পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে যুদ্ধ ঘোষণা করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার ইউক্রেনের ওপরে টানা চলছে রুশ হামলা। পালটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা চালিয়ে গেছে ইউক্রেনও। বুধবারও জাইতোমির এবং খারকিভ শহরের জনবসতি এলাকায় নিরন্তর ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ইউক্রেনের।
আরও পড়ুন:
মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ইউক্রেনে হামলা চালাতে গিয়ে প্রথম দুই সপ্তাহে রাশিয়ার পাঁচ থেকে ছয় হাজার সৈন্য নিহত হয়েছে।
রাশিয়ার সৈন্য আহতের সংখ্যা ১৫ থেকে ১৮ হাজার হতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, আহতের হার নিহতদের সংখ্যার তিন গুণ।আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের দাবি, লড়াইয়ে ১২ হাজার রুশ সৈন্য নিহত হয়েছে। তবে গত সপ্তাহে রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনে তাদের সৈন্য নিহতের সংখ্যা পাঁচশোর কম। তবে কোনও দাবির ব্যাপারে সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবারই এক বিরাট সংখ্যক ভারতীয় পড়ুয়া ইউক্রেন ছেড়েছেন। আর এবার ভারতীয় পড়ুয়াদের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে প্রতিবেশী দেশ বেলারুশ।
আরও পড়ুন:
গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রুশ হামলার শিকার ইউক্রেনীয় শহরগুলোতে মানুষের দুর্ভোগ অবর্ণনীয় পর্যায়ে। গ্যাস, জল, বিদ্যুৎ সরবরাহ, এমনকি খাবারের সংকট, গোলা-বোমায় বিপর্যস্ত বিভিন্ন শহরের বাসিন্দা। তাদের সরাতে রাশিয়া একাধিকবার ‘মানবিক করিডর’ খুলে দিলেও সরতে থাকা লোকজনের পালানোর পথ লক্ষ্য করেই হামলার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ ইউক্রেনের।
আরও পড়ুন: