০২ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৮২-তেই প্রয়াত ফুটবল সম্রাট পেলে

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক : শেষ হলো একটা অধ্যায়। প্রয়াত হলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে। ৮২ বছর বয়সেই আজ তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন। কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পাও পাওলোর একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসকরা বলেই দিয়েছিলেন তাঁর ক্যান্সার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে গিয়েছে। শেষ দিকে কোনও চিকিৎসাই কাজ দিচ্ছিল না।এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ফুটবলের সম্রাট।

পেলে সাও পাওলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। টানা ২৯ দিন পর লড়াই থামল ‘কালো মাণিক’-এর। ভারতীয় সময়ে শুক্রবার রাত ১২টা নাগাদ পেলে থামলেন জীবনের মাঠে। রেখে গেলেন বহু কীর্তিমালা, যা আগামী ফুটবল ইতিহাসকেও সমান আলোকিত ও উজ্জ্বল করে রাখবে।

১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন পেলে। তার পুরো নাম, এডসন অ্যারানটিস দো নাসিমেন্তো। তিনিই বিশ্ব ফুটবলকে মাতিয়ে রেখেছিলেন। নিজের দক্ষতায় ব্রাজিলকে জিতেছিলেন তিন তিনটি বিশ্বকাপ। বিশ্বের আর কোন ফুটবলারের এই রেকর্ড নেই। কনিষ্ঠতম ফুটবলার হিসাবে দেশকে জিতিয়েছিলেন বিশ্বকাপ। ১৯৫৮ সালে ব্রাজিলের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ। পর পর চারটি বিশ্বকাপে খেলেছেন।

তার পায়ের স্কিলের ঝলকানিতে রঙিন ও বর্ণময় হয়ে উঠেছিল বিশ্ব ফুটবল। তাকেই আইডল হিসাবে সামনে রেখে বিশ্ব ফুটবল এগিয়েছে এক অনন্য গতিতে। অথচ আজ তিনি আর নেই। বিশ্ব ফুটবল কে অভিভাবকহীন করে চলে গেলেন ফুটবলকে নিঃস্ব করে।

পেলের পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ অসুস্থতার পর প্রয়াত হয়েছেন পেলে। বিশ্ব ফুটবলের সম্ভবত প্রথম সুপারস্টার পেলে। তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দিয়েগো মারাদোনা ২০২০ সালে ৬০ বছর বয়সে প্রয়াত হন আচমকাই। একটা সময় এই দুজনকে নিয়েই তুলনা উঠতো কে সেরা? যদিও ফিফা ম্যাগাজিনের পাঠক এবং জুরি বোর্ডের বিচারে পেলেই বিংশ শতাব্দীর ‘শ্রেষ্ঠ’ ফুটবলারের তকমা জেতেন। আজও তার সেই সেরার তকমা অক্ষুন্ন থেকে গেলেও, পেলে আজ নেই।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

রাশিয়ায় আছড়ে পড়ল ইউক্রেনীয় ড্রোন, হামলা নিহত ২৪ জন নাগরিক

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

৮২-তেই প্রয়াত ফুটবল সম্রাট পেলে

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২২, শুক্রবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক : শেষ হলো একটা অধ্যায়। প্রয়াত হলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে। ৮২ বছর বয়সেই আজ তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন। কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে পাও পাওলোর একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। চিকিৎসকরা বলেই দিয়েছিলেন তাঁর ক্যান্সার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে গিয়েছে। শেষ দিকে কোনও চিকিৎসাই কাজ দিচ্ছিল না।এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ফুটবলের সম্রাট।

পেলে সাও পাওলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। টানা ২৯ দিন পর লড়াই থামল ‘কালো মাণিক’-এর। ভারতীয় সময়ে শুক্রবার রাত ১২টা নাগাদ পেলে থামলেন জীবনের মাঠে। রেখে গেলেন বহু কীর্তিমালা, যা আগামী ফুটবল ইতিহাসকেও সমান আলোকিত ও উজ্জ্বল করে রাখবে।

১৯৪০ সালের ২৩ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন পেলে। তার পুরো নাম, এডসন অ্যারানটিস দো নাসিমেন্তো। তিনিই বিশ্ব ফুটবলকে মাতিয়ে রেখেছিলেন। নিজের দক্ষতায় ব্রাজিলকে জিতেছিলেন তিন তিনটি বিশ্বকাপ। বিশ্বের আর কোন ফুটবলারের এই রেকর্ড নেই। কনিষ্ঠতম ফুটবলার হিসাবে দেশকে জিতিয়েছিলেন বিশ্বকাপ। ১৯৫৮ সালে ব্রাজিলের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ। পর পর চারটি বিশ্বকাপে খেলেছেন।

তার পায়ের স্কিলের ঝলকানিতে রঙিন ও বর্ণময় হয়ে উঠেছিল বিশ্ব ফুটবল। তাকেই আইডল হিসাবে সামনে রেখে বিশ্ব ফুটবল এগিয়েছে এক অনন্য গতিতে। অথচ আজ তিনি আর নেই। বিশ্ব ফুটবল কে অভিভাবকহীন করে চলে গেলেন ফুটবলকে নিঃস্ব করে।

পেলের পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘ অসুস্থতার পর প্রয়াত হয়েছেন পেলে। বিশ্ব ফুটবলের সম্ভবত প্রথম সুপারস্টার পেলে। তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দিয়েগো মারাদোনা ২০২০ সালে ৬০ বছর বয়সে প্রয়াত হন আচমকাই। একটা সময় এই দুজনকে নিয়েই তুলনা উঠতো কে সেরা? যদিও ফিফা ম্যাগাজিনের পাঠক এবং জুরি বোর্ডের বিচারে পেলেই বিংশ শতাব্দীর ‘শ্রেষ্ঠ’ ফুটবলারের তকমা জেতেন। আজও তার সেই সেরার তকমা অক্ষুন্ন থেকে গেলেও, পেলে আজ নেই।