০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ্রুত উপনির্বাচনের দাবিতে সরব তৃণমূল, ‘রাজ্যের পরিস্থিতি ভালো, এটাই ভোটের আদর্শ সময়’ মন্তব্য শাসকদলের

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ যে ৫ কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন ও দুই কেন্দ্রে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা, কেন্দ্র ধরে ধরে এই সাত কেন্দ্রের করোনা সংক্রান্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সূত্রে খবর, কমিশনের তরফ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে নির্বাচন করা নিয়ে কমিশনের তরফ থেকে যে মতামত চাওয়া হয়েছিল, তা জানিয়ে দেওয়া হবে। এই রিপোর্টে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফ থেকে বারবার একথা বলা হচ্ছে যে পরিস্থিতিতে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল সে দিক থেকে বিচার করলে এটাই উপনির্বাচন করানোর জন্য আদর্শ সময়। কারণ এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনা সংক্রমণের হার এক শতাংশের কাছাকাছি। তাই যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন সংঘটিত করা হোক।
যদিও রাজ্যের শাসক দল জানে, তারা এমন কথা বললেও বিজেপি এই মুহূর্তে নির্বাচন না করানোর জন্য করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের বিষয়টি তুলে ধরবে। সে ক্ষেত্রে তারা যাতে সফল না হয় তাই কেন্দ্র ধরে ধরে করোনা সংক্রমণের হার নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলে ধরবে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের মতামত জানিয়ে দেওয়া হবে যথা সময়েই।”দিনহাটা, জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ, শান্তিপুর, খড়দহ, ভবানীপুর, গোসাবা আসনে উপনির্বাচন হবে রাজ্য জুড়ে। এই সব কেন্দ্রের কোভিড পরিস্থিতির রিপোর্ট ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করেছে রাজ্য। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর সব জায়গায় পরিস্থিতি এখন ভালো। ভবানীপুর এখন কোভিড শূন্য। শান্তিপুর ও গোসাবাও তাই। বাকি জায়গায় ন্যূনতম হয়ে আছে কোভিড পরিস্থিতি। ফলে করোনার কথা ভেবে কোথাও নির্বাচন না করানোর মতো অবস্থা তৈরি হয়নি। নির্বাচন কমিশনকে এই রিপোর্ট দেওয়া হবে।
সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছেন, ” যখন শেষ কয়েক দফার নির্বাচন একসঙ্গে করানোর কথা বলা হয়েছিল, তখন রাজ্যে ছেয়ে গিয়েছিল করোনা সংক্রমণ। তা সত্ত্বেও একাধিক দফায় ভোট করানো হয়েছিল। এখন যখন করোনার হার শূন্য তখন ভোট করানোয় তো বাধা থাকার কথাই নয়।”
আসলে হাতে সময় কমে আসছে তৃণমূলের। নভেম্বর মাসের মধ্যেই উপ নির্বাচন সংঘটিত না হলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফা দিতে হবে। এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে হবে এই দাবিতে ফের সরব হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিছুদিন আগেই তৃণমূল নেতা যশবন্ত সিনহা জানিয়েছিলেন, তাদেরকে বিপাকে ফেলতেই গড়িমসি করা হচ্ছে ভোট নিয়ে। এবার তাই দ্রুত উপনির্বাচন চেয়ে ঝাঁপাতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

রাশিয়ায় আছড়ে পড়ল ইউক্রেনীয় ড্রোন, হামলা নিহত ২৪ জন নাগরিক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দ্রুত উপনির্বাচনের দাবিতে সরব তৃণমূল, ‘রাজ্যের পরিস্থিতি ভালো, এটাই ভোটের আদর্শ সময়’ মন্তব্য শাসকদলের

আপডেট : ২২ অগাস্ট ২০২১, রবিবার

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ যে ৫ কেন্দ্রে বিধানসভা উপনির্বাচন ও দুই কেন্দ্রে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা, কেন্দ্র ধরে ধরে এই সাত কেন্দ্রের করোনা সংক্রান্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সূত্রে খবর, কমিশনের তরফ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে নির্বাচন করা নিয়ে কমিশনের তরফ থেকে যে মতামত চাওয়া হয়েছিল, তা জানিয়ে দেওয়া হবে। এই রিপোর্টে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফ থেকে বারবার একথা বলা হচ্ছে যে পরিস্থিতিতে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল সে দিক থেকে বিচার করলে এটাই উপনির্বাচন করানোর জন্য আদর্শ সময়। কারণ এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনা সংক্রমণের হার এক শতাংশের কাছাকাছি। তাই যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন সংঘটিত করা হোক।
যদিও রাজ্যের শাসক দল জানে, তারা এমন কথা বললেও বিজেপি এই মুহূর্তে নির্বাচন না করানোর জন্য করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের বিষয়টি তুলে ধরবে। সে ক্ষেত্রে তারা যাতে সফল না হয় তাই কেন্দ্র ধরে ধরে করোনা সংক্রমণের হার নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলে ধরবে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের মতামত জানিয়ে দেওয়া হবে যথা সময়েই।”দিনহাটা, জঙ্গিপুর, সামশেরগঞ্জ, শান্তিপুর, খড়দহ, ভবানীপুর, গোসাবা আসনে উপনির্বাচন হবে রাজ্য জুড়ে। এই সব কেন্দ্রের কোভিড পরিস্থিতির রিপোর্ট ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করেছে রাজ্য। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর সব জায়গায় পরিস্থিতি এখন ভালো। ভবানীপুর এখন কোভিড শূন্য। শান্তিপুর ও গোসাবাও তাই। বাকি জায়গায় ন্যূনতম হয়ে আছে কোভিড পরিস্থিতি। ফলে করোনার কথা ভেবে কোথাও নির্বাচন না করানোর মতো অবস্থা তৈরি হয়নি। নির্বাচন কমিশনকে এই রিপোর্ট দেওয়া হবে।
সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছেন, ” যখন শেষ কয়েক দফার নির্বাচন একসঙ্গে করানোর কথা বলা হয়েছিল, তখন রাজ্যে ছেয়ে গিয়েছিল করোনা সংক্রমণ। তা সত্ত্বেও একাধিক দফায় ভোট করানো হয়েছিল। এখন যখন করোনার হার শূন্য তখন ভোট করানোয় তো বাধা থাকার কথাই নয়।”
আসলে হাতে সময় কমে আসছে তৃণমূলের। নভেম্বর মাসের মধ্যেই উপ নির্বাচন সংঘটিত না হলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইস্তফা দিতে হবে। এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকেই দ্রুত উপনির্বাচন করাতে হবে এই দাবিতে ফের সরব হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিছুদিন আগেই তৃণমূল নেতা যশবন্ত সিনহা জানিয়েছিলেন, তাদেরকে বিপাকে ফেলতেই গড়িমসি করা হচ্ছে ভোট নিয়ে। এবার তাই দ্রুত উপনির্বাচন চেয়ে ঝাঁপাতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।