২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
কেন্দ্রের তিন মন্ত্রীকে চিঠি লিখে চাইলে বিশেষ প্যাকেজ

ট্রাম্পের শুল্ক-তিরে ২৫ হাজার কোটির ক্ষতি অন্ধ্রের shrimp export

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  ট্রাম্পের শুল্ক-বাণে চরম ক্ষতিগ্রস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের চিংড়ি চাষিরা (shrimp export)। অন্ধ্র সরকারের দাবি, চিংড়ি রফতানিতে অতিরিক্ত শুল্কের চাপানোয় রাজ্যের ২৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে (Andhra pegs shrimp export losses 25,000 crore) এবং ৫০ শতাংশ চিংড়ি রফতানির বরাত বাতিল হয়ে গিয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের দাবি, রফতানিকৃত ২০০০ কন্টেইনারের উপর ৬০০ কোটি টাকার করের বোঝা চেপেছে। আমেরিকার চাপানো শুল্কের ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন মৎস্যজীবীরা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের চিংড়ি চাষিদের আর্থিক সাহায্য করার আবেদন করেছেন।

হিন্দু ধর্মে সমতা থাকলে অস্পৃশ্যতা এল কিভাবে? ধর্মান্তকরণ ইস্যুতে বিস্ফোরক Siddaramaiah

ভারতীয় পণ্য আমদানিতে আমেরিকা ২৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করেছিল। পরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করার পর জরিমানা হিসাবে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপায়। এছাড়াও রয়েছে ৫.৭৬ শতাংশ ক্ষতিপূরণমূলক শুল্ক এবং ৩.৯৬ শতাংশ অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক। ফলে ভারতীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে মোট মার্কিন শুল্ক ৫৯.৭২ শতাংশে পৌঁছেছে।

রাজ্যের চিংড়ি চাষিরা তীব্র দুর্দশানার সম্মুখীন (Andhra pegs shrimp export losses 25,000 crore)। সেই চাষিদের আর্থিক ক্ষতি কমানোর উদ্যোগ নিয়ে তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী- কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং মৎস্যমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিংকে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী নাইডু। চিঠিতে অন্ধ্রপ্রদেশের চাষিদের জন্য কেন্দ্রের কাছ থেকে জিএসটিতে ছাড় এবং রাজ্যের জেলেদের জন্য আর্থিক প্যাকেজের দাবি করেছেন।

দেশের চিংড়ি রফতানিতে ৮০ শতাংশ এবং সামুদ্রিক রফতানিতে ৩৪ শতাংশ হয় অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে। বছরে প্রায় ২১,২৪৬ কোটি টাকার চিংড়ি রফতানি (shrimp export) করা হয়। নাইডু তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, ট্রাম্পের শুল্কের ধাক্কায় প্রায় আড়াই লক্ষ জেলে এবং কৃষক পরিবার এবং সহযোগী খাতের উপর নির্ভরশীল ৩০ লক্ষ মানুষ চরম দুর্দিনে মুখে পড়েছেন।

মার্কিন শুল্ক সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলেছে চিংড়ি রফতানিতে। পাশাপাশি, রফতানি বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব এবং রাশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)-রও পরামশ দিয়েছেন নাইডু। মুখ্যমন্ত্রী নাইডু রফতানিকারকদের জন্য এবং অ্যাকোয়া কোম্পানিগুলির জন্য ব্যাংক সহায়তার অনুরোধ করেছেন। ঋণ এবং সুদ পরিশোধের উপর ২৪০ দিনের স্থগিতাদেশ, সুদের ভর্তুকি এবং ফ্রোজেন চিংড়ির উপর ৫ শতাংশ জিএসটি সাময়িকভাবে মকুব করার আবেদন জানিয়েছেন।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

আরএসএস মানহানি মামলা: নতুন জামিনদার দিতে থানে আদালতে সশরীরে হাজিরা দিলেন রাহুল গান্ধী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কেন্দ্রের তিন মন্ত্রীকে চিঠি লিখে চাইলে বিশেষ প্যাকেজ

ট্রাম্পের শুল্ক-তিরে ২৫ হাজার কোটির ক্ষতি অন্ধ্রের shrimp export

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সোমবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক:  ট্রাম্পের শুল্ক-বাণে চরম ক্ষতিগ্রস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের চিংড়ি চাষিরা (shrimp export)। অন্ধ্র সরকারের দাবি, চিংড়ি রফতানিতে অতিরিক্ত শুল্কের চাপানোয় রাজ্যের ২৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে (Andhra pegs shrimp export losses 25,000 crore) এবং ৫০ শতাংশ চিংড়ি রফতানির বরাত বাতিল হয়ে গিয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের দাবি, রফতানিকৃত ২০০০ কন্টেইনারের উপর ৬০০ কোটি টাকার করের বোঝা চেপেছে। আমেরিকার চাপানো শুল্কের ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন মৎস্যজীবীরা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের চিংড়ি চাষিদের আর্থিক সাহায্য করার আবেদন করেছেন।

হিন্দু ধর্মে সমতা থাকলে অস্পৃশ্যতা এল কিভাবে? ধর্মান্তকরণ ইস্যুতে বিস্ফোরক Siddaramaiah

ভারতীয় পণ্য আমদানিতে আমেরিকা ২৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করেছিল। পরে ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করার পর জরিমানা হিসাবে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপায়। এছাড়াও রয়েছে ৫.৭৬ শতাংশ ক্ষতিপূরণমূলক শুল্ক এবং ৩.৯৬ শতাংশ অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক। ফলে ভারতীয় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে মোট মার্কিন শুল্ক ৫৯.৭২ শতাংশে পৌঁছেছে।

রাজ্যের চিংড়ি চাষিরা তীব্র দুর্দশানার সম্মুখীন (Andhra pegs shrimp export losses 25,000 crore)। সেই চাষিদের আর্থিক ক্ষতি কমানোর উদ্যোগ নিয়ে তিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী- কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং মৎস্যমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিংকে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী নাইডু। চিঠিতে অন্ধ্রপ্রদেশের চাষিদের জন্য কেন্দ্রের কাছ থেকে জিএসটিতে ছাড় এবং রাজ্যের জেলেদের জন্য আর্থিক প্যাকেজের দাবি করেছেন।

দেশের চিংড়ি রফতানিতে ৮০ শতাংশ এবং সামুদ্রিক রফতানিতে ৩৪ শতাংশ হয় অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে। বছরে প্রায় ২১,২৪৬ কোটি টাকার চিংড়ি রফতানি (shrimp export) করা হয়। নাইডু তাঁর চিঠিতে লিখেছেন, ট্রাম্পের শুল্কের ধাক্কায় প্রায় আড়াই লক্ষ জেলে এবং কৃষক পরিবার এবং সহযোগী খাতের উপর নির্ভরশীল ৩০ লক্ষ মানুষ চরম দুর্দিনে মুখে পড়েছেন।

মার্কিন শুল্ক সবথেকে বেশি প্রভাব ফেলেছে চিংড়ি রফতানিতে। পাশাপাশি, রফতানি বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব এবং রাশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)-রও পরামশ দিয়েছেন নাইডু। মুখ্যমন্ত্রী নাইডু রফতানিকারকদের জন্য এবং অ্যাকোয়া কোম্পানিগুলির জন্য ব্যাংক সহায়তার অনুরোধ করেছেন। ঋণ এবং সুদ পরিশোধের উপর ২৪০ দিনের স্থগিতাদেশ, সুদের ভর্তুকি এবং ফ্রোজেন চিংড়ির উপর ৫ শতাংশ জিএসটি সাময়িকভাবে মকুব করার আবেদন জানিয়েছেন।