২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাসাদ হারালেন হ্যারি-মেগান

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেলকে ব্রিটিশ রাজপরিবারের  উইন্ডসর প্রাসাদের বাড়ি ছাড়তে বলা হয়েছে। এতে তাঁদের ব্রিটেনে থাকার আর নিজস্ব কোনও জায়গা থাকল না।

‘ফ্রগমোর কটেজ’ নামের ভবনটি ২৯ লক্ষ ডলার খরচ করে সংস্কার করেছিলেন হ্যারি-মেগান। প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ হ্যারি ও মেগানকে এই বাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। এই বাড়িটি এখন রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রুকে দেওয়ার প্রস্তাব উঠেছে।

হ্যারি ও মেগান ডিউক অব সাসেক্স ও ডাচেস অব সাসেক্স হিসেবেও পরিচিত। প্রিন্স হ্যারির আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’ প্রকাশিত হওয়ার কয়েক দিন পরই এই দম্পতিকে বাড়িটি খালি করে দিতে বলা হয়।

আকস্মিক রাজকীয় জীবন ছেড়ে ২০২০ সালে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমান হ্যারি-মেগান দম্পতি। রাজা তৃতীয় চার্লস সব সময় রাজতন্ত্রের পরিধি কমিয়ে আনার পক্ষপাতী ছিলেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি রাজতহবিল ঢেলে সাজানোর কাজে হাত দেন। প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বর্তমান ৩০ কক্ষের রাজবাড়ির বাৎসরিক ২ লক্ষ ৫০ হাজার ইউরো বরাদ্দে কাটছাঁটের সম্ভাবনা রয়েছে। হ্যারি ও মেগান রাজকীয় জীবন ত্যাগের পর সাক্ষাৎকার থেকে শুরু করে নেটফ্লিক্সের তথ্যচিত্রসহ বিভিন্ন প্রজেক্টে অংশ নেন।

রাজপরিবারে নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। জানুয়ারিতে প্রকাশিত হ্যারির আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘স্পেয়ার’ বিক্রিতে রেকর্ড গড়ে। এই গ্রন্থে রাজপরিবারে নিজের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন হ্যারি।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

তরুণীকে বিয়ে করে ৭০ বছরের হাকিমের বক্তব্য-“বয়স নয়, মনটাই আসল”

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রাসাদ হারালেন হ্যারি-মেগান

আপডেট : ২ মার্চ ২০২৩, বৃহস্পতিবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেলকে ব্রিটিশ রাজপরিবারের  উইন্ডসর প্রাসাদের বাড়ি ছাড়তে বলা হয়েছে। এতে তাঁদের ব্রিটেনে থাকার আর নিজস্ব কোনও জায়গা থাকল না।

‘ফ্রগমোর কটেজ’ নামের ভবনটি ২৯ লক্ষ ডলার খরচ করে সংস্কার করেছিলেন হ্যারি-মেগান। প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ হ্যারি ও মেগানকে এই বাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। এই বাড়িটি এখন রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রুকে দেওয়ার প্রস্তাব উঠেছে।

হ্যারি ও মেগান ডিউক অব সাসেক্স ও ডাচেস অব সাসেক্স হিসেবেও পরিচিত। প্রিন্স হ্যারির আত্মজীবনী ‘স্পেয়ার’ প্রকাশিত হওয়ার কয়েক দিন পরই এই দম্পতিকে বাড়িটি খালি করে দিতে বলা হয়।

আকস্মিক রাজকীয় জীবন ছেড়ে ২০২০ সালে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমান হ্যারি-মেগান দম্পতি। রাজা তৃতীয় চার্লস সব সময় রাজতন্ত্রের পরিধি কমিয়ে আনার পক্ষপাতী ছিলেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি রাজতহবিল ঢেলে সাজানোর কাজে হাত দেন। প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বর্তমান ৩০ কক্ষের রাজবাড়ির বাৎসরিক ২ লক্ষ ৫০ হাজার ইউরো বরাদ্দে কাটছাঁটের সম্ভাবনা রয়েছে। হ্যারি ও মেগান রাজকীয় জীবন ত্যাগের পর সাক্ষাৎকার থেকে শুরু করে নেটফ্লিক্সের তথ্যচিত্রসহ বিভিন্ন প্রজেক্টে অংশ নেন।

রাজপরিবারে নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। জানুয়ারিতে প্রকাশিত হ্যারির আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘স্পেয়ার’ বিক্রিতে রেকর্ড গড়ে। এই গ্রন্থে রাজপরিবারে নিজের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেছেন হ্যারি।