১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওজন-উচ্চতা নিয়ে বৈষম্য রুখতে আইন নিউ ইয়র্কে

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: কর্মক্ষেত্র, বাসস্থান ও জনপরিষেবায় উচ্চতা ও ওজনের কারণে বৈষম্যের  শিকার হয়ে থাকেন মানুষ। আর এই বৈষম্য রুখতেই একটি বিলে সই করে তা পাস করেছেন নিউ ইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামস। এ বিষয়ে এরিক অ্যাডামস বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে আপনি যখন চাকরি খুঁজছেন তখন আপনার সঙ্গে অন্য রকম ব্যবহার করা ঠিক নয়। আপনি শহরের বাইরে থাকলেও নয়, ঘর খুঁজতে গেলেও নয়।

আপনি কতটা লম্বা বা আপনার ওজন কত এটা কোনও বিষয় হতে পারে না।’ তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নিয়ম বদলাতে পারে। যেমন, কোনও কোম্পানি যদি কাজের সুবিধার্থে তাদের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট উচ্চতা ও ওজনের বিষয়টি আগে থেকেই উল্লেখ করে রাখে। মেয়র এরিক আরও বলেন, ‘১৮০ দিনের মধ্যে বা নভেম্বরের ২২ তারিখের মধ্যে আইনটি লাগু হবে।’এরিকের মতে, এই আইনের ফলে নিউ ইয়র্কবাসীরা সব জায়গায় সমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আরও পড়ুন: পবিত্র কুরআন সঙ্গে রেখে স্টেশনে দাঁড়িয়ে শপথ, নিউ ইয়র্ককে কী বার্তা দিলেন মেয়র জোহরান মামদানি?

জানা যায়, নিউ ইয়র্ক বাদে আরও ৫টি মার্কিন শহরে ওজন-উচ্চতা নিয়ে বৈষম্য রুখতে আইন রয়েছে। ভ্যান্ডাবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা থেকে জানা যায়, আমেরিকায়  ওজন নিয়ে বৈষম্যের ঘটনা ব্যাপক হারে বাড়ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীরাই এ ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ‘বাংলাদেশের নির্বাচন হবে মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ’: নিউইয়র্কে বার্তা ইউনূসের

ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন টু অ্যাডভান্স ফ্যাট অ্যাকসেপ্টেন্স-এর চেয়ারম্যান টাইগ্রেস অসবর্ন বলেন, এই আইনের মাধ্যমে মানুষের চিন্তা-ভাবনা বদলাবে। তিনি জানান, কোনও মানুষের দৈহিক গঠনের ব্যাপারে মন্তব্য করার স্বভাব বদলানোটা চ্যালেঞ্জিং এবং সমতা অর্জনে সরকারের সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। তাঁর কথায়, ‘আমরা জানি নিউ ইয়র্ক একটি আন্তর্জাতিক শহর। তাই এখান থেকে এই বার্তা যাওয়া জরুরি যে, মানুষের উচ্চতা ও ওজনের জন্য তাদের প্রতি বৈষম্য করা ভুল।’

আরও পড়ুন: ইরানে পাল্টা হামলার ভয়ে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে হাই এলার্ট

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

এসআইআর শুনানির সময়সীমা বাড়ল এক সপ্তাহ, কমিশন ও রাজ্যকে একগুচ্ছ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ওজন-উচ্চতা নিয়ে বৈষম্য রুখতে আইন নিউ ইয়র্কে

আপডেট : ২৯ মে ২০২৩, সোমবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: কর্মক্ষেত্র, বাসস্থান ও জনপরিষেবায় উচ্চতা ও ওজনের কারণে বৈষম্যের  শিকার হয়ে থাকেন মানুষ। আর এই বৈষম্য রুখতেই একটি বিলে সই করে তা পাস করেছেন নিউ ইয়র্কের মেয়র এরিক অ্যাডামস। এ বিষয়ে এরিক অ্যাডামস বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে আপনি যখন চাকরি খুঁজছেন তখন আপনার সঙ্গে অন্য রকম ব্যবহার করা ঠিক নয়। আপনি শহরের বাইরে থাকলেও নয়, ঘর খুঁজতে গেলেও নয়।

আপনি কতটা লম্বা বা আপনার ওজন কত এটা কোনও বিষয় হতে পারে না।’ তবে বিশেষ ক্ষেত্রে নিয়ম বদলাতে পারে। যেমন, কোনও কোম্পানি যদি কাজের সুবিধার্থে তাদের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট উচ্চতা ও ওজনের বিষয়টি আগে থেকেই উল্লেখ করে রাখে। মেয়র এরিক আরও বলেন, ‘১৮০ দিনের মধ্যে বা নভেম্বরের ২২ তারিখের মধ্যে আইনটি লাগু হবে।’এরিকের মতে, এই আইনের ফলে নিউ ইয়র্কবাসীরা সব জায়গায় সমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আরও পড়ুন: পবিত্র কুরআন সঙ্গে রেখে স্টেশনে দাঁড়িয়ে শপথ, নিউ ইয়র্ককে কী বার্তা দিলেন মেয়র জোহরান মামদানি?

জানা যায়, নিউ ইয়র্ক বাদে আরও ৫টি মার্কিন শহরে ওজন-উচ্চতা নিয়ে বৈষম্য রুখতে আইন রয়েছে। ভ্যান্ডাবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা থেকে জানা যায়, আমেরিকায়  ওজন নিয়ে বৈষম্যের ঘটনা ব্যাপক হারে বাড়ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নারীরাই এ ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: ‘বাংলাদেশের নির্বাচন হবে মুক্ত, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ’: নিউইয়র্কে বার্তা ইউনূসের

ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন টু অ্যাডভান্স ফ্যাট অ্যাকসেপ্টেন্স-এর চেয়ারম্যান টাইগ্রেস অসবর্ন বলেন, এই আইনের মাধ্যমে মানুষের চিন্তা-ভাবনা বদলাবে। তিনি জানান, কোনও মানুষের দৈহিক গঠনের ব্যাপারে মন্তব্য করার স্বভাব বদলানোটা চ্যালেঞ্জিং এবং সমতা অর্জনে সরকারের সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। তাঁর কথায়, ‘আমরা জানি নিউ ইয়র্ক একটি আন্তর্জাতিক শহর। তাই এখান থেকে এই বার্তা যাওয়া জরুরি যে, মানুষের উচ্চতা ও ওজনের জন্য তাদের প্রতি বৈষম্য করা ভুল।’

আরও পড়ুন: ইরানে পাল্টা হামলার ভয়ে নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে হাই এলার্ট