২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের পতাকা ‘বিকৃত’ করায় ক্ষমা চাইলেন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ  

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কথা ইতোমধ্যেই অনেকেরই জানা। কাতার বিশ্বকাপে এই দুটি দল একই গ্রুপে থাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনার আঁচ লেগেছে ফুটবলের মাঠেও। এরই মধ্যে বিশ্বকাপের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের  পতাকা বিকৃত করে তীব্র সমালোচনার মুখে আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশন। পরে তারা জানিয়েছিলেন, ইরানে চলতে থাকা হিজাববিরোধী আন্দোলনকে সমর্থন দিতে এমনটা করেছে। তবে  এবারে চাপে পড়ে নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের হয়ে ইরানের কাছে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার ফুটবল দলের কোচ গ্রেগ বেরহাল্টার। তিনি বলেন, ‘মাঝে মধ্যে কিছু বিষয় থাকে যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আমরা বিশ্বকাপ ছাড়া বাকি অন্য কোনও বিষয় নিয়ে ভাবছি না। আমরা যেটা করতে পারি, খেলোয়াড় ও স্টাফেদের হয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। যদিও পুরো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমরা কোনওভাবেই যুক্ত নই।’

 

আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহে ইরানে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

মঙ্গলবার আল থুমামা স্টেডিয়ামে বি গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইরানের মুখোমুখি হয় আমেরিকা। প্রতিযোগিতার শেষ ১৬ তে জায়গা নিশ্চিত করার লড়াইয়ে নামার আগে প্রতিপক্ষ ইরানের পতাকা বিকৃতির ঘটনা সামনে চলে আসে মার্কিন দলের কোচের সামনে। সেখানে গ্রেগ বেরহাল্টার নিজের দলের হয়ে সমগ্র ইরানবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। যদিও শেষ পর্যন্ত ইরানকে হারিয়ে ম্যাচটি জিতে আমেরিকা কাতার বিশ্বকাপের শেষ ১৬তে নিজেদের জায়গা পাকা করে নেয়। এর আগে মার্কিন সরকারের এক মুখপাত্র বলেছিলেন, ‘প্রথমে ইরানের পতাকায় তাদের প্রতীক ব্যবহার করা না হলেও, পরে ইরানের প্রকৃত পতাকা ব্যবহার করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন: ইরানকে পরমাণু শক্তিধর হতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও

 

আরও পড়ুন: ‘আগে গুলি চলবে, পরে প্রশ্ন’, আমেরিকাকে কড়া বার্তা ডেনমার্কের

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে মাশা আমিনির নামক এক তরুণীর মৃত্যুর পর ইরান জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ ওঠে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয়া সেই বিক্ষোভে মদদ দিয়ে তার তীব্রতা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

একই নথি জমা দিয়ে ভাইয়ের নাম এপ্রুভ, ডিলিট বোনের নাম: ক্ষোভ বংশীহারী ব্লকে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইরানের পতাকা ‘বিকৃত’ করায় ক্ষমা চাইলেন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ  

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২২, বুধবার

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কথা ইতোমধ্যেই অনেকেরই জানা। কাতার বিশ্বকাপে এই দুটি দল একই গ্রুপে থাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনার আঁচ লেগেছে ফুটবলের মাঠেও। এরই মধ্যে বিশ্বকাপের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের  পতাকা বিকৃত করে তীব্র সমালোচনার মুখে আমেরিকার ফুটবল ফেডারেশন। পরে তারা জানিয়েছিলেন, ইরানে চলতে থাকা হিজাববিরোধী আন্দোলনকে সমর্থন দিতে এমনটা করেছে। তবে  এবারে চাপে পড়ে নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য দলের খেলোয়াড় ও স্টাফদের হয়ে ইরানের কাছে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার ফুটবল দলের কোচ গ্রেগ বেরহাল্টার। তিনি বলেন, ‘মাঝে মধ্যে কিছু বিষয় থাকে যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আমরা বিশ্বকাপ ছাড়া বাকি অন্য কোনও বিষয় নিয়ে ভাবছি না। আমরা যেটা করতে পারি, খেলোয়াড় ও স্টাফেদের হয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। যদিও পুরো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমরা কোনওভাবেই যুক্ত নই।’

 

আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহে ইরানে হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

মঙ্গলবার আল থুমামা স্টেডিয়ামে বি গ্রুপের শেষ ম্যাচে ইরানের মুখোমুখি হয় আমেরিকা। প্রতিযোগিতার শেষ ১৬ তে জায়গা নিশ্চিত করার লড়াইয়ে নামার আগে প্রতিপক্ষ ইরানের পতাকা বিকৃতির ঘটনা সামনে চলে আসে মার্কিন দলের কোচের সামনে। সেখানে গ্রেগ বেরহাল্টার নিজের দলের হয়ে সমগ্র ইরানবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। যদিও শেষ পর্যন্ত ইরানকে হারিয়ে ম্যাচটি জিতে আমেরিকা কাতার বিশ্বকাপের শেষ ১৬তে নিজেদের জায়গা পাকা করে নেয়। এর আগে মার্কিন সরকারের এক মুখপাত্র বলেছিলেন, ‘প্রথমে ইরানের পতাকায় তাদের প্রতীক ব্যবহার করা না হলেও, পরে ইরানের প্রকৃত পতাকা ব্যবহার করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন: ইরানকে পরমাণু শক্তিধর হতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও

 

আরও পড়ুন: ‘আগে গুলি চলবে, পরে প্রশ্ন’, আমেরিকাকে কড়া বার্তা ডেনমার্কের

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরে মাশা আমিনির নামক এক তরুণীর মৃত্যুর পর ইরান জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ ওঠে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয়া সেই বিক্ষোভে মদদ দিয়ে তার তীব্রতা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।