১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডুরান্ড ফাইনালে উপস্থিত রাজ্যপাল

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বাইপাসের রাস্তা ধরে যতদূর চোখ রাখা যায় শুধুই ম্যাটাডোর ও আর বাইক। সেই বাইকে যত ইস্টবেঙ্গল সমর্থক, তার দ্বিগুণ মোহনবাগান সমর্থক। কিন্তু রবিবারের যুবভারতীর গ্যালারি দেখে এটা বোঝা গেল না, এত ইস্টবেঙ্গল সমর্থক এলেন কোথা থেকে। টিকিট নিয়ে একটা কালোবাজারি তো ছিলই। স্টেডিয়াম অনেকটাই ফাঁকা থাকলেও কয়েকটি দিক একেবারে ঠাস ছিল। ঘড়ির কাঁটায় যখন ঠিক চারটে বাজতে কিছু মিনিট বাকি, টানেল দিয়ে প্রবেশ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, সেনবাহিনীর প্রধানসহ আরও  অনেকে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হলেন রাজ্যপাল, ক্রীড়ামন্ত্রী ও বাকিরা। ট্রফির সঙ্গে ছবিও তুললেন রাজ্যপাল, ক্রীড়ামন্ত্রী। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়লেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।  ১৯ বছর পর ডুরান্ড ফাইনালে ডার্বি। তাই  উৎসাহে ভাটা রইল না। যুবভারতীতে ঢুকতে গিয়েও কড়া চেকিংয়ের সামনে পড়লেন সমর্থকরা। প্ল্যাকার, টিফো, বাজি, বাদ্যযন্ত্র, ছাতা নিয়ে ঢোকা বারণ ছিল এদিনের যুবভারতীতে।

ট্যাগ :
প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

শেষ আটে জিম্বাবোয়ে, বিদায় অস্ট্রেলিয়া, টি-২০ বিশ্বকাপে চমক, ইতিহাস নেপালের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ডুরান্ড ফাইনালে উপস্থিত রাজ্যপাল

আপডেট : ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, রবিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বাইপাসের রাস্তা ধরে যতদূর চোখ রাখা যায় শুধুই ম্যাটাডোর ও আর বাইক। সেই বাইকে যত ইস্টবেঙ্গল সমর্থক, তার দ্বিগুণ মোহনবাগান সমর্থক। কিন্তু রবিবারের যুবভারতীর গ্যালারি দেখে এটা বোঝা গেল না, এত ইস্টবেঙ্গল সমর্থক এলেন কোথা থেকে। টিকিট নিয়ে একটা কালোবাজারি তো ছিলই। স্টেডিয়াম অনেকটাই ফাঁকা থাকলেও কয়েকটি দিক একেবারে ঠাস ছিল। ঘড়ির কাঁটায় যখন ঠিক চারটে বাজতে কিছু মিনিট বাকি, টানেল দিয়ে প্রবেশ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, সেনবাহিনীর প্রধানসহ আরও  অনেকে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হলেন রাজ্যপাল, ক্রীড়ামন্ত্রী ও বাকিরা। ট্রফির সঙ্গে ছবিও তুললেন রাজ্যপাল, ক্রীড়ামন্ত্রী। সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়লেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।  ১৯ বছর পর ডুরান্ড ফাইনালে ডার্বি। তাই  উৎসাহে ভাটা রইল না। যুবভারতীতে ঢুকতে গিয়েও কড়া চেকিংয়ের সামনে পড়লেন সমর্থকরা। প্ল্যাকার, টিফো, বাজি, বাদ্যযন্ত্র, ছাতা নিয়ে ঢোকা বারণ ছিল এদিনের যুবভারতীতে।