২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সোমবার, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রিলসের নেশায় আসক্ত স্ত্রী, নিষেধ করায় যুবককে খুন করল শ্বশুরবাড়ির লোক

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: রিলস, লাইক, শেয়ারের জালে আটকে গেছিল বিহারের বেগুসরাইয়ের রানি কুমারির জীবন। সময় সুযোগ পেলেই নাচ, অভিনয়ের ভিডিয়ো তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করত রানি। এই ঘটনায় খুবই বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন স্বামী মাহেশ্বর কুমার রায়। তিনি স্ত্রীকে নিষেধ করেছিলেন রিলস তৈরি করতে। এতেই অশান্তি শুরু হয়। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে খুন করে মাহেশ্বরকে।

২৫ বছরের মাহেশ্বর কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করতেন। সম্প্রতি বিহারে গেছিলেন। ৬ বছর আগে রানির সঙ্গে বিয়ে হয় তার। ৫ বছরের এক পুত্রও আছে তাদের।

পুলিশ জানিয়েছে ইন্সটাগ্রামে রানির ৯ হাজার ৫০০ ফলোয়ার আছে। ৫০০ টি রিলস তৈরি করে পোস্ট করেছিল সে। রিলস তৈরি আর লাইক পাওয়া নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার কাছে।

মাহেশ্বরের দাদা জানিয়েছে, সে যখন ফোন করে তখন মাহেশ্বর শ্বশুরবাড়ি গেছিল। কিন্তু ফোনটা তার বদলে অন্য কেউ ধরেছিল। এটা থেকেই সন্দেহ দানা বাঁধে তার মনে। এরপর বাড়ির লোকজনকে খবর দিলে তারা মাহেশ্বরের শ্বশুরবাড়ি পৌঁছায়। তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক ছিল। তিন–চারজন মিলে মৃতদেহ লোপাটের চেষ্টা করছিল।  দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সর্বধিক পাঠিত

মালদহে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ বিদেশি মাদক: পুলিশের জালে দুই আন্তঃরাজ্য পাচারকারী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রিলসের নেশায় আসক্ত স্ত্রী, নিষেধ করায় যুবককে খুন করল শ্বশুরবাড়ির লোক

আপডেট : ৮ জানুয়ারী ২০২৪, সোমবার

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: রিলস, লাইক, শেয়ারের জালে আটকে গেছিল বিহারের বেগুসরাইয়ের রানি কুমারির জীবন। সময় সুযোগ পেলেই নাচ, অভিনয়ের ভিডিয়ো তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করত রানি। এই ঘটনায় খুবই বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন স্বামী মাহেশ্বর কুমার রায়। তিনি স্ত্রীকে নিষেধ করেছিলেন রিলস তৈরি করতে। এতেই অশান্তি শুরু হয়। এরপর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে খুন করে মাহেশ্বরকে।

২৫ বছরের মাহেশ্বর কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করতেন। সম্প্রতি বিহারে গেছিলেন। ৬ বছর আগে রানির সঙ্গে বিয়ে হয় তার। ৫ বছরের এক পুত্রও আছে তাদের।

পুলিশ জানিয়েছে ইন্সটাগ্রামে রানির ৯ হাজার ৫০০ ফলোয়ার আছে। ৫০০ টি রিলস তৈরি করে পোস্ট করেছিল সে। রিলস তৈরি আর লাইক পাওয়া নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছিল তার কাছে।

মাহেশ্বরের দাদা জানিয়েছে, সে যখন ফোন করে তখন মাহেশ্বর শ্বশুরবাড়ি গেছিল। কিন্তু ফোনটা তার বদলে অন্য কেউ ধরেছিল। এটা থেকেই সন্দেহ দানা বাঁধে তার মনে। এরপর বাড়ির লোকজনকে খবর দিলে তারা মাহেশ্বরের শ্বশুরবাড়ি পৌঁছায়। তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক ছিল। তিন–চারজন মিলে মৃতদেহ লোপাটের চেষ্টা করছিল।  দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।