কুতুব উদ্দিন মোল্লা, ক্যানিং: এক বধুকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে গুরুতর আশাঙ্কাজনক অবস্থায় ওই বধু ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনা প্রসঙ্গে আক্রান্ত বধুর বাপের বাড়ির লোকজন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে ক্যানিংয়ের হাটপুকুরিয়ার ডেভিসাবাদ গ্রামের মহিলা সানজিদা সরদার। গত এক বছর আগে ফোনের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক তৈরী হয় জয়নগরের চালতাবেড়িয়ার বাপি ওরফে রমজান গায়েনের সাথে। বিয়ে হয়।
বিয়ের পরে সানজিদা জানতে পারে তার প্রেমিক বিবাহিত। দুইটি সন্তান রয়েছে। এদিকে দ্বিতীয় বিয়ে করায় রমজানের প্রথম স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যায়।আরও পড়ুন:
অভিযোগ বিয়ের পর থেকে রমজানসসানজিদা কে তার বাপের বাড়ি থেকে প্রতিনিয়ত টাকা আনতে বলতো । বাবা না থাকায়,মা ও মামাদের কাছ থেকে টাকা এনে দিতো রমজান কে। টাকা না আনলে চলতো অকথ্য মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার। এমনটাই চলছিল দীর্ঘ প্রায় এক বছর।
আরো অভিযোগ সোমবার বাইক কেনার জন্য সানজিদা কে তার বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেয়।টাকা আনতে না যাওয়ায় তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘরের মধ্যে অচৈতন্য অবস্থায় পড়েছিলেন ওই বধু। জ্ঞান ফিরতেই কোন রকমে বাপের বাড়িতে ফোন করে ঘটনার কথা জানায়।আরও পড়ুন:
ক্যানিংয়ের ডেভিসাবাদ গ্রাম থেকে জয়নগরের চালতাবেড়িয়া গ্রামে পৌঁছায় সানজিদার জামাইবাবু,মা ও মামা। অন্যদিকে পালিয়ে যায় রমজান। সসানজিদা কে গুরুতর জমখ অবস্থায় তার বাপের বাড়ির লোকজন উদ্ধার করে।
চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০ টার সময় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসা চলছে সানজিদার। ঘটনা প্রসঙ্গে সানজিদা’র এক জামাইবাবু জানিয়েছেন, ‘বিয়ের পর থেকেই নানান অছিলায় টাকা চাইতো রমজান। দিতে পারলে ভালো,না হলে অত্যাচার চালাতো। ইদানিং বাইক কেনার জন্য টাকা চেয়েছিল। না পেয়ে অমানুষিক অত্যাচার করে। আমরা রমজানের কঠোর শাস্তির আবেদন করে পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছি। ’