পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ গার্ডেনরিচের এক ব্যবসায়ী আমির খানের বাড়িতে ইডির হানা।এখনও পর্যন্তও ১৫ কোটি টাকা ও সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাঁর বাড়িতে হানা দেয় ইডি।উদ্ধার হওয়া নোটের বান্ডিল এখনও গোনা চলছে। ফলে উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারার অনুমান করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন:
পার্থ আর অর্পিতা কাণ্ডের পর এই ঘটনায় ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যে।ব্যবসায়ীর দ্বিতল বাড়ির খাটের তলায় মিলল বিপুল পরিমাণে টাকা।মোবাইল অ্যাপ গেম প্রতারণার খবরের সূত্র ধরেই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। ব্যবসায়ী আমির খানের আমদানি রফতানির ব্যবসা রয়েছে বলেই সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন:
তবে খাটের নীচে এত টাকা কেনও লুকিয়ে রয়েছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এদিকে এদিন কলকাতার একাধিক এলাকায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হানা নিয়ে মুখ খুলেছেন কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ব্যাঙ্ক থেকে টাকা গোনার ৮টি মেশিন আনা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৫০০ এবং ২ হাজার টাকার নোটের বান্ডিলে প্রায় ১৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। এদিকে এদিন ‘টক টু মেয়র’ কর্মসূচিতে ইডির হানা প্রসঙ্গে মুখ খোলেন ফিরহাদ হাকিম। এদিন তিনি বলেন, “কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ইডির হানার পিছনে দু’টি কারণ রয়েছে।
এক,তৃণমূল কংগ্রেসকে ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা। এসবের মাধ্যমে তৃণমূলকে বার্তা দেওয়া হচ্ছে। যাতে তারা আর বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই না করা। নয়তো ব্যবসায়ীদের ভয় পাইয়ে দেওয়া। যাতে তারা বাংলায় ব্যবসা না করে ওদের রাজ্যে গিয়ে ব্যবসা করে। বাংলার অর্থনীতিকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।তবে এই সব করে বাংলাকে বা তৃণমূলকে আটকানো বা দমানো যাবে না।যত পিছনে লাগবে, তত তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে যাবে।