০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি অখিলেশ ও মায়াবতীর  

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  উত্তর প্রদেশে বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) প্রধান মায়াবতী এবং সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান অখিলেশ যাদব বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে সাসপেন্ড করাকে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে বিজেপির পদক্ষেপকে অপর্যাপ্ত বলে উল্লেখ করে মায়াবতী ও অখিলেশ যাদব তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: এক্সিট পোল ভুয়ো-বিভ্রান্তিকর, বিহারে জিতছে মহাগঠবন্ধনই: অখিলেশ

বিজেপি রবিবার তাদের জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছে এবং দিল্লি শাখার মিডিয়া প্রধান নবীন কুমার জিন্দালকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে।

আরও পড়ুন: ‘সনাতনিদের শত্রু’ অখিলেশ: দীপোৎসব নিয়ে মুখ খোলায় সপা সুপ্রিমোকে আক্রমণ গিরিরাজের

উত্তরপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী এক বার্তায় বলেছেন, ‘দেশে সমস্ত ধর্মকে সম্মান করা প্রয়োজন। কোনো ধর্মের জন্য আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা ঠিক নয়। এই ক্ষেত্রে বিজেপিরও উচিত তার লোকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তিনি নূপুর  শর্মা এবং জিন্দালের নাম না উল্লেখ করে বলেন, কেবল তাদের বরখাস্ত এবং বহিষ্কার করলে কাজ হবে না, তাদের কঠোর আইনের অধীনে জেলে পাঠানো উচিত।

আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে সমর্থন মায়াবতীর

অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টির প্রধান এবং উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব এক বার্তায় বলেন, বিজেপির শুধু নূপুর শর্মাকে সাময়িক বরখাস্তের ছলনামূলক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তিনি কারও নাম না করে বলেন, বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য বিজেপি থেকে বরখাস্ত উনিও হয়েছিলেন, যিনি আজ উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারে মন্ত্রী হয়ে বসে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি দয়াশঙ্কর সিং এক সাংবাদ সম্মেলনে বিএসপি প্রধান মায়াবতীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। এরপর ওই ইস্যুতে বিতর্ক সৃষ্টি হলে বিজেপি দয়াশঙ্কর সিংকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করে।

কিন্তু ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর দয়াশঙ্কর  সিংয়ের সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছিল। ২০২২ সালে  দলের পক্ষ থেকে দয়াশঙ্কর সিংকে বালিয়া থেকে বিধানসভার টিকিট দেওয়া হয়েছিল এবং তার বিজয়ের পরে  তাকে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকারে পরিবহন প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্ব) করা হয়। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব তার টুইট বার্তায় দয়াশঙ্কর  সিংয়ের নাম না করে এভাবে তার সম্পর্কে ইঙ্গিত করেছেন।

সর্বধিক পাঠিত

নাগরিকের গোপনীয়তা নিয়ে আপস নয়—Meta-কে কড়া সতর্কবার্তা সুপ্রিম কোর্টের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি অখিলেশ ও মায়াবতীর  

আপডেট : ৮ জুন ২০২২, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  উত্তর প্রদেশে বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) প্রধান মায়াবতী এবং সমাজবাদী পার্টির (এসপি) প্রধান অখিলেশ যাদব বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে সাসপেন্ড করাকে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে বিজেপির পদক্ষেপকে অপর্যাপ্ত বলে উল্লেখ করে মায়াবতী ও অখিলেশ যাদব তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: এক্সিট পোল ভুয়ো-বিভ্রান্তিকর, বিহারে জিতছে মহাগঠবন্ধনই: অখিলেশ

বিজেপি রবিবার তাদের জাতীয় মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে দল থেকে সাসপেন্ড করেছে এবং দিল্লি শাখার মিডিয়া প্রধান নবীন কুমার জিন্দালকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে।

আরও পড়ুন: ‘সনাতনিদের শত্রু’ অখিলেশ: দীপোৎসব নিয়ে মুখ খোলায় সপা সুপ্রিমোকে আক্রমণ গিরিরাজের

উত্তরপ্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী এক বার্তায় বলেছেন, ‘দেশে সমস্ত ধর্মকে সম্মান করা প্রয়োজন। কোনো ধর্মের জন্য আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা ঠিক নয়। এই ক্ষেত্রে বিজেপিরও উচিত তার লোকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। তিনি নূপুর  শর্মা এবং জিন্দালের নাম না উল্লেখ করে বলেন, কেবল তাদের বরখাস্ত এবং বহিষ্কার করলে কাজ হবে না, তাদের কঠোর আইনের অধীনে জেলে পাঠানো উচিত।

আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে সমর্থন মায়াবতীর

অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টির প্রধান এবং উত্তর প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব এক বার্তায় বলেন, বিজেপির শুধু নূপুর শর্মাকে সাময়িক বরখাস্তের ছলনামূলক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তিনি কারও নাম না করে বলেন, বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য বিজেপি থেকে বরখাস্ত উনিও হয়েছিলেন, যিনি আজ উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারে মন্ত্রী হয়ে বসে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি দয়াশঙ্কর সিং এক সাংবাদ সম্মেলনে বিএসপি প্রধান মায়াবতীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। এরপর ওই ইস্যুতে বিতর্ক সৃষ্টি হলে বিজেপি দয়াশঙ্কর সিংকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করে।

কিন্তু ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর দয়াশঙ্কর  সিংয়ের সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছিল। ২০২২ সালে  দলের পক্ষ থেকে দয়াশঙ্কর সিংকে বালিয়া থেকে বিধানসভার টিকিট দেওয়া হয়েছিল এবং তার বিজয়ের পরে  তাকে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকারে পরিবহন প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্ব) করা হয়। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব তার টুইট বার্তায় দয়াশঙ্কর  সিংয়ের নাম না করে এভাবে তার সম্পর্কে ইঙ্গিত করেছেন।