২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বে নতুন করে দারিদ্রের শিকার ১৬ কোটি মানুষ

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  : কোভিড মহামারি, দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধি ও যুদ্ধের কারণে ২০২০ থেকে২০২৩ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ। রাষ্ট্রসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এই তথ্য দিয়েছে। আর এ সংকট থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণ পরিশোধ কার্যক্রম সাময়িক স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউএনডিপির প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন করে দারিদ্রের শিকার সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে অতি দারিদ্রসীমার নিচে চলে যাবে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ। দিনে এদের আয় ২.১৫ মার্কিন ডলারেরও কম। এছাড়া নতুন করে দারিদ্রসীমায় নেমে যাওয়া মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ৯ কোটিতে। দিনে এদের আয় ৩.৬৫ ডলারের বেশি নয়। ২০২৩ সালের শেষেও এসব মানুষ মহামারির আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে না।

আরও পড়ুন: অযোধ্যার আকাশে সগর্বে উড়ল ‘ধর্মধ্বজ’, ‘বিশ্ব হয়ে উঠল রামময়’ মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

ইউএনডিপির প্রধান আখিম স্টেইনার জানান, ৩ বছর ধরে যেসব দেশ সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ করেছে সেসব দেশ বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে পেরেছে। তিনি জানান, তুলনামূলকভাবে উচ্চমাত্রায় ঋণগ্রস্ত দেশগুলো তাদের জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা খাতে ততটা ব্যয় করতে পারেনি। আর সেই দেশগুলোতেই নতুন করে দারিদ্রসীমায় নেমে যাওয়া জনগোষ্ঠীর হার আশঙ্কাজনক বেশি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে দরিদ্র হওয়া সাড়ে ১৬ কোটি মানুষকে স্বচ্ছল করতে বছরে ১৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করতে হবে। এ সপ্তাহের শুরুতে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব গুতেরেস বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থার নিন্দা করেছেন। তার মতে বর্তমানে প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক শক্তির গতিকেই তুলে ধরছে।

আরও পড়ুন: উর্দু বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ভাষা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু

 

আরও পড়ুন: ১২ কোটির বেশি লোক হিংসার শিকার হয়ে ঘরছাড়া এ বিশ্বে
সর্বধিক পাঠিত

মেসেজিং অ্যাপে ‘সিম সংযুক্তি’ বাধ্যতামূলক, আসছে নতুন নিয়ম

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্বে নতুন করে দারিদ্রের শিকার ১৬ কোটি মানুষ

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০২৩, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  : কোভিড মহামারি, দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধি ও যুদ্ধের কারণে ২০২০ থেকে২০২৩ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ। রাষ্ট্রসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এই তথ্য দিয়েছে। আর এ সংকট থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঋণ পরিশোধ কার্যক্রম সাময়িক স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইউএনডিপির প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন করে দারিদ্রের শিকার সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে অতি দারিদ্রসীমার নিচে চলে যাবে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ। দিনে এদের আয় ২.১৫ মার্কিন ডলারেরও কম। এছাড়া নতুন করে দারিদ্রসীমায় নেমে যাওয়া মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ৯ কোটিতে। দিনে এদের আয় ৩.৬৫ ডলারের বেশি নয়। ২০২৩ সালের শেষেও এসব মানুষ মহামারির আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে না।

আরও পড়ুন: অযোধ্যার আকাশে সগর্বে উড়ল ‘ধর্মধ্বজ’, ‘বিশ্ব হয়ে উঠল রামময়’ মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর

ইউএনডিপির প্রধান আখিম স্টেইনার জানান, ৩ বছর ধরে যেসব দেশ সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ করেছে সেসব দেশ বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে পেরেছে। তিনি জানান, তুলনামূলকভাবে উচ্চমাত্রায় ঋণগ্রস্ত দেশগুলো তাদের জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা খাতে ততটা ব্যয় করতে পারেনি। আর সেই দেশগুলোতেই নতুন করে দারিদ্রসীমায় নেমে যাওয়া জনগোষ্ঠীর হার আশঙ্কাজনক বেশি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে দরিদ্র হওয়া সাড়ে ১৬ কোটি মানুষকে স্বচ্ছল করতে বছরে ১৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করতে হবে। এ সপ্তাহের শুরুতে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব গুতেরেস বিশ্বব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থার নিন্দা করেছেন। তার মতে বর্তমানে প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক শক্তির গতিকেই তুলে ধরছে।

আরও পড়ুন: উর্দু বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ভাষা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু

 

আরও পড়ুন: ১২ কোটির বেশি লোক হিংসার শিকার হয়ে ঘরছাড়া এ বিশ্বে