী কর্মকাণ্ড তদন্ত করতে বার্লিন পুলিশে আলাদা বিভাগ চালু করতে হবে৷ ২০০৫ সালে বার্লিনে চালু হওয়ায় ‘নিরপেক্ষতা আইন’ বাতিল করতে হবে৷ এই আইনের কারণে সরকারি কর্মচারীরা ধর্মীয় বা মতাদর্শিক প্রতীক বহন করে এমন কোনও পোশাক পরতে পারেন না৷ এই আইনের কারণে মুসলিম নারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন৷ যোগত্য থাকা সত্ত্বেও শুধু হিজাব পরার কারণে তাদের চাকরি না দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে৷ যদিও ২০১৫ সালে জার্মানির আদালত হেডস্কার্ফের ওপর নিষেধাজ্ঞা সংবিধানের পরিপন্থি বলে রায় দিয়েছিল৷ ২০২০ সালে ফেডারেল লেবার কোর্টও একই মত দেয়।

 

 

সর্বধিক পাঠিত

মেসেজিং অ্যাপে ‘সিম সংযুক্তি’ বাধ্যতামূলক, আসছে নতুন নিয়ম

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বার্লিনে বিদ্বেষ-বৈষম্যের শিকার মুসলিমরা

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, সোমবার

 

 

আরও পড়ুন: পদ্মের মেয়র হয়েই মুম্বাই থেকে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ তাড়ানোর হুঁশিয়ারি ঋতুর, বিজেপির টার্গেট মুসলিমরা!

 

আরও পড়ুন: ‘মুসলমানরা শুধু তাদের ভোটব্যাঙ্ক’: মহাজোটকে আক্রমণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ানের

 

আরও পড়ুন: মুসলিম ও কাশ্মীরিদের টার্গেট করবেন না, আর্জি পহেলগাঁও কাণ্ডে শহিদ বিনয়ের স্ত্রীর

 

পুবের কলম  ওয়েবডেস্ক: ২ বছর আগে জার্মানির হানাউ শহরে দু’টি বারে হামলা চালিয়েছিল একজন উগ্র ডানপন্থী। সেই হামলায় নিহত হন ৯ জন। পরে হামলাকারী তার মাকে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করে। ওই বার দুটিতে সাধারণত শরণার্থীরা যাতায়াত করত। হানাউয়ের ওই ঘটনার পর মুসলিমদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন, তা জানতে একটি কমিশন গঠন করেছিল বার্লিন প্রশাসন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের কমিশনের সদস্য করা হয়। সরকারি হিসাব না থাকলেও ধারণা করা হয়, বার্লিনের ৩৮ লক্ষ বাসিন্দার প্রায় ১০ শতাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷ এতে বলা হয়েছে, বার্লিনের মুসলিমরা প্রতিনিয়ত বর্ণবিদ্বেষ ও বৈষম্যের শিকার হন। চাকরিতে নিয়োগসহ বিভিন্ন সেবা পেতে সমস্যায় পড়ছেন তারা। কিন্তু সচেতনতার অভাবে মুসলিম-বিরোধী আচরণ ও অপরাধগুলোর খবর ঠিকমতো প্রচার পায় না। কিছু পরামর্শও দিয়েছে কমিশন৷ যেমন- মুসলিমদের প্রতি বৈষম্যের বিষয়টি সরকারি কর্মকর্তা, বিচারক ও পুলিশ যাতে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারে সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। মিডিয়ায় মুসলিমদের আরও ভালোভাবে তুলে ধরতে হবে, যেন সাধারণ মানুষের মনে তাদের সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা না থাকে৷ মুসলিম-বিরোধী কর্মকাণ্ড তদন্ত করতে বার্লিন পুলিশে আলাদা বিভাগ চালু করতে হবে৷ ২০০৫ সালে বার্লিনে চালু হওয়ায় ‘নিরপেক্ষতা আইন’ বাতিল করতে হবে৷ এই আইনের কারণে সরকারি কর্মচারীরা ধর্মীয় বা মতাদর্শিক প্রতীক বহন করে এমন কোনও পোশাক পরতে পারেন না৷ এই আইনের কারণে মুসলিম নারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন৷ যোগত্য থাকা সত্ত্বেও শুধু হিজাব পরার কারণে তাদের চাকরি না দেওয়ার উদাহরণ রয়েছে৷ যদিও ২০১৫ সালে জার্মানির আদালত হেডস্কার্ফের ওপর নিষেধাজ্ঞা সংবিধানের পরিপন্থি বলে রায় দিয়েছিল৷ ২০২০ সালে ফেডারেল লেবার কোর্টও একই মত দেয়।