পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: ‘ দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী একজন ‘হিন্দু'কে যতটা সম্মান দেওয়া হয়, এ দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী একজন ‘মুসলমান' কেও একই সম্মান দেওয়া উচিত', বক্তব্য শিবসেনার।
আরও পড়ুন:
দলটি বলেছে, দেশে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছে। পঞ্জাব ও কাশ্মীর অশান্ত হয়ে উঠেছে এবং রাজনীতি ভিন্ন দিকে ঘুরছে। দেশের নয়া প্রজন্ম কোন দিকে যাচ্ছে? এমন সময়ে বিশ্বকে পথ দেখানো প্রধানমন্ত্রীর নীরব থাকাটাই আশ্চর্যজনক!
আরও পড়ুন:
শিবসেনার মুখপত্র ‘সামনা' য় দেশের বেকারত্ব, কাশ্মীর সমস্যা এবং জ্ঞানবাপী মসজিদের মতো ইস্যুতে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারকে টার্গেট করেছে।
আরও পড়ুন:
শিবসেনা বলেছে, ‘জম্মু-কাশ্মীরে সবসময়ই সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। মঙ্গলবার শ্রীনগরের সৌরা এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। হামলায় এক পুলিশ কর্মচারীর সাত বছরের মেয়ে আহত হয়েছে। ওই পুলিশ কনস্টেবল কাশ্মীরি পণ্ডিত ছিলেন না। তার নাম ছিল সাইফুল্লাহ কাদরি। সন্ত্রাসীরা তার বাড়িতে ঢুকে তাকে গুলি করে।
এরআগে পুলওয়ামায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ নিহত হয়।আরও পড়ুন:
গত দু’মাসে কাশ্মীর উপত্যকায় ১২ জন মুসলিম পুলিশ অফিসারকে হত্যা করা হয়েছে। এটাই সেখানে সত্য। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলের বিরুদ্ধে কাশ্মীর উপত্যকায় সন্ত্রাসীদের রক্তাক্ত খেলা চলছে। দেশের পাশে যারা আছে তাদের নির্মূল করাই সন্ত্রাসীদের নীতি।
কিন্তু বিজেপি শুধু একটি সম্প্রদায়, একটি ধর্মের আত্মত্যাগ দেখে।
এটা 'জাতীয়' ঐক্যের লক্ষণ নয়। দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী একজন ‘হিন্দু’কে যতটা সম্মান দেওয়া হয়, এ দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী একজন ‘মুসলমান’কেও একই সম্মান দেওয়া উচিত।’'সামনা'য় আরও বলা হয়েছে, ‘আওরঙ্গজেবের কবর ইস্যু বিজেপি খুঁচিয়ে করে বের করেছে। বাবরি মতো আওরঙ্গজেবের কবরও জাতীয় অস্মিতার বিষয় হলে বিজেপির উচিত কোদাল-বেলচা দিয়ে সেই কবরকে বাবরি করার সাহস দেখানো। যদিও সত্যটি হল আওরঙ্গজেবের সমাধিটি ভারত সরকারের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের অধীনে। এবং এখন প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ এই সমাধিটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।আরও পড়ুন:
এ নিয়ে বিজেপি মণ্ডলের কী বক্তব্য আছে?’ দেশের রাজনীতিতে আজ মানবতার সম্মান ও মর্যাদা বিনষ্ট হয়েছে বলেও শিবসেনার পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে।