০১ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যোগী রাজ্যে অমানবিক চিত্র ভাইরাল! ছাত্রকে অপহরণ করে প্রহার, মুখে প্রস্রাব

উত্তরপ্রদেশ, ২৭ নভেম্বর: উত্তরপ্রদেশে এক যুবককে শারীরিক নিগৃহ করে মুখে প্রস্রাব করল একদল দুষ্কৃতী। সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই সাড়া পড়েছে নেট দুনিয়াই। ঘটনায় ৭ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ: কাশ্মীরি ডাক্তারি পড়ুয়াকে আটক করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

গত ১৩ নভেম্বর, উত্তরপ্রদেশের মিরাটে দ্বাদশ শ্রেনীর এক ছাত্রকে তুলে নিয়ে যায় একদল দুষ্কৃতী। একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ছাত্রকে মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করা হয়। ঘটনার ভিডিয়ো ধারণ করতে দেখা যায় দুষ্কৃতীদের। শারীরিক নিগৃহ সহ্য করতে না পেরে, হাতজোড় করে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে দ্বাদশ শ্রেনীর ওই ছাত্র। এমন্তবস্থায় তাঁকে আরও প্রহার করা হয়। ওই সময়ই অপর এক দুষ্কৃতী ছাত্রের মুখে প্রস্রাব করেন। গত রবিবার ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন।

আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচিত’ পদক্ষেপ, উত্তরপ্রদেশ পুলিসের সমালোচনা আসাদউদ্দিন ওয়াইসির

 

জানা গিয়েছে, আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার সময় তাঁকে অপহরণ করা হয়। এরপর তাকে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে নিগৃহ করা হয়। ছাত্রের পরিবার জানায়, ছেলে ঘরে না ফেরাই তাকে রাতভর খোঁজাখুঁজি করি। পরদিন সকালে ছেলে বাড়ি ফিরে এসে ঘটনা সম্পর্কে জানাই। আমরা থানায় অভিযোগ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। ১৬ নভেম্বর থানায় গেলে তবেই মামলা রুজু করা হয়। অভিযোগ, অপহরণের ধারায় মামলা রুজু না করে অন্য ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে চারজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন, অভি শর্মা, আশিস মালিক, রাজন এবং মোহিত ঠাকুর। বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মেরাটের এসপি পীযূষ সিং জানিয়েছেন, ‘ছাত্রের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।’

প্রতিবেদক

কিবরিয়া আনসারি

Kibria obtained a master's degree in journalism from Aliah University. He has been in journalism since 2018, gaining work experience in multiple organizations. Focused and sincere about his work, Kibria is currently employed at the desk of Purber Kalom.
সর্বধিক পাঠিত

একধাক্কায় বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম বাড়ল ১১১ টাকা

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

যোগী রাজ্যে অমানবিক চিত্র ভাইরাল! ছাত্রকে অপহরণ করে প্রহার, মুখে প্রস্রাব

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২৩, সোমবার

উত্তরপ্রদেশ, ২৭ নভেম্বর: উত্তরপ্রদেশে এক যুবককে শারীরিক নিগৃহ করে মুখে প্রস্রাব করল একদল দুষ্কৃতী। সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই সাড়া পড়েছে নেট দুনিয়াই। ঘটনায় ৭ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

আরও পড়ুন: দিল্লি বিস্ফোরণ: কাশ্মীরি ডাক্তারি পড়ুয়াকে আটক করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

গত ১৩ নভেম্বর, উত্তরপ্রদেশের মিরাটে দ্বাদশ শ্রেনীর এক ছাত্রকে তুলে নিয়ে যায় একদল দুষ্কৃতী। একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ছাত্রকে মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করা হয়। ঘটনার ভিডিয়ো ধারণ করতে দেখা যায় দুষ্কৃতীদের। শারীরিক নিগৃহ সহ্য করতে না পেরে, হাতজোড় করে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে দ্বাদশ শ্রেনীর ওই ছাত্র। এমন্তবস্থায় তাঁকে আরও প্রহার করা হয়। ওই সময়ই অপর এক দুষ্কৃতী ছাত্রের মুখে প্রস্রাব করেন। গত রবিবার ঘটনার ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন।

আরও পড়ুন: সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচিত’ পদক্ষেপ, উত্তরপ্রদেশ পুলিসের সমালোচনা আসাদউদ্দিন ওয়াইসির

 

জানা গিয়েছে, আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার সময় তাঁকে অপহরণ করা হয়। এরপর তাকে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে গিয়ে নিগৃহ করা হয়। ছাত্রের পরিবার জানায়, ছেলে ঘরে না ফেরাই তাকে রাতভর খোঁজাখুঁজি করি। পরদিন সকালে ছেলে বাড়ি ফিরে এসে ঘটনা সম্পর্কে জানাই। আমরা থানায় অভিযোগ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। ১৬ নভেম্বর থানায় গেলে তবেই মামলা রুজু করা হয়। অভিযোগ, অপহরণের ধারায় মামলা রুজু না করে অন্য ধারায় মামলা নথিভুক্ত করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে চারজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন, অভি শর্মা, আশিস মালিক, রাজন এবং মোহিত ঠাকুর। বাকিদের পরিচয় জানা যায়নি। ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মেরাটের এসপি পীযূষ সিং জানিয়েছেন, ‘ছাত্রের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।’