পুবের কলম প্রতিবেদক: মহিলাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বদ্ধপরিকর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার। এক সপ্তাহ আগেই অন্তর্বর্তী বাজেটে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা ৫০০ টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার, যা ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। এবার নেওয়া হয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
শীঘ্রই বাংলার ৩৩ হাজার গরিব মহিলাকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের আওতায় পাকা বাড়ি নির্মাণে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। উপভোক্তাদের দুই কিস্তিতে মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই উপভোক্তা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা পাঠানো হবে। নবান্ন সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই নাম নথিভুক্তির প্রক্রিয়া শেষ করে সহায়তা প্রদানের চেষ্টা চলছে।
জানা গেছে, মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্ত মহিলাদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য ‘ডেস্টিটিউট মাইনরিটি উইমেন রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম’ নামে একটি প্রকল্প রয়েছে, যার দায়িত্বে সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তর। তবে বাড়ি নির্মাণ সংক্রান্ত আবেদনগুলি পঞ্চায়েত দপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন। উল্লেখ্য, আবাস যোজনায় কেন্দ্রীয় বঞ্চনার জবাবে সম্পূর্ণ রাজ্যের খরচে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব পঞ্চায়েত দপ্তরের উপর ন্যস্ত রয়েছে। অভিজ্ঞ আমলাদের মতে, অন্যান্য আবাসন প্রকল্পের মতোই এই অনুদানও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমেই প্রদান করা হবে।




























