১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগের পরেই সৌমিত্রর নিশানায় শুভেন্দু

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পদত্যাগের পরই শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। লাইভে এসে তিনি বলেন “বারবার দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভুল না বুঝিয়ে আয়নায় মুখ দেখুন।” রাজ্যে বিজেপির  শীর্ষনেতাদের মধ্যেই একজন সৌমিত্র খাঁ। আচমকাই যুব সভাপতি পদ থেকে ইস্তাফা দেন তিনি। এরপরই দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীকে। তীব্র আক্রমণ করেন সৌমিত্র। বলেন, “দল এককেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। একমুখী হয়ে যাচ্ছে। শুধু অধিকার অধিকার, অধিকারী, অধিকারী চলছে। বারবার দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছেন একজন।” শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বিষ্ণুপুরের সাংসদ আরও বলেন, “বিরোধী দলনেতা নিজেকে বিরাট করে জাহির করছেন, যখন তৃণমূলে ছিলেন তখনও নিজেকে বিশাল কিছু মনে করতেন। মনে হচ্ছে দলে শুধু ওঁরই অবদান রয়েছে। আমাদের কোনও ত্যাগ নেই। নতুন নেতা হঠাৎ করে এসে যেভাবে দিল্লির নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছে, তাতে গোটা দল একটা জেলার মধ্যে চলে আসছে।” 

সৌমিত্র খাঁ আরও বলেন, “ভোটের একমাস আগে এসে উনি সব চোর,  চিটিংবাজকে জয়েন করিয়েছেন। সেই সময় থেকেই অনেক কিছুই আমার ভাল লাগেনি। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদ করেছিলাম। সেই কারণেই আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও যদি না বলি কোনওদিন বোঝাতে পারব না। তাই এখন বললাম। ভুল যদি হয়, যে কোনও পরিস্থিতিতে আমি প্রতিবাদ করব।” ব্যক্তিগত স্বার্থে বিজেপিতে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারী,  ইঙ্গিতে এমনও অভিযোগ করেছেন সৌমিত্র। বলেছেন, “আমি কোনও স্বার্থ নিয়ে বিজেপিতে আসিনি। আমার কোনও দাদা, ভাইয়ের জন্য কিছু করার নেই। আজও আমার একতলা বাড়ি।” দলের প্রথম সারির নেতার এহেন মন্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি। বুধবারই সন্ধেয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে দলের তরফে পাশাপাশি দিলীপ ঘোষকে খোঁচা দিয়ে বললেন,”উনি অর্ধেক বোঝেন,  অর্ধেক বোঝেন না”।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ, অধিকাংশ ঘটনা বিজেপি শাসিত রাজ্যে, উঠছে অভিযোগ

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পদত্যাগের পরেই সৌমিত্রর নিশানায় শুভেন্দু

আপডেট : ৭ জুলাই ২০২১, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: পদত্যাগের পরই শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। লাইভে এসে তিনি বলেন “বারবার দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভুল না বুঝিয়ে আয়নায় মুখ দেখুন।” রাজ্যে বিজেপির  শীর্ষনেতাদের মধ্যেই একজন সৌমিত্র খাঁ। আচমকাই যুব সভাপতি পদ থেকে ইস্তাফা দেন তিনি। এরপরই দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীকে। তীব্র আক্রমণ করেন সৌমিত্র। বলেন, “দল এককেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। একমুখী হয়ে যাচ্ছে। শুধু অধিকার অধিকার, অধিকারী, অধিকারী চলছে। বারবার দিল্লি গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছেন একজন।” শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বিষ্ণুপুরের সাংসদ আরও বলেন, “বিরোধী দলনেতা নিজেকে বিরাট করে জাহির করছেন, যখন তৃণমূলে ছিলেন তখনও নিজেকে বিশাল কিছু মনে করতেন। মনে হচ্ছে দলে শুধু ওঁরই অবদান রয়েছে। আমাদের কোনও ত্যাগ নেই। নতুন নেতা হঠাৎ করে এসে যেভাবে দিল্লির নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছে, তাতে গোটা দল একটা জেলার মধ্যে চলে আসছে।” 

সৌমিত্র খাঁ আরও বলেন, “ভোটের একমাস আগে এসে উনি সব চোর,  চিটিংবাজকে জয়েন করিয়েছেন। সেই সময় থেকেই অনেক কিছুই আমার ভাল লাগেনি। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিবাদ করেছিলাম। সেই কারণেই আমাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখনও যদি না বলি কোনওদিন বোঝাতে পারব না। তাই এখন বললাম। ভুল যদি হয়, যে কোনও পরিস্থিতিতে আমি প্রতিবাদ করব।” ব্যক্তিগত স্বার্থে বিজেপিতে এসেছেন শুভেন্দু অধিকারী,  ইঙ্গিতে এমনও অভিযোগ করেছেন সৌমিত্র। বলেছেন, “আমি কোনও স্বার্থ নিয়ে বিজেপিতে আসিনি। আমার কোনও দাদা, ভাইয়ের জন্য কিছু করার নেই। আজও আমার একতলা বাড়ি।” দলের প্রথম সারির নেতার এহেন মন্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি। বুধবারই সন্ধেয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে দলের তরফে পাশাপাশি দিলীপ ঘোষকে খোঁচা দিয়ে বললেন,”উনি অর্ধেক বোঝেন,  অর্ধেক বোঝেন না”।